মায়ানমারে মুসলিম গণহত্যা: নীরব বিশ্ববিবেক



সানাউল হক
সম্পাদক,দশদিক

একটি সভ্য যুগে বাস করেও আমরা কতটা নিষ্ঠুরতাকে প্রশ্রয় দিচ্ছি! রোহিঙ্গা শিশুদের যে ভাবে নির্যাতন করে মারা হয় তা যে কোন সমান্য বিবেকবান মানুষও তা সহ্য করতে কষ্ট হবে। এ সব নারী ও শিশুদের অপরাধ তারা মুসলিম। সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায় সারিবদ্ধ ভাবে শিশুদের হাত বিছিয়ে তার উপর মটর সাইকেল চালিয়ে তাদের দু’হাত ভেঙ্গে দিচ্ছে আর বর্বর বৌদ্ধরা তা উপভোগ করছে। আরেকটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে নির্যাতনে মৃত শিশুরা পানিতে ভাসছে। নারী নির্যাতনে যে মাত্রা তা কোন সভ্য মানুষ কল্পনাও করতে পারবেনা। এমন অনেক জনপদ পুরুষ শুন্য। প্রতিদিন শত শত লোক কে হত্যা করা হচ্ছে, যা বিশ্ব বিবেক দেখেও না দেখার ভান করছে। হায়রে মানবতা ! রোহিঙ্গারা বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে নির্যাতিত জনগোষ্ঠী। জাতিসঙ্ঘের ঘোষণা অনুযায়ী পৃথিবীতে সবচে নির্যাতিত সংখ্যালঘু জাতির নাম রোহিঙ্গা মুসলিম। কুকুর না খেয়ে মারা গেলে যে সভ্য দুনিয়ায় চোখের পানির স্রোত বয়ে যায়, বন্য প্রাণী বাঁচাতে যেখানে কোটি কোটি ডলারের ফান্ড অনায়াসে সংগৃহীত হয়, মায়ানমারে মাসের পর মাস নির্বিচারে নিরপরাধ নারী-শিশু-বৃদ্ধকে হত্যা করার পরও সেখানে কোনো সাড়া পড়ে না। এই বিশ্বে বাঘ সংরক্ষণের আহ্বানে পত্রিকার শিরোনাম করা হয়, সম্মেলন হয় কিন্তু সারাবিশ্বে ৫৭টি সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম দেশ থাকা সত্ত্বেও মুসলিমদের গণহত্যা থেকে রক্ষা করতে কোনো সম্মেলন হয় না।

দমন-পীড়নের মুখে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের শত শত মুসলিম রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ঢোকার চেষ্টা করছেন আর সীমান্তে এসে তারা পুশব্যাকের ফলে আবার ফিরে যাচ্ছেন স্বদেশে অথবা ভাসছেন সমুদ্রে। বেদনার আরেকটি দিক, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় শুধু চেয়ে চেয়ে দেখছে এই নিষ্ঠুরতা। বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী রাখাইনে নতুন করে শুরু হয়েছে সামরিক অভিযান। খবর অনুযায়ী এতে প্রাণ হারিয়েছেন শতাধিক রোহিঙ্গা আর এই সম্প্রদায়ভুক্তরা প্রাণ বাঁচানোর লক্ষ্যে দলে দলে ছুটছেন বাংলাদেশ অভিমুখে। বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর পুশব্যাক করা ছাড়া উপায় কী! ইতিমধ্যেই অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গারা যথেষ্ট সমস্যা সৃষ্টি করেছেন এ দেশের জন্য। বর্তমানে ৫ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গার ভার বহন করছে বাংলাদেশ। এএফপির খবর অনুযায়ী সাম্প্রতিক ঘটনায় ১৫ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা বাড়িছাড়া হয়েছে। শতাধিক ব্যক্তিকে হত্যা এবং ১৫ হাজার মানুষের বাস্তুচ্যুত হওয়া কম কথা নয়। এতেও যদি বিশ্ববিবেকে দংশন না হয়, তাহলে আর কবে হবে? মানবিক বিপর্যয় আর কাকে বলে আমরা জানি না। মিয়ানমারের জনপ্রিয় নেত্রী অং সান সূচি। দেশটির গণতন্ত্র উদ্ধারে সাহসী অবদান এবং শান্তি বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য ১৯৯১ সালে শান্তিতে নোবেল পান এই নেত্রী। সম্প্রতি তার দেশ মায়ানমারে সেনাবাহিনীর অভিযানে বাস্তুহারা অসংখ্য রোহিঙ্গা মুসলমান এবং রোহিঙ্গা নারীরা শারীরিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। জ্বালিয়ে দেয়া হচ্ছে তাদের ঘরবাড়ি। মিয়ানমারের আকাশে-বাতাসে লাশের গন্ধ।শান্তিতে নোবেল বিজয়ী সূচি কি শান্তির বদলে এভিাবেই অশান্তির দাবানলের পাশে মূর্তি হবেন? নোবেল বিজয়ী সূচিসহ বিশ্ব মোড়লদের হস্তক্ষেপই বন্ধ হতে পারে এই গণহত্যা!
পাতাটি ৯০৩ বার প্রদর্শিত হয়েছে।


