চেক সংক্রান্ত মামলা আইন



চেকের মামলা সংক্রান্ত কিছু সহজ বিষয় না জানার কারণে আমাদের অনেক সময় দুর্ভোগ পোহাতে হয়। কেননা চেকের বিষয়ে আইনে স্পষ্ট করে উল্লেখ থাকাতে এর বাইরে কিছু করার থাকেনা । তাই সময় ও আইন মোতাবেক সঠিক সময়ে বেবস্থা না নিলে বেশীরভাগ সময় পাওনাদার এর টাকা পাওয়া হয়ে উঠেনা খুদ্র ভুলের কারণে। তাই চেকের মামালা সংক্রান্ত কিছু তথ্য জেনে রাখা আমাদের সকলের উচিত।
মেয়াদ এবং কিছু তথ্য
১) একটি চেকের মেয়াদ চেকের গায়ে চেক দাতার দেওয়া উল্লেখিত বা লিখিত তারিখ হতে ৬ মাস পর্যন্ত। তাই উক্ত সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর ব্যাংক গ্রহণ না করার কারণে আদালতে Negotiable Instrument Act থ এর ১৩৮ ধারা অনুযায়ী আর টাকা দাবি করা যায় না। তাই ৬ মাস এর ভিতর চেক এর টাকা তোলার জন্য ব্যাংক এ উপস্থাপন করতে হয়।
২) উপরল্লিখিত নির্দিষ্ট সময়ের ভিতর উপস্থাপনে চেকদাতার একাউনট এ টাকা না থাকলে ডিসঅনার স্লিপ সংগ্রহ করে চেকের টাকা দাবি করে এক মাসের সময় দিয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে Negotiable Instrument Act এর ১৩৮ ধারা মোতাবেক টাকা পরিশোধের দাবি জানিয়ে নোটিশ সরবরাহ করতে হয় এবং নোটিশটি ছাড়তে হয় ডিসঅনার হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে।
৩) নোটিশ প্রাপ্তির ৩০ দিন পর মামলার কারন উদ্ভব হয়। মামলার কারন উদ্ভব হওয়ার ১ মাসের মধ্যে একজন ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বরাবরে লিখিতভাবে অভিযোগ দায়ের করা যায়। আর নোটিশ গ্রহণ না করলে নোটিশ ফেরত আসার তারিখ হতে এক মাসের মধ্যে অভিযোগ দায়ের করা যায়।
৪) চেকের প্রাপক বা দাবিদার এর পক্ষে তার নিজুক্তিও Attorney Holder মামলা করতে পারেন।
৫) অনেকের মনে প্রশ্ন থাকে ডিসঅনার কয়বার করাতে হয়। উত্তরটা হল একবার ডিসঅনার করালে ও মামলা করা যায়।
৬) নোটিশ সরবরাহ না করলে বা নোটিশ জারি না করে চেকের মামলা করা যায় না। নোটিশ রেজিস্ট্রি ডাকযোগে প্রাপ্তি স্বীকারোক্তি সহ জারি করাই উত্তম অথবা জাতীয় পত্রিকায় নোটিশ প্রচার করা যায়।
৭) স্থানীয় অধিক্ষেত্রঃ যে ব্যাংকে চেক উপস্থাপন করা হয় সেই ব্যাংক আদালতের যে স্থানীয় অধিক্ষেত্রে অবস্থিত সেই আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে।
৮) যে কোন ধরনের ডিসঅনার এর কারণে মামলা দায়ের করা যায়।
৯) কোন কারণে আইনের নির্ধারিত মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেলে প্রেতারণার জন্য মামলা করা যায়।
১০)কখনও কোন চেক হারিয়ে গেলে সাথে সাথে নিকটস্থ থানায় জি, ডি দায়ের করে ব্যাংক এর মাধ্যমে চেক স্টপ করাতে হয়।
১১) হারান চেক উদ্ধারের জন্য মামলা করা যায়।
১২) কিছু না লিখে বা টাকার সংখ্যা না লিখে অর্থাৎ খালি চেক কখন কাওকে সরবরাহ করা উচিত নয়।


নির্বাচনে নিবন্ধিত সব দলকে চান প্রধানমন্ত্রী

নির্বাচনে নিবন্ধিত সব দলকে চান প্রধানমন্ত্রী

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে নিবন্ধিত সব রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ…


আখেরি মোনাজাতে শান্তি কামনা

আখেরি মোনাজাতে শান্তি কামনা

ঈমানি জিন্দিগি, দেশ ও জাতির কল্যাণ, বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, ঐক্য, সমৃদ্ধি কামনা করে আখেরি…


'সোশ্যাল মিডিয়ার দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন'

'সোশ্যাল মিডিয়ার দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন'

সামাজিক গণমাধ্যমের দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবহারের বিষয়ে সতর্ক করেছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। বিবিসি রেডিও ফোরে…


কাবুলে বোমা হামলায় নিহত ৪০

কাবুলে বোমা হামলায় নিহত ৪০

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে শিয়া মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং সংবাদ সংস্থা আফগান ভয়েস এজেন্সির…


যুক্তরাষ্ট্র থেকে রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠিয়েছে ফিলিস্তিন

যুক্তরাষ্ট্র থেকে রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠিয়েছে ফিলিস্তিন

যুক্তরাষ্ট্রে নিয়োজিত রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠিয়েছে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ। তাকে 'আলোচনা'র জন্য ডাকা হয়েছে বলে ঘোষণা দেয়া…


ইসলামে শিয়া-সুন্নি নেই, ধর্ম একটাই

ইসলামে শিয়া-সুন্নি নেই, ধর্ম একটাই

সুন্নি বা শিয়া নামে কোনো ধর্ম নেই, আমাদের ধর্ম একটাই, সেটা হলো ইসলাম।  বলেছেন তুরস্কের…


বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে হামলার চেষ্টা ২০ আইএস জঙ্গি গ্রেফতার

বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে হামলার চেষ্টা ২০ আইএস জঙ্গি গ্রেফতার

বর্ষবরণের রাতে ভয়াবহ নাইট ক্লাব হামলার ছক ছিল৷ আইএস জঙ্গিদের সেই ষড়যন্ত্র ভেস্তে দিল সরকার৷…


প্রথমে হিন্দু রোহিঙ্গাদের ফেরত নিচ্ছে মিয়ানমার

প্রথমে হিন্দু রোহিঙ্গাদেরফেরত নিচ্ছে মিয়ানমার

আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন শুরু হবে৷ তবে মিয়ানমার ঘোষণা…


কুয়েতে অগ্নিকাণ্ডে একই পরিবারের ৫ বাংলাদেশি নিহত

কুয়েতের সালমিয়াতে একটি পাঁচতলা ভবনে অগ্নিকাণ্ডে একই পরিবারের পাঁচ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। সোমরাত রাতে এ…


সানির পর ‘বেবিডল’ দীপিকা

‘বেলিডল’ গানের হাত ধরেই বলিউডে পা রেখেছেন গায়িকা কনিকা কাপুর স্ক্রিনে মোহময়ী সানি লিয়নকে দেখা…


রণবীর-ক্যাটরিনার গোপন লং ড্রাইভ!

