দশদিক মাসিক

হোম প্রবাস সংবাদ মুন্সিগঞ্জ বিক্রমপুর সোসাইটি জাপানের ঈদ পূর্নমিলনী অনুষ্ঠিত

মুন্সিগঞ্জ বিক্রমপুর সোসাইটি জাপানের ঈদ পূর্নমিলনী অনুষ্ঠিত

দশদিক প্রতিবেদক: প্রতিবারের মতো এবারও মন্সিগঞ্জ বিক্রমপুর সোসাইটি জাপানের ঈদ উত্তর এক পূর্নমিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। ঈদ পূর্নমিলনী আয়োজনটি শেষ পর্যন্ত প্রবাসীদের মিলন মেলায় পরিণত হয়। ১৯ অক্টোবর সাইতামা কেন, মিসাতো সিটি তাকানো বুনকা সেন্টারে আয়োজিত ঈদ পূর্নমিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মান্যবর রাষ্ট্র দূত মাসুদ বিন মোমেন।
দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী বৃন্দ, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল শ্রেণীর প্রবাসী বাংলাদেশী নাগরিক বৃন্দ, বিপুর সংখ্যক জাপানী এবং অন্যান্য দেশের নাগরিক সহ পাাঁচ শতাধিক অতিথির অংশ গ্রহণে আয়োজনস্থল ছিল উৎসবমূখর। এবারের ঈদ পূর্নমিলনী আয়োজন দিনের বেলায় হওয়ায় অতিথিদেরঅংশগ্রহণ ছিল গতবারের চেয়ে অনেক বেশী। আগত অতিথি বৃন্দ কোরবানীর মাংসের পাশাপাশি বিক্রমপুরের ঐহিহ্যে আপ্যায়িত হন। ভিন্ন ধর্মালম্বীদের সম্মানে খাবার আয়োজনে ভিন্নতা রাখা হয়। সাথে ছিল নিরমিষ ভুজিদের উপযুক্ত নানা আয়োজন।

মধ্যাহ্ন ভোজের আপ্যায়নের কথা থাকলেও এ ভোজ চলতে থাকে সন্ধ্যা পর্যন্ত। মধ্যাহ্ন ভোজ শেষে বিকেলে শুরু হয় ঈদ ভ্যারাইটি ঈদ আনন্দ অনুষ্ঠান। পরো অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন জুয়েল আহসান কামরুল এবং নাজমুল ইসলাম রতন। অনুষ্ঠানের শুরুতেই প্রবাসীদের ঈদ অভিজ্ঞতা সকলের সাথে ভাগ করে নেওয়ার জন্য বেশ কয়েক জন প্রবাসীকে মঞ্চে আহবান করা হয়। অনেককে আবার সস্ত্রীক ঢাকা হয়। অভিজ্ঞতা সম্পন্ন প্রবাসীরা তাদের বিচিত্র অভিজ্ঞতার কথা কথা দর্শকদের সাথে ভাগ করে নেন। বাদ যান না রাষ্ট্রদূতও। রাষ্ট্র দূত মাসুদ বিন মোমেন সস্ত্রীক তাতের অভিজ্ঞতার কথা জানান। রাষ্ট্রদূত বলেন আমার চাকুরি জীবনের দুই-তৃতীয়াংশ কেটেছে মিশন গুলোতে ।
কাজেই বেশির ভাগ ঈদ করতে হয়েছে আপনাদের অর্থাৎ প্রবাসীদের সাথে। ঈদের দিন সাধারণত সকালে ঈদের নামাজ পরার পর ব্যস্ততম সময় পার করতে হয় গতানুগতিক ভাবে। কিন্তু এ বছর জাপানে একই দিন পূজা থকাতে এবং আপনারা আপনরা পূজার আয়োজন করাতে আমাকে পূজায় যেতে হয়। আজ আপনাদের সাথে কোরবানীর মাংস খেলাম। তাই আমার কাছে মনে হচ্ছে আজই ঈদ। এই অনুস্টান যারা আয়োজন করেছেন, যারা সহযোগিতা করেছেন এবং উপস্থিত দর্শক শ্রোতাদের সকলকে আমাদের তরফ থেকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। ঈদমোবারক। এর পর শরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটি সাজানো হয় নাচ, গান, কৌতুক, যাদু, প্রদর্শন এবং আবৃত্তি দিয়ে । স্থানীয় প্রবাসীদের দ্বারা পরিচালিত স্বরলিপি এবং উত্তরণ ছাড়াও আমেচার শিল্পীরাও অংশগ্রহণ করে। জাপানী শিল্পীরাও এতে অংশ গ্রহণ করে । সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটি শুরু হয় হিন্দি গানের সাথে নাচ দিয়ে। এতে প্রথমেই অনেক দর্শককে বেশ উষ্ণা প্রকাশ করতে দেখা যায়। এরপর দর্শকরা বাংলা গানের অনুরোধ জানান। সকল আয়োজন শেষে মুন্সিগঞ্জ বিক্রমপুর সোসাইটি জাপানের সভাপতি বাদল চাকলাদার সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্ত ঘোষণা কারেন।


পাতাটি ১১৯৩ বার প্রদর্শিত হয়েছে।