মায়ানমারে মুসলিম গণহত্যা: নীরব বিশ্ববিবেক

সানাউল হক সম্পাদক,দশদিক একটি সভ্য যুগে বাস করেও আমরা কতটা নিষ্ঠুরতাকে প্রশ্রয় দিচ্ছি! রোহিঙ্গা শিশুদের…


স্বাগত ইংরেজি নববর্ষ ২০১৭

সানাউল হক সম্পাদক,দশদিক বিদায় ২০১৬, স্বাগত ২০১৭ সাল। বহু ঘটনার সাক্ষী হয়েগেল পুরাতন বছরের রাত…


শোক শক্তি আর গর্বের প্রিয় ফেব্রুয়ারি

সানাউল হক সম্পাদক,দশদিক আমার ভায়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি.. ফেব্রুয়ারির গৌরবদীপ্ত…


জাপানে স্থায়ী বসবাসের শর্তাবলী শিথিলের পরিকল্পনা

সানাউল হক সম্পাদক,দশদিক উচ্চ দক্ষতা সম্পন্ন পেশাজীবীদের জাপানে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি দেয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় শর্তাবলী…


স্বাগত বাংলা নববর্ষ ১৪২৪

সানাউল হক সম্পাদক,দশদিক মুছে যাক গ্লানি ঘুচে যাক জরা, অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা..। শুরু হল…


স্বাগত মাহে রমজান

সানাউল হক সম্পাদক,দশদিক খোশ আমদেদ মাহে রমজান। সত্য-অসত্য, পাপ-পূণ্য এবং ভালো-মন্দের যথার্থ উপলব্ধির মাধ্যমে মানব…

স্বাগত ইংরেজি নববর্ষ ২০১৭



সানাউল হক
সম্পাদক,দশদিক

বিদায় ২০১৬, স্বাগত ২০১৭ সাল। বহু ঘটনার সাক্ষী হয়েগেল পুরাতন বছরের রাত ১২টা ০১মিনিটের সাথে সাথে স্মৃতি হয়ে গেল ইংরেজি ২০১৬ সাল। নতুন সূর্যদ্বয়ের সাথে সাথে নতুন বছর ২০১৭ সালের নতুন দিনের শুরু। গত বছরের ঘটনা গুলো সময়ের ছায়া পথে হারিয়ে যাবে অতিতের গর্ভে। এর মাঝেই অতীত ফিরবে স্মৃতি হয়ে । এসেছে নুতন বছর । নতুনকে স্বাগত জানাতে মানুষের উদ্দীপনা সবসময়। নতুনের মধ্যে নিহিত সম্ভাবনা। সেই সম্ভাবনা বাস্তবে রূপ নেয় নিকট অতীত অথবা সুদূর অতীত থেকে নেয়া শিক্ষা থেকে। তাই নতুন সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপায়ন করার সুযোগ করে দিতে এল নতুন বছর। সময় কারো জন্য থেমে থাকেনা। চলতে থাকে আপন গতিতে। এভাবেই চলে যায় দিন, মাস, বছর। পুরনো দিনের গ্লানি ভুলে নতুন বছরে নতুন করে বিশ্বকে দেখার, দেখানোর তাগিদ নিয়ে নতুন সূর্যকে আপন করে নিবে বিশ্ব। নতুন মানেই চির তরুন, নতুন মানেই এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন। আর তাই নতুন বছর মানেই ছোট বড় সবার কাছে নতুন দিনের প্রেরণা, নতুন ভাবে জেগে ওঠার তাগিদ, অনিষ্টের বিরুদ্ধে নতুন করে লড়াই করার স্বপ্ন। বাংলাদেশে ইংরেজি নতুন বছর মানেই শীতের কুয়াশাভেদ করে আসা নতুন সূর্যকে বরণ করে নেওয়া। উঠোনে বসে নতুন আসা নরম রোদকে সঙ্গী করে পিঠা উৎসবে মেতে উঠা। বাংলাদেশে ইংরেজি নতুন বছর মানেই ঘর ভর্তি নতুন বইয়ের গন্ধ। নতুন ক্লাসে ওঠার আনন্দ। নতুন বইয়ের মলাট বাঁধার আনন্দ। আর নতুন করে শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন দেখা, এবার ভালো করবই।