বলিউডে "ক্যাসানোভা" হিসেবে পরিচিত রণবীর কাপুর আজ পর্যন্ত প্রেম তো অনেক করেছেন, কিন্তু বিয়ের কাউকে…


হলিউডের চলচ্চিত্রে বাংলাদেশির কাহিনী

অস্কার বিজয়ী মার্কিন পরিচালক ক্যাথরিন বিগেলো ‘দ্য ট্রু অ্যামেরিকান’ নামে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন।…

দলিলের কিছু শব্দ



নানা কারণেই আমাদের বিভিন্ন সময়ে দলিল ঘাঁটাঘাঁটি করতে হয়। দলিলপত্র ঘাঁটার অভ্যাস নেই এমন লোকদের জন্য দলিলের ভাষা উদ্ধার করা সহজসাধ্য কাজ নয় কেননা, বাংলা দলিল কিংবা চুক্তিপত্রে অনেক শব্দ আছে, যেগুলোর সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহার করা হয় আবার এমন সব শব্দও আছে, যেগুলো আমাদের দৈনন্দিন জীবনের কথাবার্তায় খুব কম হয়। কিংবা আমাদের সঙ্গে তাদের পরিচিতি কম। দলিলে ব্যবহৃত এ রকম কিছু শব্দের অর্থ ও ব্যুৎপত্তি নিচে দেওয়া হল।
শব্দের অর্থ সাং = সাকিন, সাকিম। সাকিন বা সাকিম শব্দের অর্থ ঠিকানা, বাসস্থান।
গং = অন্যরা, সমূহ। অমুক [ব্যক্তিনাম] ও অন্যান্য বা তার সহযোগীগণ। যেমন: যদি লেখা থাকে আবদুল কাদের গং, তাহলে বুঝতে হবে যে আবদুল কাদেরের সঙ্গে আরও অনেকে আছেন।
মোং = মোকাম। এর অর্থ আবাস, বাসস্থান হলেও মূলত বাণিজ্য স্থান বা বিক্রয়কেন্দ্র বোঝাতেই এটি ব্যবহূত হয়
কিঃ = দফা, বার, ক্ষেপ এই অর্থেও ব্যবহৃত হয়
এজমালি/ইজমালি = যৌথ, সংযুক্ত, বহুজনের একত্রে।
যেমন: এজমালি সম্পত্তি বলতে যৌথ মালিকাধীন সম্পত্তিকে বোঝায়।
কিত্তা/ কিতা = আববি ‘ক্বত্বহ’ শব্দজাত। এর অর্থ অংশ, জমির ভাগ, পদ্ধতি। ছানি = আরবি শব্দ, অর্থ দ্বিতীয়বার। পুনর্বিবেচনার প্রার্থনা।
যেমন: ছানি মামলা। ছোলেনামা = মীমাংসা, আপোষ/আপস। ছোলেনামা মানে আপস-মীমাংসাপত্র। জঃ = জমা। সাধারণ অর্থে ‘জমা’ বলতে সঞ্চিত, রাশীকৃত, কিন্তু ভূমি আইন ও দলিল। এটি ভিন্ন অর্থ বহন করে। যেমন: জমা মানে পুঁজি, মোট, খাজনা, রাজস্ব, বার্ষিক কর [হাওলার বার্ষিক জমা ১০ টাকা]। আবার ‘জমা ওয়াশিল’-এর অর্থ আয়-ব্যয়ের হিসাব। ‘জমা ওয়াশিল বাকি’ মানে দেয় খাজনার কত আদায় বা লভ্য খাজনার কত আদায় হয়েছে এবং কত বাকি আছে তার হিসাব; ‘জমা খারিজ’ অর্থ যৌথ খতিয়ানের জমা থেকে কোনো সহমালিক বা অংশীদারের আবেদনক্রমে তার অংশ আলাদা করে যে নতুন জমা ও খতিয়ান সৃষ্টি করা হয়।
খারিজ = সাধারণ অর্থে বাতিল করা হয়েছে এমন বোঝায়। ভূমি আইনে একজনের নাম থেকে অন্যজনের নামে জমির মালিকানা পরিবর্তন করে নেওয়াকে বোঝায়।
তমঃ = তমসুক। আরবি শব্দজাত, যার অর্থ দলিল, ঋণ-স্বীকারপত্র বা খত। অর্থাৎ কর্জ গ্রহীতা যে লিখিত পত্র, বিশেষত সরকারি স্ট্যাম্প বা কাগজমূলে কর্জদাতার কাছ থেকে টাকা ধার নেয়। বন্ধকী তমসুক মানে হলো বন্ধকনামা বা বন্ধকী বা বন্ধকী খত।
দং = দরুন, বাবদ, দখল। নিম = ফারসি শব্দ। এর অর্থ অল্প, অর্ধেক, অধস্তন বা অধীন ইত্যাদি।
নং = নম্বর বা সংখ্যা অর্থে বোঝানো হয়। পঃ = পঞ্চম বা পাঁচের স্থানীয়।
পোঃ = পোস্ট অফিস বা ডাকঘর বোঝানো হয়।
মহঃ = মহকুমা। ব্রিটিশ আমলে জেলার একটি প্রশাসনিক অংশকেই মহকুমা বলা হতো।
মুসাবিদা = খসড়া তৈরি করা। মুসাবিদাকারক মানে যিনি দলিল লেখেন।
হিঃ = হিসাব শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ
চৌঃ = চৌহদ্দি। চৌহদ্দি শব্দের অর্থ হচ্ছে চারধারের সীমানা।
তঃ/তপঃ = তফসিল, তহশিল।
তামাদি = ফারসি শব্দ। এর অর্থ নির্ধারিত সময়সীমা।
বিতং = বিস্তারিত বিবরণ, কৈফিয়ত, বৃত্তান্ত অর্থে ব্যবহৃত হয়।
মাং/ মাঃ = মারফত। মারফত মানে মাধ্যম, অর্থাৎ যার হাত দিয়ে বা মাধ্যমে আদান-প্রদান করা হয়।
সহঃ = সহকারী, যিনি কাজে সহযোগিতা করেন।
সুদিখত = একশ্রেণীর বন্ধকী দলিল।
হলফ = সত্য বলার জন্য যে শপথ করা হয়। হলফকারী মানে যিনি সত্যায়ন করেন।


নির্বাচনে নিবন্ধিত সব দলকে চান প্রধানমন্ত্রী

নির্বাচনে নিবন্ধিত সব দলকে চান প্রধানমন্ত্রী

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে নিবন্ধিত সব রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ…


আখেরি মোনাজাতে শান্তি কামনা

আখেরি মোনাজাতে শান্তি কামনা

ঈমানি জিন্দিগি, দেশ ও জাতির কল্যাণ, বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, ঐক্য, সমৃদ্ধি কামনা করে আখেরি…


'সোশ্যাল মিডিয়ার দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন'

'সোশ্যাল মিডিয়ার দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন'

সামাজিক গণমাধ্যমের দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবহারের বিষয়ে সতর্ক করেছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। বিবিসি রেডিও ফোরে…


কাবুলে বোমা হামলায় নিহত ৪০

কাবুলে বোমা হামলায় নিহত ৪০

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে শিয়া মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং সংবাদ সংস্থা আফগান ভয়েস এজেন্সির…


যুক্তরাষ্ট্র থেকে রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠিয়েছে ফিলিস্তিন

যুক্তরাষ্ট্র থেকে রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠিয়েছে ফিলিস্তিন

যুক্তরাষ্ট্রে নিয়োজিত রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠিয়েছে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ। তাকে 'আলোচনা'র জন্য ডাকা হয়েছে বলে ঘোষণা দেয়া…


ইসলামে শিয়া-সুন্নি নেই, ধর্ম একটাই

ইসলামে শিয়া-সুন্নি নেই, ধর্ম একটাই

সুন্নি বা শিয়া নামে কোনো ধর্ম নেই, আমাদের ধর্ম একটাই, সেটা হলো ইসলাম।  বলেছেন তুরস্কের…


বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে হামলার চেষ্টা ২০ আইএস জঙ্গি গ্রেফতার

বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে হামলার চেষ্টা ২০ আইএস জঙ্গি গ্রেফতার

বর্ষবরণের রাতে ভয়াবহ নাইট ক্লাব হামলার ছক ছিল৷ আইএস জঙ্গিদের সেই ষড়যন্ত্র ভেস্তে দিল সরকার৷…


প্রথমে হিন্দু রোহিঙ্গাদের ফেরত নিচ্ছে মিয়ানমার

প্রথমে হিন্দু রোহিঙ্গাদেরফেরত নিচ্ছে মিয়ানমার

আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন শুরু হবে৷ তবে মিয়ানমার ঘোষণা…


কুয়েতে অগ্নিকাণ্ডে একই পরিবারের ৫ বাংলাদেশি নিহত

কুয়েতের সালমিয়াতে একটি পাঁচতলা ভবনে অগ্নিকাণ্ডে একই পরিবারের পাঁচ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। সোমরাত রাতে এ…


সানির পর ‘বেবিডল’ দীপিকা

‘বেলিডল’ গানের হাত ধরেই বলিউডে পা রেখেছেন গায়িকা কনিকা কাপুর স্ক্রিনে মোহময়ী সানি লিয়নকে দেখা…


রণবীর-ক্যাটরিনার গোপন লং ড্রাইভ!

