দশদিক মাসিক

হোম সাক্ষাতকারআমি একজন বিখ্যাত অভিনেতা হতে চাই

আমি একজন বিখ্যাত অভিনেতা হতে চাই

এন টিভির হ্যাসো সিজন-২ চ্যাম্পিয়ন-তারেক মাহমুদ

আমি একজন বিখ্যাত অভিনেতা হতে চাই

তারেক মাহমুদ। জন্ম ফেনী জেলায়। বর্তমানে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় অনার্স ৪র্থ বর্ষে অধ্যায়নরত আছেন। ছোট্টবেলা থেকে কেন যেন সাংস্কৃতিক অঙ্গন নিয়ে নানা ঘুর পাক খেত তার মাথায়। বলা যায় স্বপ্ন থেকে যাত্রা। অভিনেতা হতে চাই। অন্যের অভিনয় শুধু দেখব না। আমিও তো অমন অভিনয় করতে পারি। অবশেষে তিনি সেটিই প্রমাণ করেছেন। তারেক মাহমুদ এখন কেবল একটি নাম নয়; একটি ইতিহাস নির্মাতা হতে চলেছেন। এনটিভি কর্তৃক আয়োজিত রিয়েলিটি শো হা-সো সিজন-২, তে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। গোটা বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতিক কর্মীদের মধ্যে তার নামটিও লেখাতে সক্ষম হয়েছেন। সময়ের এই স্বনামধন্য তরুণ নাট্যকার ও অভিনেতার মুখোমুখি হয়েছেন ইয়াছিন মাহমুদ।
দশদিক: কেমন আছেন আপনি?
তারেক মাহমুদ: ভালো আছি।
দশদিক: কীভাবে এই সাংস্কৃতিক অঙ্গনে শিকড়ের সন্ধান পেলেন?
তারেক মাহমুদ: ছোট বেলা থেকে এই শেকড়ের সন্ধান করছিলাম। এনটিভি হা-সো এর মাধ্যমে শেকড়ের সন্ধান পেয়েছি। এর মাধ্যমে আমার স্বপ্ন পূরণের অনেকখানি সুযোগ হলো।
দশদিক: আপনার এই অভিনেতা হওয়ার পিছনে কার অনুপ্রেরণা খুব বেশী মনে পড়ে?
তারেক মাহমুদ: আমার পরিবার, বন্ধু-বান্ধব ও আত্মীয় স্বজনের অনুপ্রেরণা ছিল। বিশেষ করে আমার ফখরুল ভাই এবং শ্রদ্ধেয় শিব্বির আনাম ভাই এর অনুপ্রেরণা।
দশদিক: মঞ্চ থেকে এখন টিভির পর্দায় অভিনয় করছেন। আপনার অনুভূতি কেমন?
তারেক মাহমুদ: একজন অভিনেতা যখন মঞ্চ থেকে টিভির পর্দায় সুযোগ পায় তখন তার অভিনয়ের উৎসাহ উদ্দীপনা বেড়ে যায়। দর্শকের ভালো লাগার অনুভূতি যখন শুনতে পাই নিজেই অনুপ্রাণিত হই, আনন্দে আত্মহারা হয়ে যাই। যা ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না।
দশদিক: চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর কিছু অনুষ্ঠান করেছেন এবং আসন্ন ঈদুল আযহাতে আপনার কোন অনুষ্ঠান দেখতে পাবো কিনা?
তারেক মাহমুদ: চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর এনটিভিতে বেশ কিছু প্রোগ্রাম করেছি। তন্মধ্যে এনটিভির দশ বছর পূর্তি অনুষ্ঠান “রঙ্গ-বেঙ্গ” “জানার আছে বলার আছে” কুইজ শো এবং দশ পেরিয়ে অনুষ্ঠান উল্লেখযোগ্য। বরাবরই দর্শকের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছি। সামনের ঈদুল আযহাতে কিছু কাজ নিয়ে ব্যস্ত আছি।
দশদিক: হা-সো তে চ্যাম্পিয়ন হওয়¬ার অনুভূতিটা কেমন?
তারেক মাহমুদ: সর্বমোট সাতটা ধাপ পেরিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছি। এক একটা ধাপ অতিক্রম করার সময় মনে হতো এটাই আমার শেষ পারফর্ম। তবে আমার আত্মবিশ্বাস, প্রচেষ্টা এবং সম্মানিত বিচারক-মন্ডলীর দেওয়া নির্দেশনার সমন্বয়ে সপ্তম ধাপ পেরিয়ে চ্যাম্পিয়ন হতে পেরেছি। প্রতিটি পারফর্ম শেষে শ্রদ্ধাভাজন কাদের ভাই, নিপুন আপু, তুষার ভাই এবং চিত্রনায়ক আমিন ভাইয়ের পরামর্শগুলো নিজেকে তুলে ধরতে সাহায্য করতো। উপস্থাপক হিসেবে দেবাশীষ দাদার সাবলীলতা আমার পারফর্ম করার সময়টুকুকে নির্ভয় করে রাখতো।
দশদিক: আপনার ভালো পারফর্মেন্সের পেছনে কাদের অবদান মনে করেন?
তারেক মাহমুদ: সত্যি কথা বলতে অনুষ্ঠানের প্রযোজক ও পরিকল্পক হাসান ইউসূফ খান ভাই, খাইরুল আলম বাবু ভাই, এবং মেন্টর বা প্রশিক্ষক হিসেবে সাইফুর রহমান সাইফুল, শাহজাদা শাহেদ, আবু হেনা রনি, শাওন মজুমদার ্এবং পরশ ভাইদের অবদান অনস্বীকার্য।
দশদিক: এনটিভিএর হা-সো প্রোগ্রামকে কিভাবে মূল্যায়ন করবেন?
তারেক মাহমুদ: সময়ের সাথে, আগামীর পথে এই শ্লোগানকে সামনে রেখে সবসময় এই চ্যানেলটি প্রতিভার খোঁজে ভিন্ন সব অনুষ্ঠানের আয়োজন করে যাচ্ছে। তারই ধারাবহিকতার অংশ হলো দেশের জনপ্রিয় একমাত্র কমেডি রিয়েলিটি শো হা-সো। এই প্রোগ্রামটির মাধ্যমে বেরিয়ে এসেছে অনেক প্রতিভা; উদ্বেলিত হয়েছে অগণিত দর্শক শ্রোতার মন। আমার বিশ্বাস প্রতিভার মূল্যায়ন করার মানসে এই আয়োজন এনটিভি অব্যাহত রাখবে।
দশদিক: অভিনয় নিয়ে আপনার ভবিষ্যত পরিকল্পনা কী?
তারেক মাহমুদ: সেই ছোটবেলা থেকে বিখ্যাত অভিনেতা হওয়ার স্বপ্ন ছিল। প্রয়োজন ছিল প্লাটফর্মের। এনটিভির হা-সো কে ধারণ করে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যেতে চাই দূর থেকে বহুদূর।
দশদিক: দশদিকের পক্ষথেকে আপনাকে ধন্যবাদ।
তারেক মাহমুদ: দশদিক এর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি এবং সেই সাথে আপনাকেও ধন্যবাদ।


পাতাটি ৪৫৭৩ বার প্রদর্শিত হয়েছে।