নতুন বছরের শুভাগমনে আমাদের দেশের আগের বছরের জঞ্জাল ধুয়ে-মুছে যাক। এইটাই হোক প্রত্যাশা। গত বছর আমাদের যেমন ছিল সফলতা, তেমনি ছিল হয়তো কিছু ব্যর্থতাও। সব ব্যর্থতা কাটিয়ে এই নতুন বছরটি যেন রাজনৈতিক অস্থিরতা, হরতাল- অবরোধ, হানাহানি আর নৈরাজ্যের মধ্যে না কাটে। নতুন বছর সবার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি। ২০১৭ সালটি জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার জন্য কল্যাণকর হোক। সবাইকে নব উদ্দোমে এগিয়ে যাবার প্রেরনা যোগাবে নববর্ষ। নতুন বছরে আমাদের সবার প্রত্যাশা ক্ষুধা, দারিদ্রমুক্ত, অসামপ্রদায়িক একটি সোনার বাংলাদেশের। সবাইকে জানাই ইংরেজি নতুন বছরের প্রাণঢালা শুভেচ্ছা। শুভ হোক ইংরেজি নববর্ষ। আমাদের সকলের জীবন থেকেই চলে গেল ২০১৬ সাল। এলো নতুন বছর। স্বাগত ইংরেজি নববর্ষ ২০১৭। দশদিকের সকল পাঠক, বিজ্ঞাপন দাতা, শুভানুধ্যায়ীদের জানাই ইংরেজি নববর্ষের প্রীতি ও শুভেচ্ছা।
পাতাটি ৫৭১ বার প্রদর্শিত হয়েছে।


মায়ানমারে মুসলিম গণহত্যা: নীরব বিশ্ববিবেক

সানাউল হক সম্পাদক,দশদিক একটি সভ্য যুগে বাস করেও আমরা কতটা নিষ্ঠুরতাকে প্রশ্রয় দিচ্ছি! রোহিঙ্গা শিশুদের…


স্বাগত ইংরেজি নববর্ষ ২০১৭

সানাউল হক সম্পাদক,দশদিক বিদায় ২০১৬, স্বাগত ২০১৭ সাল। বহু ঘটনার সাক্ষী হয়েগেল পুরাতন বছরের রাত…


শোক শক্তি আর গর্বের প্রিয় ফেব্রুয়ারি

সানাউল হক সম্পাদক,দশদিক আমার ভায়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি.. ফেব্রুয়ারির গৌরবদীপ্ত…


জাপানে স্থায়ী বসবাসের শর্তাবলী শিথিলের পরিকল্পনা

সানাউল হক সম্পাদক,দশদিক উচ্চ দক্ষতা সম্পন্ন পেশাজীবীদের জাপানে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি দেয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় শর্তাবলী…


স্বাগত বাংলা নববর্ষ ১৪২৪

সানাউল হক সম্পাদক,দশদিক মুছে যাক গ্লানি ঘুচে যাক জরা, অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা..। শুরু হল…


স্বাগত মাহে রমজান

সানাউল হক সম্পাদক,দশদিক খোশ আমদেদ মাহে রমজান। সত্য-অসত্য, পাপ-পূণ্য এবং ভালো-মন্দের যথার্থ উপলব্ধির মাধ্যমে মানব…

শোক শক্তি আর গর্বের প্রিয় ফেব্রুয়ারি



সানাউল হক
সম্পাদক,দশদিক

আমার ভায়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি
আমি কি ভুলিতে পারি..
ফেব্রুয়ারির গৌরবদীপ্ত পাতা- আজও শোষিত লাঞ্চিত বাঙালি হৃদয়ের নিভৃতে কী এক অব্যক্ত অনুভব অনুভূতি ভিড় করে। কৃষ্ণচূড়া, শিমূল , পলাশের লালিমায় কিংবা ন্যায় সত্য সুন্দরের প্রতিষ্ঠায় যখন খুন ঝরে, বাঙালি চেতনায় একুশ জাগ্রত হয় তখনই। শোক শক্তি আর গর্বের মাস, মহান ভাষার অধিকার আদায়ের মাস ফেব্রুয়ারি। এ মাসটির সাথে মিশে গেছে বাঙালির কৃষ্টি সংস্কৃতি ঐতিহ্য আর বীরত্ব গাঁথা। এ মাসেই দেখা মিলবে একুশে ফেব্রুয়ারি রাত্রির বৃন্ত থেকে ছিনিয়ে আনা এক আলো ঝলমল সকালের। যার স্পর্শে বাঙ্গালীর চেতনা শানিত ও বিকশিত হয়ে জাতি আজ স্বাধীকারের স্বাদ লাভ করেছে। ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি মায়ের মুখের ভাষার জন্য এ দেশের দামাল ছেলেরা বুকের রক্তে রাজপথ রঞ্জিত করেছিলেন। পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দুকে সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালির উপর চাপিয়ে দেয়ার প্রতিবাদে সেদিন এদেশের দামাল ছেলেরা ঢাকার রাজপথে ইতিহাসের নতুন অধ্যায় রচনা করেছিলেন নিজের জীবন দিয়ে মাতৃভাষা বাংলার সম্মান রক্ষা করে। তাই সেদিন রাষ্ট্রভাষা হিসেবে মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রক্ষার্থে জীবন উৎসর্গ করা সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার কোন দলের লোক ছিলেন – সেটা এদেশের গণমানুষ বিবেচনা করেনি। গণমানুষের মনে এঁরা দেশপ্রেমিক সূর্যসন্তান। সেদিনের সেই আত্মদানই পরবর্তীকালে রূপ নিয়েছিল বাঙালির স্বাধিকার ও স্বাধীনতার আন্দোলনে। পাকিস্তানি শাসক এবং তাদের দোসরদের সব চক্রান্ত, সব ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে বাঙালি জাতি এগিয়ে গেল তার অভীষ্ট লক্ষ্যে। একুশে ফেব্রুয়ারি এক দিনে আসেনি। অনেক ত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি এই গৌরবের মাস। ফেব্রুয়ারি এলেই আমরা ফিরে তাকাই আমাদের শিকড়ের দিকে। আমাদের সংস্কৃতি ও ইতিহাস-ঐতিহ্য নতুন করে আমাদের এগিয়ে চলার প্রেরণা জোগায়। সঙ্গত কারণেই ভাষার মাস নিয়ে আমাদের মধ্যে একটি অন্য রকম আবেগ কাজ করে। সেই আবেগের বহিঃপ্রকাশ থাকে মাসজুড়েই। শহীদের স্মরণে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে অমর একুশের গ্রন্থমেলা।