বলিউডে "ক্যাসানোভা" হিসেবে পরিচিত রণবীর কাপুর আজ পর্যন্ত প্রেম তো অনেক করেছেন, কিন্তু বিয়ের কাউকে…


হলিউডের চলচ্চিত্রে বাংলাদেশির কাহিনী

অস্কার বিজয়ী মার্কিন পরিচালক ক্যাথরিন বিগেলো ‘দ্য ট্রু অ্যামেরিকান’ নামে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন।…

জমি নিয়ে বিরোধ হলে কী করবেন?



তানজিম আল ইসলাম
জমি জমাকে কেন্দ্র করে যে কোনো সময় বিরোধ দেখা দিতে পারে। অনেক সময় দেখা যায়, নিজের কেনা জমি অন্য কেউ দখল করে মালিকানা দাবি করছে কিংবা জাল দলিল তৈরি করে জমির দখল নিতে চায়। আদালতে মিথ্যা মামলাও ঠুকে দেয়। কিন্তু একটু সচেতন হলেই এ ঝামেলা থেকে অনেকটাই রক্ষা পাওয়া সম্ভব। সে জন্য জানা থাকতে হবে জমি নিয়ে বিরোধ দেখা দিলে কীভাবে প্রতিকার পাবেন।
ফৌজদারি প্রতিকার জমি দখলকে কেন্দ্র করে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দিলে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারা অনুযায়ী প্রতিকার চাইতে পারেন। এ ধারা অনুযায়ী প্রতিকার চাইতে হবে প্রথম শ্রেণীর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে। আর এ মামলা করতে হবে বেদখল হয়ে গেলে কিংবা বেদখল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেওয়ার দুই মাসের মধ্যে। কোনো মামলা করলে ম্যাজিস্ট্রেট প্রতি পক্ষের ওপর সমন জারি করবেন। পরবর্তী সময়ে উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনবেন এবং সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে সম্পত্তির দখলদার কে তা নির্ধারণ করবেন। প্রয়োজনে সরেজমিনে তদন্তের আদেশ দিতে পারেন পুলিশকে। তাদের দেওয়া প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রকৃত দখলদার কে, সে বিষয়ে রায় দেবেন। তবে ১৪৫ ধারায় প্রতিকার চাইতে গেলে এখানে স্বত্ত্ব বা মালিকানা দাবি করা যাবে না। এর মাধ্যমে শুধু প্রকৃত দখলদার নির্ণয় করার জন্য প্রতিকার চাওয়া যাবে।
মালিকানা দাবি করবেন যেভাবে জমির মালিকানা বা স্বত্ব দাবির জন্য দেওয়ানি আদালতের আশ্রয় নিতে হবে। জমি অবৈধভাবে দখলচ্যুত হলে দখল পুনরুদ্ধারের জন্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ও ৯ ধারা অনুযায়ী প্রতিকার পেতে পারেন। এ আইনের ৮ ধারা অনুযায়ী জমির মালিক নির্ধারিত পদ্ধতিতে জমিটি পুনরুদ্ধার করার জন্য প্রতিকার চাইতে পারেন। তবে এ ধারা অনুযায়ী, দখলচ্যুত ব্যক্তিকে জমিতে তাঁর স্বত্ত্ব বা মালিকানা আছে কিংবা মালিকানার দাবি রয়েছে, তার ঘোষণা চাইতে হবে। না হলে এ ধারা অনুযায়ী প্রতিকার পাওয়া সম্ভব হয় না। ৮ ধারার স্বত্ত্ব প্রমাণসহ মামলা করার ক্ষেত্রে বেদখল হওয়ার পর থেকে ১২ বছরের মধ্যে মামলা করার সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের মামলাকে সাধারণত স্বত্ত্ব সাব্যস্ত খাস দখলের মামলা বলা হয়।
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা অনুযায়ী প্রতিকার চাইতে হলে মালিকানা প্রমাণের দরকার নেই। শুধু জমি থেকে দখলচ্যুত হয়েছে এটি প্রমাণ করলেই চলবে। ৯ ধারায় উল্লেখ আছে, যদি কোনো ব্যক্তি বেদখল হন, তবে তিনি বা তাঁর মাধ্যমে দাবিদার কোনো ব্যক্তি মোকদ্দমার মাধ্যমে এর দখল পুনরুদ্ধার করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে যেসব দিক বিবেচনা করা হয়, সেগুলো হলোবাদী অর্থাৎ যিনি প্রতিকার দাবী করেছেন, তিনি জমিটি দখল করে আসছিলেন কি না; বিবাদী তাঁকে জোরপূর্বক বেদখল করেছেন কি না; বিবাদী বে আইনিভাবে জমিতে প্রবেশ করেছেন কি না।
তবে বাদীকে অবশ্যই বেদখল হওয়ার ছয় মাসের মধ্যে মামলা করতে হবে। অন্যথায় এ ধারায় মামলা করার অধিকার হারাতে হবে তাঁকে। তবে সরকারের বিরুদ্ধে এ ধারায় প্রতিকার চাওয়া যাবে না।
কোথায় ও কীভাবে আইনের আশ্রয় নেবেন জমিজমার মালিকানা নিয়ে প্রতিকারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট এখতিয়ারাধীন আদালতে মামলা করতে হবে। মামলার মূল্যমান চার লাখ টাকার কম হলে সহকারী জজ আদালতে এবং চার লাখের বেশি হলে অসীম এখতিয়ার পর্যন্ত যুগ্ম জেলা জজ আদালতে প্রতিকার চাইতে হবে। মামলা দায়ের করতে হবে আইনজীবীর মাধ্যমে। মালিকানাসহ দখলের প্রতিকার চাইলে জমির মূল্য বাবদ অ্যাড-ভ্যালোরেম (মূল্যানুপাতে) কোর্ট ফি দিতে হবে। ৯ ধারা অনুযায়ী শুধু দখলের জন্য প্রতিকার চাইলে সম্পত্তির মূল্য অনুসারে যে কোর্ট ফি তার অর্ধেক, অর্থাৎ অ্যাড-ভ্যালোরেম কোর্ট ফির অর্ধেক পরিমাণ কোর্ট ফি দিতে হবে। জমির মালিকানাসহ দখল কিংবা শুধু দখল চেয়ে প্রতিকারের ক্ষেত্রে যদি বাদী মনে করেন, তাঁর জমিটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা আছে, তাহলে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চাইতে পারেন পৃথক আবেদনের মাধ্যমে।
জমি কেনার সময় ক্রেতাদের যা করণীয়
প্রত্যেকের জীবনেই জমি কিনে বাড়ি করার একটা স্বপ্ন থাকে। তবে জমি কেনার সময় কয়েকটা ব্যাপারে ক্রেতাদের সজাগ থাকতে হবে, যাতে পরবর্তীকালে কোন ঝামেলাতে না জড়িয়ে পড়তে হয়।
ভবিষ্যতের দিকে পা বাড়ানোর আগে জেনে নিতে হবে, যে জমিটা কেনা হচ্ছে তার কোন আইনি সমস্যা আছে কিনা।
ক্রেতা যার থেকে কিনছে সে ওই জমিটা বিক্রি করতে পারবে কিনা? সেরকম হলে উকিলের পরামর্শ নিতে হবে, রেজিস্ট্রি করার আগে দেখে নিতে হবে জমিটা এক না অংশীদারি মালিকানার অন্তর্গত।
জমি রেজিস্ট্রেসনের সময় ভুললে চলবে না যে জমিটা কেনা হচ্ছে সেটা কোন বড় সমিতি, বড় কন্সট্রাকশন, বা সরকারি জমির আওতার অন্তর্গত কি না? সেটা মুচলেকাতে লিখিয়ে নিতে হবে ।
জমির টাকা হস্তান্তর করার আগে দেখে নিতে হবে জমিটার মালিক জমির সমস্ত ট্যাক্স, ও অন্যান্য বিল মিটিয়েছে কিনা। সরকারি দপ্তর বা মিনিউসিপালিটিতে খোঁজ নিয়ে তা জেনে নিতে হবে ।