মাসটিকে ঘিরে দেশে ও প্রবাসে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন পালন করবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নানা কর্মসূচি। ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে জন্ম হলো স্বাধীন বাংলাদেশের। তাই এই ফেব্রুয়ারিকে নিয়ে আমাদের এত অহংকার, এত গর্ব। মাতৃভাষার জন্য বুকের রক্ত দেয়ার এমন নজির পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। আর সেই বিরল আত্মদানের স্বীকৃতিও মিলেছে। শুধু বাংলাদেশেই নয়, সারা পৃথিবীতে আজ একুশে ফেব্রুয়ারিকে পালন করা হচ্ছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে। শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করা হচ্ছে সেই অমর শহীদদের, যারা ভাষার জন্য তাদের জীবন দিয়ে গেছেন। সত্যি আজও ভাই হারানোর কষ্ট বাঙালি ভুলতে পারেনি।
পাতাটি ৬২২ বার প্রদর্শিত হয়েছে।


মায়ানমারে মুসলিম গণহত্যা: নীরব বিশ্ববিবেক

সানাউল হক সম্পাদক,দশদিক একটি সভ্য যুগে বাস করেও আমরা কতটা নিষ্ঠুরতাকে প্রশ্রয় দিচ্ছি! রোহিঙ্গা শিশুদের…


স্বাগত ইংরেজি নববর্ষ ২০১৭

সানাউল হক সম্পাদক,দশদিক বিদায় ২০১৬, স্বাগত ২০১৭ সাল। বহু ঘটনার সাক্ষী হয়েগেল পুরাতন বছরের রাত…


শোক শক্তি আর গর্বের প্রিয় ফেব্রুয়ারি

সানাউল হক সম্পাদক,দশদিক আমার ভায়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি.. ফেব্রুয়ারির গৌরবদীপ্ত…


জাপানে স্থায়ী বসবাসের শর্তাবলী শিথিলের পরিকল্পনা

সানাউল হক সম্পাদক,দশদিক উচ্চ দক্ষতা সম্পন্ন পেশাজীবীদের জাপানে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি দেয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় শর্তাবলী…


স্বাগত বাংলা নববর্ষ ১৪২৪

সানাউল হক সম্পাদক,দশদিক মুছে যাক গ্লানি ঘুচে যাক জরা, অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা..। শুরু হল…


স্বাগত মাহে রমজান

সানাউল হক সম্পাদক,দশদিক খোশ আমদেদ মাহে রমজান। সত্য-অসত্য, পাপ-পূণ্য এবং ভালো-মন্দের যথার্থ উপলব্ধির মাধ্যমে মানব…