অনেক সময় দেখা যায়, জমির মালিক জমিটা মরডগেজ দিয়ে লোন নিয়েছে। কাজেই জমি রেজিস্ট্রেসনের আগে এটাও দেখার বিষয় যে জমির মালিকের লোনের টাকা পরিশোধ হয়েছে কিনা?
জমি রেজিস্ট্রেসনের আগে দেখে নিতে হবে যে, যে পরিমাণ জমির টাকা দেওয়া হচ্ছে সেই পরিমাপের জমি ক্রেতা পাচ্ছে কিনা? দরকার হলে জমিটি সরকারি কর্মচারী দিয়ে মেপে নিতে হবে ।
আগের সমস্ত অর্থনৈতিক ও আইনি নথি ঠিক থাকলে, একটা চুক্তিনামা করিয়ে নিতে হবে, যাতে ওই জমির মালিক পরে জমির দাম বৃদ্ধি, বা অন্য কোন ক্রেতাকে বেশি মূল্যে জমিটি বিক্রি না করতে পারে ।
একটি ৫০টাকার সরকারি চুক্তিপত্র কিনে তাতে জমিটির মূল্য, আগাম দেওয়া টাকার পরিমান, সময় সবকিছু লিখে নিতে হবে, যাতে কোন পক্ষই আইনি জটিলাতায় না পরে । খুব ভাল হয় যদি এই কাজটি করার সময় দু’পক্ষের উকিল ও দু’জন সাক্ষী থাকে। পাকেচক্রে কোন পক্ষ সমস্যার সম্মুখীন হলে যাতে অপর পক্ষের বিরূদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যায়। রেজিস্ট্রি হল জমির হস্তান্তারের দুপক্ষেরই প্রমাণ পত্র ।
অভয় দিয়ে বলা জেতে পারে উপরিউক্ত বিষয়গুলির ওপর দৃষ্টিপাত করে জমি কিনলে জমির পেছনে টাকা বিনিয়োগ স্বার্থক হবে, ও আইনি কোন সমস্যার মুখেও পরতে হবে না।
জমি ও অন্যান্য সম্পত্তি হস্তান্তরের দলিল ও রেজিস্ট্রেশনের নিয়ম
ভূমি হস্তান্তরের দলিল স্ট্যাম্পের উপর সরকার কর্তৃক প্রকাশিত নির্দিষ্ট ফরমেট বা ছক অনুযায়ী তৈরি করতে হবে। এই ছকে ক্রেতা-বিক্রেতার ছবি সংযোজনের নতুন বিধান রাখা হয়েছে।
তামাদি হওয়ার সময় সীমা
তামাদি হওয়ার সময়-সীমা তিন বছর থেকে এক বছর করা হয়েছে। দলিল তৈরী হওয়ার তিন মাসের মধ্যে তা রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।
দলিল রেজিস্ট্রেশনের সময়
দলিল তৈরী হওয়ার তিন মাসের মধ্যে তা রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। মৌখিক দান বা হেবা দলিল রেজিস্ট্রেশন।
মুসলিম পারিবারিক ধর্মীয় আইন অনুযায়ী স্থাবর সম্পত্তি মৌখিক দান বা হেবা দলিলো এখন থেকে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এই দলিল হবে ঘোষণামূলক। এর জন্য ফি হবে মাত্র ১০০=(একশত) টাকা।
হেবা বা দান কে কাকে করতে পারে: হেবার ক্ষেত্রে শুধু রক্ত সম্পর্কিত আত্মীয় তথা স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে, পিতা-মাতা ও সন্তানের মধ্যে, ভাই-ভাই, বোন-বোন অথবা ভাই-বোন, দাদা-দাদী, নানা-নানী থেকে নাতি-নাতনী ও নাতি-নাতনী থেকে নানা-নানী সম্পর্কের মধ্যে হেবা দলিলে রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে এই নাম মাত্র ১০০ (একশত) টাকা ফিতে রেজিস্ট্রেশনের সুযোগ পাওয়া যাবে।
উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া সম্পত্তির রেজিস্ট্রেশন: উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া সম্পত্তি রেজিস্ট্রেশন করা বাধ্যতামূলক। তবে এক্ষেত্রে ওয়ারিশগণের মধ্যে সম্পত্তি বন্টন না হওয়া পর্যন্ত রেজিস্টেশন করার প্রয়োজন নেই।
সম্পত্তি বন্ধকের ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন: সম্পত্তি বন্ধকের ক্ষেত্রেও রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন ফি হবে ২০০ (দুইশত) টাকা থেকে ৫০০০(পাঁচ হাজার) টাকা। আগে যা ছিল ৫০০(পাঁচশত) টাকা থেকে ৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকা। এর ফলে বন্ধকি সম্পত্তি কেহ অন্যত্র বিক্রয় করে প্রতারণা বা জালিয়াতির আর কোন সুযোগ পাবে না।
আদালতের মাধ্যমে প্রাপ্ত অগ্রক্রয় সম্পত্তির রেজিস্ট্রেশন: আদালতের মাধ্যমে প্রাপ্ত অগ্র ক্রয় দলিলও রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বায়না চুক্তির রেজিস্ট্রেশন ও ফি: এখন থেকে বায়না চুক্তি রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। সম্পত্তি বিক্রয়ের জন্য বায়নার ক্ষেত্রে ৫(পাঁচ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত সম্পত্তির ক্ষেত্রে ৫০০/-(পাঁচশত) টাকা এবং ৫ লক্ষ টাকার অধিক থেকে ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ১,০০০/-(এক হাজার) টাকা। ৫০ লক্ষ টাকার অধিকমূল্য সম্পত্তির জন্য ২,০০০/-(দুই হাজার) টাকা রেজিস্ট্রেশন ফি দিতে হবে। বায়না নামা রেজিস্ট্রেশন করা ছাড়া চুক্তি বলবৎ করতে আইনগত কোন সুবিধা পাওয়া যাবে না। আবার বায়নার অবশিষ্ট টাকা জমা না করা হলে কোন মামলা মোকদ্দমা করা যাবে না। সম্পত্তি বিক্রয়ের বায়নানামা চুক্তির ৩০ দিনের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে ১লা জুলাই ২০০৫ থেকে এ আইন কার্যকর হওয়ার আগে যেসব বায়না হয়েছে কিন্তু এখনও রেজিস্ট্রেশন হয় নাই সেগুলো ১ জানুয়ারি ২০০৬ এর মধ্যে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। আবার বায়নানামা রেজিস্ট্রেশন না করা এসব চুক্তি কার্যকর বা বাতিল করতে হলে রেজিস্ট্রশনের জন্য নির্দিষ্ট মেয়াদের পর ৬ মাসের মধ্যে মামলা করতে হবে। সম্পত্তি হস্তান্তরের দলিল ৩ মাসের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।
বিঃ দ্রঃ ভবিষ্যতে মামলা মোকদ্দমা থেকে পরিবারগুলোকে রক্ষা করতে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তির দলিল রেজিস্ট্রেশন করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পূর্বে পুরুষদের আপসে সম্পত্তি বন্টনের দলিল রেজিস্ট্রেশন বার্ধমূলক করার ফলে ওয়ারিশদের ভোগান্তি অনেকাংশে হ্রাস পাবে। মাত্র ২০-(বিশ) টাকা মূল্যের স্ট্রাম্পে দলিল করে তা রেজিস্ট্রেশন করা যাবে এবং সর্বোচ্চ অংশ প্রাপ্ত অংশীদারের সম্পত্তির হিসাব থেকে বাদ দিয়ে অপেক্ষাকৃত কম পরিমাণের অংশীদারদের ভগে পাওয়া সম্পত্তির মূল্য মানের শতকরা আড়াই ভাগ টাকা সব অংশীদারের কাছ থেকে রেজিস্ট্রেশন ফি বাবদ নেওয়া হবে।
গ্রন্থনা: কাজী সাদ্দাম