জাপানে স্থায়ী বসবাসের শর্তাবলী শিথিলের পরিকল্পনা



সানাউল হক
সম্পাদক,দশদিক

উচ্চ দক্ষতা সম্পন্ন পেশাজীবীদের জাপানে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি দেয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় শর্তাবলী শিথিল করার বিষয়টি বিবেচনা করছে দেশটির বিচার মন্ত্রণালয়। স্থায়ী বসবাসের আবেদনগুলো পর্যালোচনার ক্ষেত্রে সাধারণত একটি পয়েন্ট পদ্ধতির আশ্রয় নেয় এই মন্ত্রণালয়। উন্নত দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো জাপান। কারণ জাপানিরা যেমন ভদ্র জাতি তেমনি কর্তব্যপরায়ণও। সেই জানানে মাত্র এক বছরেই স্থায়ী হওয়ার সুযোগ পাবেন! কীভাবে? দ্বিতীয় মহাযুদ্ধে ধ্বংস হয়ে যাওয়া জাপানকে পৃথিবীর এক নম্বর সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে চেনেন অনেকেই। প্রযুক্তিতেও জাপানিদের জুড়ি নেই। জাপানকে অনুসরণ করেই আজ চীন প্রযুক্তিতে উন্নত। স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য বা পড়াশুনার জন্য তাই অনেকেই জাপানকে বেঁছে নেন। তবে বিদেশী দক্ষ পেশাজীবীদের জাপানে বসবাস উৎসাহিত করতে অভিবাসনের পূর্বের নিয়ম সংস্কার করে পরিবর্তন এনেছে দেশটির বিচার মন্ত্রণালয়। নতুন নিয়ম হলো, পর্যাপ্ত পয়েন্ট অর্জন করতে পারলে যে কেও মাত্র এক বছরেই দেশটিতে স্থায়ীভাবে বসবাস করার সুযোগ পাবেন। এ বছরের মার্চ হতে নতুন এই নিয়ম কার্যকর হবে বলে সম্প্রতি জাপানের অভিবাসন ব্যুরো জানিয়েছে। ইতিপূর্বে স্থায়ী বসবাসের আবেদনের ক্ষেত্রে দেশটিতে ন্যূনতম ১০ বছর থাকতে হতো। মূলত ২০১২ সালে জাপান সরকার ওই নিয়মটি বদলে ‘পয়েন্ট সিস্টেম’ চালু করেছে। তখন হতে আবেদনের ক্ষেত্রে ন্যূনতম থাকার সময় কমিয়ে ৫ বছর করা হয়। সম্প্রতি দেশটির বিচার বিভাগ তিন বছর পূর্বের ওই নিয়মটি সংস্কারের ঘোষণা দেয়। এতে ডক্টরেট পাওয়া বিদেশীদের জন্য ৩০ ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রীধারীদের জন্য ২০ পয়েন্ট নির্ধারণ করা হয়েছে। শিক্ষক, গবেষক বা অ্যাকাডেমিক ক্ষেত্রে পেশাজীবীরা জাপানে ৩ থেকে ৭ বছর কাজ করলে ৫ হতে ১৫ পয়েন্ট অর্জন করবেন। শুধু তাই নয়, অন্তত ৪টি বিশেষ ক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জনকারী বিদেশীরা পাবেন ২০ বোনাস পয়েন্ট। সেইসঙ্গে জাপানি ভাষায় দক্ষতা থাকলে পাওয়া যাবে আরও ১৫ পয়েন্ট। সবগুলো পয়েন্ট যোগ করে ৭০ পয়েন্ট হলে ৩ বছর জাপানে বসবাস করছেন এমন বিদেশীরা স্থায়ী হওয়ার আবেদন করতে পারবেন। ৮০ পয়েন্টধারীদের ক্ষেত্রে এই সুযোগ পাবেন এক বছরেই। বিবেচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে পেশাগত অর্জন এবং বার্ষিক বেতনের পরিমাণও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এক্ষেত্রে, অন্তত ৭০ পয়েন্ট পেতে হবে এবং আবেদনকারীকে অবশ্যই জাপানে পাঁচ বছর ধরে বসবাস করতে হবে। মন্ত্রণালয় কর্মকর্তাগণ বাধ্যতামূলক বসবাসের এই সীমাটিকে তিন বছরে নামিয়ে আনতে চান। আর যে আবেদনকারীর ৮০ বা তার বেশি পয়েন্ট রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এটি আরও এক বছর কমে যাবে। অন্যদিকে, শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রীধারীরা বেশি পয়েন্ট পাবেন। এছাড়া, আই.টি. কিংবা অন্যান্য বর্ধনশীল ক্ষেত্রের সর্বাধুনিক প্রকল্পে যুক্ত ব্যক্তিরাও বেশি পয়েন্ট পাওয়ার জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।প্রায় মাসখানেক নতুন এই প্রস্তাবের ওপর নাগরিক মতামত নেয়ার পরিকল্পনা করছে মন্ত্রণালয়। দ্রুত হলে আগামী মার্চ মাসের শেষে এই পদ্ধতি চালু করার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন কর্মকর্তারা। উল্লেখ্য, জাপানে ১০ হাজারের মতো প্রবাসী বাংলাদেশী রয়েছেন যাদের মধ্যে দীর্ঘদিন বসবাস করে স্থায়ী হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন অনেকেই। এই নীতি বাংলাদেশীদের জন্যও সুযোগ বয়ে আনবে বলেও মনে করছেন অনেকেই।

পাতাটি ৫৯৫ বার প্রদর্শিত হয়েছে।


মায়ানমারে মুসলিম গণহত্যা: নীরব বিশ্ববিবেক

সানাউল হক সম্পাদক,দশদিক একটি সভ্য যুগে বাস করেও আমরা কতটা নিষ্ঠুরতাকে প্রশ্রয় দিচ্ছি! রোহিঙ্গা শিশুদের…


স্বাগত ইংরেজি নববর্ষ ২০১৭

সানাউল হক সম্পাদক,দশদিক বিদায় ২০১৬, স্বাগত ২০১৭ সাল। বহু ঘটনার সাক্ষী হয়েগেল পুরাতন বছরের রাত…


শোক শক্তি আর গর্বের প্রিয় ফেব্রুয়ারি

সানাউল হক সম্পাদক,দশদিক আমার ভায়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি.. ফেব্রুয়ারির গৌরবদীপ্ত…


জাপানে স্থায়ী বসবাসের শর্তাবলী শিথিলের পরিকল্পনা

সানাউল হক সম্পাদক,দশদিক উচ্চ দক্ষতা সম্পন্ন পেশাজীবীদের জাপানে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি দেয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় শর্তাবলী…


স্বাগত বাংলা নববর্ষ ১৪২৪

সানাউল হক সম্পাদক,দশদিক মুছে যাক গ্লানি ঘুচে যাক জরা, অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা..। শুরু হল…


স্বাগত মাহে রমজান

সানাউল হক সম্পাদক,দশদিক খোশ আমদেদ মাহে রমজান। সত্য-অসত্য, পাপ-পূণ্য এবং ভালো-মন্দের যথার্থ উপলব্ধির মাধ্যমে মানব…

স্বাগত বাংলা নববর্ষ ১৪২৪



সানাউল হক
সম্পাদক,দশদিক

মুছে যাক গ্লানি ঘুচে যাক জরা,
অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা..।
শুরু হল নতুন বছর ১৪২৪। নববর্ষের সূর্যোদয়ে বাংলার হাজার বছরের বহমান লোকজ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ধারায় বর্ষবরণ যুক্ত করেছে এক নতুন অধ্যায়। উৎসবের ঢল নেমে আসে যান্ত্রীক শহুরে জীবনেও। বছরের শুরুতে বৈশাখী মেলাবসে শহরে-নগরে গঞ্জে। কত না বিচিত্র হাতের তৈরি দ্রব্যসম্ভার সেসব মেলায় বিক্রি হয়। সে সকল দ্রব্যসামগ্রীতে বাংলার মানুষের বৈচিত্রময় জীবনধারার একটা স্পষ্ট চিত্র ফুটে ওঠে। এ সকল মেলা যেন গ্রাম-বাংলার মানুষেরই প্রতিচ্ছবি। মাটির পুতুল, পাটের শিকা, তালপাতার পাখা, সোলার পাখি, বাঁশের বাঁশি, ঝিনুকের ঝাড়, পুঁতিরমালা, মাটির তৈরি হাতি-ঘোড়া-বাঘ-সিংহ কত যে অদ্ভুত সব সুন্দর জিনিসের সমাবেশ ঘটে সেই মেলায়, চোখে না দেখলে বিশ্বাসই হয় না বাংলার মানুষের জীবন কত সমৃদ্ধশালী। মানুষ গরীব হতে পারে, দারিদ্র্য চিরসাথী হতে পারে, কিন্তু এসব জীবন জটিলতা তাদের মনকে আনন্দ খুশি থেকে বঞ্চিত করতে পারে না। বৈশাখ বাংলার মানুষের জীবনী শক্তি। সেই ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায়ই জাতি বরণ করছে বাংলা নতুন বছরকে। নতুন বছরে আমাদের প্রত্যাশা, সকল জীর্ণ মলিন রিক্ততার দিন শেষ হবে, ধ্বংসের ওপর সৃষ্টি হবে নতুন বসতি। মানবিক মূল্যবোধে জাগ্রত বাংলাদেশ আবার উঠে দাঁড়াবে নতুন শক্তি আর সম্ভাবনা নিয়ে। যে সম্ভাবনা অনিশ্চয়তার সমস্ত কালো মেঘ মুছে দিয়ে নতুন প্রাপ্তির আলোয় উদ্ভাসিত করবে দেশকে।

নতুন বছরে আমাদের প্রত্যাশা সীমাহীন। বর্তমান রাজনীতি আমাদের যেমন, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির মধ্যে বেঁধে রেখেছে তেমনি সুস্থ রাজনীতি, দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনে সব রাস্তা প্রায় বন্ধ করেছে যা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে শুভ নয়। গণতান্ত্রিক, সামাজিক, ন্যায়বিচার, সামাজিক মূল্যবোধ গঠনে সব ধরনের রাজনৈতিক নিপীড়ন বন্ধ করা জরুরি হয়ে পড়েছে। তাই শুভ নববর্ষে আমাদের প্রত্যাশা নতুন বছরটি সুন্দর হোক, শুভ হোক। ব্যক্তি, সমাজ, রাষ্ট্র সবার জন্য হোক কল্যাণকর। একই সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে গড়ে উঠুক সহযোগিতা ও সহমর্মিতা। অবসান হোক হত্যা, খুন, সন্ত্রাস, ক্ষমতার দ্বন্দ্ব-সংঘাতের রাজনীতি। এই প্রত্যাশায় উজ্জীবিত হই। এই উৎসব মুখর দিনে কামনা হোক সকলের সুখ ও সমৃদ্ধি। জাপান বাংলাদেশসহ দশদিকের সকল পাঠক, বিজ্ঞাপন দাতা, শুভানুধ্যায়ীদের জানাই বাংলা নববর্ষের প্রীতি ও শুভেচ্ছা।
পাতাটি ৪৩১ বার প্রদর্শিত হয়েছে।
স্বাগত মাহে রমজান