নির্বাচনে নিবন্ধিত সব দলকে চান প্রধানমন্ত্রী

নির্বাচনে নিবন্ধিত সব দলকে চান প্রধানমন্ত্রী

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে নিবন্ধিত সব রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ…


আখেরি মোনাজাতে শান্তি কামনা

আখেরি মোনাজাতে শান্তি কামনা

ঈমানি জিন্দিগি, দেশ ও জাতির কল্যাণ, বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, ঐক্য, সমৃদ্ধি কামনা করে আখেরি…


'সোশ্যাল মিডিয়ার দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন'

'সোশ্যাল মিডিয়ার দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন'

সামাজিক গণমাধ্যমের দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবহারের বিষয়ে সতর্ক করেছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। বিবিসি রেডিও ফোরে…


কাবুলে বোমা হামলায় নিহত ৪০

কাবুলে বোমা হামলায় নিহত ৪০

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে শিয়া মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং সংবাদ সংস্থা আফগান ভয়েস এজেন্সির…


যুক্তরাষ্ট্র থেকে রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠিয়েছে ফিলিস্তিন

যুক্তরাষ্ট্র থেকে রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠিয়েছে ফিলিস্তিন

যুক্তরাষ্ট্রে নিয়োজিত রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠিয়েছে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ। তাকে 'আলোচনা'র জন্য ডাকা হয়েছে বলে ঘোষণা দেয়া…


ইসলামে শিয়া-সুন্নি নেই, ধর্ম একটাই

ইসলামে শিয়া-সুন্নি নেই, ধর্ম একটাই

সুন্নি বা শিয়া নামে কোনো ধর্ম নেই, আমাদের ধর্ম একটাই, সেটা হলো ইসলাম।  বলেছেন তুরস্কের…


বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে হামলার চেষ্টা ২০ আইএস জঙ্গি গ্রেফতার

বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে হামলার চেষ্টা ২০ আইএস জঙ্গি গ্রেফতার

বর্ষবরণের রাতে ভয়াবহ নাইট ক্লাব হামলার ছক ছিল৷ আইএস জঙ্গিদের সেই ষড়যন্ত্র ভেস্তে দিল সরকার৷…


প্রথমে হিন্দু রোহিঙ্গাদের ফেরত নিচ্ছে মিয়ানমার

প্রথমে হিন্দু রোহিঙ্গাদেরফেরত নিচ্ছে মিয়ানমার

আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন শুরু হবে৷ তবে মিয়ানমার ঘোষণা…


কুয়েতে অগ্নিকাণ্ডে একই পরিবারের ৫ বাংলাদেশি নিহত

কুয়েতের সালমিয়াতে একটি পাঁচতলা ভবনে অগ্নিকাণ্ডে একই পরিবারের পাঁচ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। সোমরাত রাতে এ…


সানির পর ‘বেবিডল’ দীপিকা

‘বেলিডল’ গানের হাত ধরেই বলিউডে পা রেখেছেন গায়িকা কনিকা কাপুর স্ক্রিনে মোহময়ী সানি লিয়নকে দেখা…


রণবীর-ক্যাটরিনার গোপন লং ড্রাইভ!

বলিউডে "ক্যাসানোভা" হিসেবে পরিচিত রণবীর কাপুর আজ পর্যন্ত প্রেম তো অনেক করেছেন, কিন্তু বিয়ের কাউকে…


হলিউডের চলচ্চিত্রে বাংলাদেশির কাহিনী

অস্কার বিজয়ী মার্কিন পরিচালক ক্যাথরিন বিগেলো ‘দ্য ট্রু অ্যামেরিকান’ নামে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন।…

বণ্ঢাসফেমি আইন



এ্যাডভোকেট সিরাজ প্রামাণিক
গ্রিক শব্দ ‘ব্লাসফেমেন’ থেকে ব্লাসফেমি শব্দের উৎপত্তি। যার অর্থ ‘ধর্ম নিন্দা’ বা ‘ঈশ্বর নিন্দা’। এককথায় কারো ওপর অপবাদ বা কলঙ্ক আরোপ করা বা সম্মানে আঘাত করা। তবে ব্লাসফেমি বলতে প্রকৃতপক্ষে ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রতি অসম্মান বোঝায়। কোন ব্যক্তি এইসব অপরাধ করলে যে আইনে তার বিচার করা হয়, সেটাকেই ব্লাসফেমি আইন বলে। প্রাচীন ও মধ্যযুগে ইউরোপে ব্লাসফেমির উদ্ভব হয়েছিল। সে সময় রাজা বাদশাদের বলা হত ঈশ্বরের প্রতিনিধি, তাই রাজাদের বিরুদ্ধে কিছু বলা মানে ঈশ্বরের বিরুদ্ধে বলা, এইভাবে রাজার অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে জনগণের আন্দোলন যাতে গড়ে না উঠতে পারে সেই জন্য ওই সময় ব্লাসফেমি নামের এই কালো আইন তৈরি হয়েছিল। ইউরোপে সর্বপ্রথম এই আইনের প্রবর্তন করা হয়। বর্তমানে আফগানিস্তান, পাকিস্তান, সোমালিয়া, মালয়েশিয়াতে ব্লাসফেমি আইন চালু রয়েছে।
ধর্ম অবমাননা কিংবা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার অপরাধগুলো আমাদের বিদ্যমান আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়ে আসছে বহু আগ থেকেই। উনবিংশ শতকে প্রণীত দণ্ডবিধি ও ফৌজদারি কার্যবিধির আইনের বিভিন্ন ধারায় ধর্ম অবমাননার যে শাস্তি ছিল ২০০৬ সালে এসে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে সেই সাজা বৃদ্ধিও করা হয়েছে।
ধর্মীয় অবমাননার উদ্দেশ্যে কিছু লেখা : বাংলাদেশ দণ্ডবিধি আইনের ২৯৫ক ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়ে বাংলাদেশের যে কোনো নাগরিকের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার অসদুদ্দেশ্যে লিখিত বা মৌখিক বক্তব্য দ্বারা কিংবা দৃশ্যমান অঙ্গভঙ্গি দ্বারা সংশ্লিষ্ট ধর্মটিকে বা কারো ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রতি অবমাননা করে বা অবমাননার চেষ্টা করে, সে ক্ষেত্রে সেই ব্যক্তিকে দুই বছর পর্যন্ত মেয়াদের কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড কিংবা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে। উল্লেখ্য, ১৮৬০ সালের মূল আইনে এ ধারাটি ছিল না। পরবর্তীতে ১৯২৭ সালে এক সংশোধনীর মাধ্যমে এ ধারাটি যুক্ত করা হয়। উপরোক্ত এ লেখার ইংরেজি রুপ নিম্নরুপ:
Whoever, with deliberate and malicious intention of outraging the religious feelings of any class of the citizens of Bangladesh, by words, either spoken or written, or by visible representations insults or attempts to insult the religion or the religious beliefs of that class, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
প্রমাণের বিষয় এই ধারার অভিযোগ প্রতিষ্ঠা নিম্নবর্ণিত তথ্যাবলীর প্রমাণের উপর নির্ভরশীলঃ
ক. অভিযুক্ত ব্যক্তি কিছু বলেছিলেন বা কোন শব্দ লিখেছিলেন বা কোন ভাবভঙ্গি করেছিলেন।
খ. অভিযুক্ত ব্যক্তি ওইরকম কর্ম দ্বারা কোন শ্রেণীর ধর্মকে বা ধর্মীয় বিশ্বাসকে অবমাননা করেছিলেন।
গ. অভিযুক্ত ব্যক্তি উক্ত শ্রেণীর ধর্মীয় অনুভূতিতে কঠোর আঘাত আনার অভিপ্রায়ে ইচ্ছাকৃত এবং বিদ্বেষাত্মকভাবে তা করেছিলেন।
এ বিষয়ে উচ্চতর আদালতে সিদ্ধান্তসমূহ (১) কোন কাজ ইচ্ছাকৃত হতে পারে কিন্তু বিদ্বেষাত্মক নাও হতে পারে। ২৯৫ক ধারার অপরাধের জন্য এ দুই প্রকার অভিপ্রায়ই থাকা প্রয়োজন। অন্য কথায়, জেনে, শুনে, দেখে, বুঝে এবং বিদ্বেষাত্মকভাবে যে ব্যক্তি কোন ধর্মকে আঘাত করে, সেই ব্যক্তি এই ধারায় দোষী হয় [AIR ১৯৩৯ (Rang)১৯৯১].
(২) বিদ্বেষ বলতে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে অকল্যাণ কামনা করা বুঝায়। এটাই এই শব্দের সাধারণ অর্থ। কিন্তু আইনে বিদ্বেষাত্মকভাবে বললে অন্যের ক্ষতিজনক কাজ ইচ্ছাকৃতভাবে করাকে বুঝায়। যখন কোন ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে অন্যের ক্ষতিজনক কোন কাজ করেন, তখন তিনি বিদ্বেষাত্মকভাবে কাজ করেছিলেন বলে ধরা হয়। সাধারণভাবে বিদ্বেষ বলতে গেলে অন্যের সাথে শত্র“তা বা অন্যের বিরুদ্ধে অমঙ্গল কামনা স্পষ্ট হয়ে উঠে। কিন্তু আইনের ভাষায় বিদ্বেষাত্মক বলতে অন্যের ক্ষতি হতে পারে ইচ্ছাকৃতভাবে এমন কাজ করা বুঝায় [AIR ১৯৬০ All)৭১৫]
লাহোর হাইকোর্টের এলাকায় রাজপাল নামে এক ব্যক্তি একখানি পুস্তক লিখেছিলেন। এ পুস্তকখানির নাম ছিল রঙ্গিলা রসুল। ঐ পুস্তকে তিনি হযরত মুহাম্মদ (দ) এর যৌন জীবনের অবৈধতার কথা লিখেছিলেন। রাজপাল পাকিস্তান দণ্ডবিধির ১৬৩ ক ধারায় অভিযুক্ত ও দণ্ডিত হয়েছিলেন, কিন্তু লাহোর হাইকোর্ট মনে করেন যে, ধর্মের প্রতিষ্ঠাতার ব্যক্তিগত চরিত্রের উপর আঘাত করাকে একটা সমগ্র শ্রেণীর উপর আঘাত করা গণ্য করা যায় না। এই কারণে লাহোর হাইকোর্ট রাজপালের দণ্ড নাকচ করে দেন।
(৩) অন্য দেশে একই প্রকার পুস্তক প্রকাশিত হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ আনা হয় নাই, একই কথা বলে বা এই অজুহাত তুলে কোন ধর্মীয় অবমাননাকর পুস্তক রচনা বা প্রকাশের দায় হতে মুক্তি পাওয়া যায় না। [AIR ১৯৫৮ (All) ৭১৫]
(৪) অন্য ব্যক্তি তার ধর্ম আক্রমন করেছেন বলে তিনি ঐ ব্যক্তির ধর্মের বিরুদ্ধে অবমাননাকর কিছু লিখেছেন, এই অজুহাতও আইনে গ্রহণযোগ্য নয়। [AIR ১৯৫৫ (Punj) ৭১৫]
(৫) ধর্ম প্রবর্তক, প্রচারক এবং মুনী-ঋষীদের সম্পর্কে কটাক্ষ করা বা তাদের ব্যক্তিগত জীবনের কুৎসা কাহিনী বর্ণনা করা বা প্রচার করা এই ধারানুযায়ী অপরাধ [৭ DLR-১৭ (wp)W.M.M. Trust] লাহোর বনাম সম্রাট।
(৬) ২৯৫ক. ধারার উপাদান তখনই পূর্ণ হয় যখন এটা প্রতিষ্ঠিত হয় যে পরিকল্পিতভাবে এবং বিদ্বেষত্মাকভাবে কোন ধর্মকে অবমাননা করা হয়েছে। যখন কোন ধর্মকে ধর্মীয় চেতনা অবমামনা করার জন্য আপত্তি করা হয় এবং এমন কোন নির্ভরযোগ্য বিষয় থাকে না যার উপর ভিত্তি করে তাকে সমর্থন করা যায় তখন আদালত এটা অনুমান করে নিতে পারে যে, এটা পরিকল্পিতভাবে এবং বিদ্বেষাত্মকভাবে করা হয়েছে [PLD ১৯৬২(DBl)] –
ধর্মীয় বিদ্বেষে উস্কানি দিলে পত্রিকা বাজেয়াপ্ত করার বিধান : ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯ ধারায় বলা হয়েছে, কোনো সংবাদপত্র যদি রাষ্ট্রবিরোধী কোনো কিছু বা এমন কিছু প্রকাশ করে যা নাগরিকদের মধ্যে শত্র“তা ও ঘৃণা তৈরিতে উস্কানি দেয় কিংবা ধর্মীয় বিশ্বাসে আঘাত হানে, সে ক্ষেত্রে সরকার ইচ্ছা করলে ওই সংবাদপত্রের সংশ্লিষ্ট কপিগুলো বাজেয়াপ্ত করতে পারে। তবে সরকারি এ আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি ইচ্ছা করলে হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করতে পারবেন।
অনলাইনে ধর্ম অবমাননার সাজা : ২০০৬ সালে প্রণীত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় ইলেক্ট্রনিক ফরমে মিথ্যা, অশ্লীল অথবা মানহানিকর তথ্য প্রকাশ সংক্রান্ত অপরাধ ও তার দণ্ড বলা হয়েছে। উল্লিখিত ধারা অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়েবসাইটে বা অন্য কোনো ইলেক্ট্রনিক বিন্যাসে এমন কিছু প্রকাশ বা সম্প্রচার করে, যা মিথ্যা ও অশ্লীল বা সংশ্লিষ্ট অবস্থা বিবেচনায় কেউ পড়লে, দেখলে বা শুনলে নীতিভ্রষ্ট বা অসৎ হতে উদ্বুদ্ধ হতে পারে অথবা যার দ্বারা মানহানি ঘটে, আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটে বা ঘটার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়, রাষ্ট্র ও ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষুণœ হয় বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে বা করতে পারে বা এ ধরনের তথ্যাদির মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের বিরুদ্ধে উস্কানি দান করা হয়, তাহলে তার এ কাজ হবে একটি অপরাধ। কোনো ব্যক্তি এ অপরাধ করলে অনধিক দশ বছর কারাদণ্ডে এবং অনধিক এক কোটি টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
৬৯ ধারা অনুসারে, সাব-ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার নিচে নন, এরকম কোনো পুলিশ কর্মকর্তার লিখিত রিপোর্ট এবং নিয়ন্ত্রক বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তার পূর্ব অনুমোদন ছাড়া বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কোনো অপরাধ বিচারের জন্য গ্রহণ করবেন না।