মায়ানমারে মুসলিম গণহত্যা: নীরব বিশ্ববিবেক

সানাউল হক সম্পাদক,দশদিক একটি সভ্য যুগে বাস করেও আমরা কতটা নিষ্ঠুরতাকে প্রশ্রয় দিচ্ছি! রোহিঙ্গা শিশুদের…


স্বাগত ইংরেজি নববর্ষ ২০১৭

সানাউল হক সম্পাদক,দশদিক বিদায় ২০১৬, স্বাগত ২০১৭ সাল। বহু ঘটনার সাক্ষী হয়েগেল পুরাতন বছরের রাত…


শোক শক্তি আর গর্বের প্রিয় ফেব্রুয়ারি

সানাউল হক সম্পাদক,দশদিক আমার ভায়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি.. ফেব্রুয়ারির গৌরবদীপ্ত…


জাপানে স্থায়ী বসবাসের শর্তাবলী শিথিলের পরিকল্পনা

সানাউল হক সম্পাদক,দশদিক উচ্চ দক্ষতা সম্পন্ন পেশাজীবীদের জাপানে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি দেয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় শর্তাবলী…


স্বাগত বাংলা নববর্ষ ১৪২৪

সানাউল হক সম্পাদক,দশদিক মুছে যাক গ্লানি ঘুচে যাক জরা, অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা..। শুরু হল…


স্বাগত মাহে রমজান

সানাউল হক সম্পাদক,দশদিক খোশ আমদেদ মাহে রমজান। সত্য-অসত্য, পাপ-পূণ্য এবং ভালো-মন্দের যথার্থ উপলব্ধির মাধ্যমে মানব…

স্বাগত মাহে রমজান



সানাউল হক
সম্পাদক,দশদিক

খোশ আমদেদ মাহে রমজান। সত্য-অসত্য, পাপ-পূণ্য এবং ভালো-মন্দের যথার্থ উপলব্ধির মাধ্যমে মানব জীবনকে মহীয়ান ও সফল করে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই রমজানের আগমন। পবিত্র সিয়াম সাধনার মাস মাহে রমজান। বিশ্বের সকল ধর্মপ্রাণ মুসলমানের কাছে এ মাসটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। পার্থিব লোভ-লালসামুক্ত থাকা, ত্যাগ-সহিষ্ণুতার সাধনা করা এবং মানবিক মূল্যবোধে তৈরি হওয়ার প্রশিক্ষণে এ মাসের গুরুত্ব অপরিসীম। নব জীবনকে সুন্দর ও পারলৌকিক মুক্তির নিশ্চয়তা দেয় এই মাসের সিয়াম সাধনা। পারস্পরিক সহমর্মিতা ও সৌর্হাদ্যবোধের মাধ্যমে আত্মশুদ্ধির মহান শিক্ষা অনুশীলনে পবিত্র রমজানের ভূমিকা অনস্বীকার্য। এ মাসের ত্যাগ ও সংযমের মহান শিক্ষা আমাদের জন্য রহমত ও বরকতের পাল্লা ভারী করে। অন্যদিকে সমাজ জীবনে সাম্য প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে রমজানের গুরুত্ব অপরিসীম। তারাবি আদায়, ইফতার, সেহরি, দান-খয়রাত, যাকাত-ফিতরা আদায়, লাইলাতুল কদর, ঈদ উদযাপনের মাধ্যমে ধনী-গরিবের মধ্যকার ভেদাভেদ ভুলে মুসলমন জাতি মহান এই মাসে একাত্ম হয়। পবিত্র রমজানের ফজিলত প্রত্যেক মুসলমানের জন্য নেয়ামত স্বরূপ। এই পবিত্র মাসেই পবিত্র কোরআন শরীফ নাজেল হয়েছিল। আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, একমাত্র আমারই উদ্দেশ্যে রোজা রাখা হয়। আমি স্বয়ং রোজাদারদের পুরস্কৃত করবো। ইসলামের পাঁচটি রোকনের মধ্যে রোযা তৃতীয় স্তম্ভ। পবিত্র রমজান মাসে সিয়াম পালন করা ফরজ এবাদত। রমজানের রোজার শিক্ষার মধ্যে রয়েছে গরীব দুঃখিদের ক্ষুধার জ্বালা অনুভূত হওয়া, আমাদের মধ্যে সামর্থ্যবান, বিত্তশালীদের অনেকেই অপচয় করতে পছন্দ করেন। তারা বেশি মূল্যে ইফতারি খাওয়ার প্রতিযোগিতা করে থাকেন। সিয়াম সাধনার নামে ভোজনবিলাসে মেতে ওঠেন। যা সমীচীন নয়। কোনো প্রকার অপচয় না করে পবিত্র রোজার মাসে মানুষের সেবায় দান করলে অভাবক্লিষ্ট মানুষের কল্যাণ হয়। মানবতা উপকৃত হয়। সংযমী জীবনযাপনের মধ্য দিয়ে আমাদের প্রত্যেকের জীবন হবে পরিশুদ্ধ। এটাই হোক মমিন জীবনের প্রত্যাশা।