৭৭ ধারা অনুসারে, তথ্যপ্রযুক্তি আইনের অধীন কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে যে কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ফ্লপি, কমপ্যাক্ট ডিস্ক (সিডি), টেপ ড্রাইভ বা অন্য কোনো আনুষঙ্গিক কম্পিউটার উপকরণ বা বস্তু সম্পর্কে বা সহযোগে সেই অপরাধ সংঘটিত হয়েছে সেগুলো ওই অপরাধের বিচারকারী আদালতের আদেশানুসারে বাজেয়াপ্তযোগ্য হবে। তবে যদি আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, যে ব্যক্তির দখল বা নিয়ন্ত্রণে ওই কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ফ্লপি ডিক্স, কমপ্যাক্ট ডিস্ক বা অন্য কোনো আনুষঙ্গিক কম্পিউটার উপকরণ পাওয়া গেছে তিনি এ আইনের কোনো বিধান লঙ্ঘনের জন্য বা অপরাধ সংঘটনের জন্য দায়ী নন, তাহলে ওই কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ফ্লপি ডিস্ক, কমপ্যাক্ট ডিক্স, টেপ ড্রাইভ বা অন্য কোনো আনুষঙ্গিক কম্পিউটার উপকরণ বাজেয়াপ্তযোগ্য হবে না। তবে এ আইনের অধীনে সাধারণ ফৌজদারি আদালতে বিচার হবে না। সরকারকে এ উদ্দেশ্যে বিশেষ সাইবার ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে হবে। আইনের ৬৮ ধারা অনুসারে, একজন দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজকে সরকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক হিসেবে নিয়োগ দিয়ে এ ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারে।
ধর্মের ভুল ব্যাখ্যা সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করা অপরাধ নয় : কোনো ব্যক্তি, সংবাদপত্র বা প্রতিষ্ঠান যদি সাধারণ মুসলমানদের ধর্মের ভুল ব্যাখ্যা সম্পর্কে সচেতন করার উদ্দেশ্যে কোনো বক্তব্য দেয় বা কিছু প্রকাশ করে, সে ক্ষেত্রে সেটিকে ধর্ম অবমাননা বলে চালিয়ে দেয়া যাবে না এবং আদালতে এ ধরনের কোনো মামলা গ্রহণযোগ্যও হবে না। শামসুদ্দিন আহমেদ বনাম রাষ্ট্র ৫২ ডিএলআর-এর মামলায় আদালত এ প্রসঙ্গে স্পষ্ট রায় প্রদান করেছেন।
সংশ্লিষ্ট আইনঃ -বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩২। আইনানুয়ায়ী ব্যতীত জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতা হইতে কোন ব্যক্তিকে বঞ্চিত করা যাইবে না।
বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪১। (১) আইন, জনশৃংখলা ও নৈতিকতা সাপেক্ষে
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের যে কোন ধর্ম অবলম্বন, পালন, বা প্রচারের অধিকার রহিয়াছে;
(খ) প্রত্যেক ধর্মীয় সম্প্রদায় ও উপ-সম্প্রদায় নিজস্ব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের স্থাপন, রক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার অধিকার রহিয়াছে।
সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণাপত্র, অনুচ্ছেদ–১৮ প্রত্যেকেরই চিন্তা, বিবেক ও ধর্মের স্বাধীনতার অধিকার রয়েছে নিজ ধর্ম অথবা বিশ্বাস পরিবর্তনের স্বাধীনতা এবং একাই অথবা অপরের সহিত যোগসাজশে ও প্রকাশ্যে বা গোপনের নিজ ধর্ম বা বিশ্বাস শিক্ষাদান, প্রচার, উপাসনা ও পালনের মাধ্যমে প্রকাশ করার স্বাধীনতা এই অধিকারের অন্তর্ভূক্ত।
প্রতিকার- বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০২। (১)- কোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনক্রমে এই সংবিধানের ৩য় ভাগের দ্বারা অপির্ত অধিকারসমূহের (মৌলিক অধিকার অনুচ্ছেদ ২৬-৪৭) যে কোন একটি বলবৎ করিবার জন্য প্রজাতন্ত্রের বিষয়াবলীর সহিত সম্পর্কিত কোন দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিসহ যে কোন ব্যক্তি বা কতৃর্পক্ষকে হাইকোর্ট বিভাগ উপযুক্ত নির্দেশাবলী বা আদেশাবলী দান করিতে পারিবেন।
(২) হাইকোর্ট বিভাগের নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, আইনের দ্বারা অন্যকোন সমফলপ্রদ বিধান করা হয় নাই, তাহা হইলে
(ক) যে কোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনক্রমে
(অ) প্রজাতন্ত্র বা কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বিষয়াবলীর সহিত সংশ্লিষ্ট যে কোন দায়িত্ব পালন রত ব্যক্তিকে আইনের দ্বারা অনুমোদিত নয়, এমন কোন কার্য করা হইতে বিরত রাখিবার জন্য কিংবা আইনের দ্বারা তাঁহার করণীয় কার্য করিবার জন্য নির্দেশ প্রদান করিয়া; অথবা
(আ) প্রজাতন্ত্র বা কোন স্থানীয় কতৃর্পক্ষের বিষয়াবলীর সহিত সংশ্লিষ্ট যে কোন দায়িত্ব পালনে রত ব্যক্তির কৃত কোন কার্য বা গৃহীত কোন কার্যধারা আইনসংগত কতৃর্ত্ব ব্যতিরেকে করা হইয়াছে বা গৃহীত হইয়াছে ও তাহার কোন আইনগত কার্যকারিতা নাই বলিয়া ঘোষণা করিয়া উক্ত বিভাগ আদেশ দান করিতে পারিবেন; অথবা
(খ) যে কোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনক্রমে
(অ) আইনসংগত কর্তৃত্ব ব্যতিরেকে বা বেআইনী উপায়ে কোন ব্যক্তিকে প্রহরায় আটক রাখা হয় নাই বলিয়া যাহাতে উক্ত বিভাগের নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইতে পারে সেইজন্য প্রহরায় আটক উক্ত ব্যক্তিকে উক্ত বিভাগের সম্মুখে আনয়নের নির্দেশ প্রদান করিয়া; অথবা
(আ) কোন সরকারী পদে আসীন বা আসীন বলিয়া বিবেচিত কোন ব্যক্তিকে তিনি কোন কতৃর্ত্ববলে অনুরূপ পদমর্যদায় অধিষ্ঠানের দাবী করিতেছেন, তাহা প্রদর্শনের নির্দেশ প্রদান করিয়া উক্ত বিভাগ আদেশদান করিতে পারিবেন।
এই আইনে পোলিশ বিজ্ঞানী কোপারনিকাসের সেই ‘দ্য রেভোলিওশনিবাস’ বইটি ধর্মের বিরুদ্ধে যাওয়ায় গির্জার পাদ্রীরা বইটিকে নিষিদ্ধ করে দেয়। কারণ ওই বইটিতে লেখা ছিল পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরে, কিন্তু বাইবেলে লেখা ছিল পৃথিবীর চারদিকে সূর্য ঘোরে। ১৫৪৩ সালের ২২ ফেব্র“য়ারী তিনি মারা যান। এরপর ইতালিয় বিজ্ঞানী জিয়দারনো ব্র“নো সেই অপ্রকাশিত সত্য উৎঘাটন করেন, এবং তা তিনি প্রচার করতে শুরু করেন। এ কারণে তার প্রতি ধর্ম যাজকরা ক্ষিপ্ত হন এবং কঠোর শাস্তি প্রদানের উদ্যোগ নেন। বাধ্য হয়ে ইতালি ছেড়ে তিনি সুইজারল্যান্ডে যান, সেখানেও তিনি একই কারণে বহিষ্কৃত হন। পোপের নির্দেশে একের পর এক দেশ ব্র“নোর জন্য নিষিদ্ধ হয়ে যায়। এই সময় পোপের এক গুপ্তচর এক মিথ্যা প্রলোভন দিয়ে ব্র“নোকে ইতালিতে নিয়ে আসে। ১৫৯২ সালের ২৩ মে বিজ্ঞানী ব্র“নোকে বন্দি করে তার উপর শুরু হয় নির্যাতন, টানা আট বছর ধরে সীসের ছাদের নিচে রেখে বিচারের নামে প্রহসন চালায়, শেষে বিচারের রায় হল ‘পবিত্র গির্জার আদেশে পাপী ব্যক্তির এক বিন্দুও রক্ত নষ্ট না করে হত্যা। অর্থাৎ আগুনে পুড়িয়ে হত্যা। ১৬০০ সালের ফেব্র“য়ারি মাসে ব্র“নোকে নিয়ে যাওয়া হল এক বধ্যভূমিতে। তার জিভ শক্ত করে বাঁধা ছিল, যাতে শেষ বারের মতও তার আদর্শের কথা না বলতে পারে, আগুনে পুড়িয়ে এই বধ্যভূমিতে বিজ্ঞানী ব্র“নোকে হত্যা করা হয়। এখানেই শেষ নয়, ব্র“নোর পর ব্লাসফেমির আরেক শিকার বিজ্ঞানী গ্যালিলিও তার শেষ আটটি বছর কারাগারে দিন কাটান এবং সেখানে তার মৃত্যু হয়।
স্মরণকালের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত-সমালোচিত ‘ব্লাসফেমার’ হলেন ইরানের সালমান রুশদী। ৭০ দশকের দিকে ‘স্যাটানিক ভার্সেস’ লেখার জন্য তার বিরুদ্ধে মৃত্যু পরোয়ানা জারি করেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা ইমাম খোমেনী। পাকিস্তানে এই আইনের ব্যবহারের মাধ্যমে অনেক মানুষের যাবজ্জীবন, মৃত্যুদণ্ডের ঘটনার অনেক নজির আছে, পাকিস্তানের ফয়সালাবাদে ১৯৯৩ সালের ১ ফেব্র“য়ারী ২৯৫ (গ) ধারায় একটি মামলায় আজও একজনের বিচার চলছে। পাঞ্জাব প্রদেশের ভাওয়ালপুর ১৯৯৩ সালের ৯ ফেব্র“য়াারি ২৯৫ (গ) ধারায় এক ব্যক্তিকে মৃত্যু দণ্ড দিয়েছিল। পাঞ্জাবে ১৯৯২ সালের ২ নভেম্বর কোর্টে মাত্র একজনের সাক্ষীর ভিত্তিতে ৪২ বছরের একজনের মৃত্যু দণ্ড দেন। (অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ১৯৯৪ সালে মুক্তির নির্দেশ দেন)। বাংলাদেশে সর্বশেষ ‘ব্লাসফেমির’ অপরাধে বিচার হয়েছিলো ২০০৭ সালে। ধর্মীয় উস্কানিমূলক কার্টুন প্রকাশের দায়ে সে সময় কার্টুনিস্ট আরিফুর রহমানকে দুই মাসের জেল এবং ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
লেখকঃ এ্যাডভোকেট সিরাজ প্রামাণিক সম্পাদক সাপ্তাহিক ‘সময়ের দিগন্ত, আইনগ্রন্থ প্রণেতা ও পিএইচ.ডি গবেষক।
seraj.pramanik@gmail.com