আর্থসামাজিক মুক্তিতে মালিক শ্রমিক সু-সম্পর্ক
…………………………….
মহান মে দিবসের শিক্ষা শুধু শ্রমিকদের কল্যাণ ও অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামকে শাণিত করতে অঙ্গীকার নয়, উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে জাতীয় আর্থসামাজিক মুক্তির পথকে ত্বরান্বিত করতে হবে। শোষণ, বঞ্চনা ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের স্মারক মে দিবস। বাংলাদেশেও সব শিল্পের শ্রমিকদের ও সব কর্মজীবীর ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত হোক, প্রতিষ্ঠিত হোক তাদের অধিকার। মে মাস আমাদের স্বরণ করিয়ে দেয় মেহনতি মানুষের আন্দোলনের কথা। এ মাসেই ১৮৮৬ সালের ১ মে আমেরিকার শিকাগো শহরে হে মার্কেটে ধর্মঘট, লাখ লাখ শ্রমিকের সমাবেশ ও মিছিলের মাধ্যমে শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম চলে। তাকে স্তব্ধ করার জন্য গুলি চালানো হয়। শ্রমিকের রক্তদানের মাধ্যমে এতে জন্ম নেয় এক নতুন ইতিহাস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতোই বাংলাদেশেও পালিত হয় মে দিবস। শ্রমিক শ্রেণী কেবল উৎপাদন ব্যবস্থারই প্রধান শক্তি নয়, দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনেরও অন্যতম কারিগর। বিশ্বে এখনো শ্রমিকদের নানামুখী বঞ্চনার শিকার হতে হচ্ছে। বাংলাদেশও এর বাইরে নয়। শ্রমিকদের জন্য ন্যায়সংগত করণীয় আরো অনেক কিছু বাকি। মানবসভ্যতার চাকা এগিয়েছে শ্রমদানকারী শক্তির শ্রম, ঘাম আর রক্তের ওপর দিয়ে। আজ বৈষম্য হ্রাস করে শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের অধিকার রক্ষার বিষয়ে সরকারসহ সব সামাজিক শক্তিকে দৃঢ় অঙ্গীকারবদ্ধ হতে হবে। শিল্পের মালিকদেরও হতে হবে আরো মানবিক। তাদের মানবিকতা শুধু শ্রমিককে তার কাজে অধিক উদ্বুদ্ধই করবে না, এর বহুমুখী ইতিবাচক প্রভাব রাষ্ট্রেও পড়বে। শুধু আইন সংশোধন করে শ্রমনীতি আরো স্পষ্ট করতে হবে। তৈরি করতে হবে শ্রমিক বান্ধব পরিবেশ।
পাতাটি ৪১৫ বার প্রদর্শিত হয়েছে।


মায়ানমারে মুসলিম গণহত্যা: নীরব বিশ্ববিবেক

সানাউল হক সম্পাদক,দশদিক একটি সভ্য যুগে বাস করেও আমরা কতটা নিষ্ঠুরতাকে প্রশ্রয় দিচ্ছি! রোহিঙ্গা শিশুদের…


স্বাগত ইংরেজি নববর্ষ ২০১৭

সানাউল হক সম্পাদক,দশদিক বিদায় ২০১৬, স্বাগত ২০১৭ সাল। বহু ঘটনার সাক্ষী হয়েগেল পুরাতন বছরের রাত…


শোক শক্তি আর গর্বের প্রিয় ফেব্রুয়ারি

সানাউল হক সম্পাদক,দশদিক আমার ভায়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি.. ফেব্রুয়ারির গৌরবদীপ্ত…


জাপানে স্থায়ী বসবাসের শর্তাবলী শিথিলের পরিকল্পনা

সানাউল হক সম্পাদক,দশদিক উচ্চ দক্ষতা সম্পন্ন পেশাজীবীদের জাপানে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি দেয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় শর্তাবলী…


স্বাগত বাংলা নববর্ষ ১৪২৪

সানাউল হক সম্পাদক,দশদিক মুছে যাক গ্লানি ঘুচে যাক জরা, অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা..। শুরু হল…


স্বাগত মাহে রমজান

সানাউল হক সম্পাদক,দশদিক খোশ আমদেদ মাহে রমজান। সত্য-অসত্য, পাপ-পূণ্য এবং ভালো-মন্দের যথার্থ উপলব্ধির মাধ্যমে মানব…