নির্বাচনে নিবন্ধিত সব দলকে চান প্রধানমন্ত্রী

নির্বাচনে নিবন্ধিত সব দলকে চান প্রধানমন্ত্রী

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে নিবন্ধিত সব রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ…


আখেরি মোনাজাতে শান্তি কামনা

আখেরি মোনাজাতে শান্তি কামনা

ঈমানি জিন্দিগি, দেশ ও জাতির কল্যাণ, বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, ঐক্য, সমৃদ্ধি কামনা করে আখেরি…


'সোশ্যাল মিডিয়ার দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন'

'সোশ্যাল মিডিয়ার দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন'

সামাজিক গণমাধ্যমের দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবহারের বিষয়ে সতর্ক করেছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। বিবিসি রেডিও ফোরে…


কাবুলে বোমা হামলায় নিহত ৪০

কাবুলে বোমা হামলায় নিহত ৪০

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে শিয়া মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং সংবাদ সংস্থা আফগান ভয়েস এজেন্সির…


যুক্তরাষ্ট্র থেকে রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠিয়েছে ফিলিস্তিন

যুক্তরাষ্ট্র থেকে রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠিয়েছে ফিলিস্তিন

যুক্তরাষ্ট্রে নিয়োজিত রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠিয়েছে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ। তাকে 'আলোচনা'র জন্য ডাকা হয়েছে বলে ঘোষণা দেয়া…


ইসলামে শিয়া-সুন্নি নেই, ধর্ম একটাই

ইসলামে শিয়া-সুন্নি নেই, ধর্ম একটাই

সুন্নি বা শিয়া নামে কোনো ধর্ম নেই, আমাদের ধর্ম একটাই, সেটা হলো ইসলাম।  বলেছেন তুরস্কের…


বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে হামলার চেষ্টা ২০ আইএস জঙ্গি গ্রেফতার

বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে হামলার চেষ্টা ২০ আইএস জঙ্গি গ্রেফতার

বর্ষবরণের রাতে ভয়াবহ নাইট ক্লাব হামলার ছক ছিল৷ আইএস জঙ্গিদের সেই ষড়যন্ত্র ভেস্তে দিল সরকার৷…


প্রথমে হিন্দু রোহিঙ্গাদের ফেরত নিচ্ছে মিয়ানমার

প্রথমে হিন্দু রোহিঙ্গাদেরফেরত নিচ্ছে মিয়ানমার

আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন শুরু হবে৷ তবে মিয়ানমার ঘোষণা…


কুয়েতে অগ্নিকাণ্ডে একই পরিবারের ৫ বাংলাদেশি নিহত

কুয়েতের সালমিয়াতে একটি পাঁচতলা ভবনে অগ্নিকাণ্ডে একই পরিবারের পাঁচ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। সোমরাত রাতে এ…


সানির পর ‘বেবিডল’ দীপিকা

‘বেলিডল’ গানের হাত ধরেই বলিউডে পা রেখেছেন গায়িকা কনিকা কাপুর স্ক্রিনে মোহময়ী সানি লিয়নকে দেখা…


রণবীর-ক্যাটরিনার গোপন লং ড্রাইভ!

বলিউডে "ক্যাসানোভা" হিসেবে পরিচিত রণবীর কাপুর আজ পর্যন্ত প্রেম তো অনেক করেছেন, কিন্তু বিয়ের কাউকে…


হলিউডের চলচ্চিত্রে বাংলাদেশির কাহিনী

অস্কার বিজয়ী মার্কিন পরিচালক ক্যাথরিন বিগেলো ‘দ্য ট্রু অ্যামেরিকান’ নামে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন।…