দশদিক মাসিক

হোম জোকস ডাকাত দলের ব্যাংক ডাকাতি

ডাকাত দলের ব্যাংক ডাকাতি

এক: একদল ডাকাত ব্যাংকে ঢুকল ডাকাতির জন্য। উপস্থিত গ্রাহক আর কর্মচারীরা বাধা দেয়ার চেষ্টা করল। ডাকাতেরা বলল ‘‘ভাইসব, টাকা গেলে সরকারের যাবে, আর প্রাণ গেলে যাবে আপনার। আপনারাই বুঝুন কোনটা বাঁচাবেন”- এই কথা শুনে সবাই বসে পড়লো। ডাকাতরা নির্বিঘেœ টাকা নিয়ে চলে গেলো।
শিক্ষণীয়: মানুষের মধ্যে স্বার্থ ভিত্তিক বিভাজন সৃষ্টি করলে তারা অন্যায় কাজ প্রতিরোধ করার সামর্থ্য হারিয়ে ফেলে।
দুই: ডাকাত দল তাদের লুট করা টাকা নিয়ে আস্তানায় ফিরে গেল। এরপর যে ডাকাতের গইঅ ডিগ্রি ছিল সে বলল, এবার আমাদের টাকাগুলো গুনে দেখা দরকার। এই দলের সবচেয়ে প্রবীণ ডাকাত বলল ‘‘ধুর, এত টাকা গুনতে তো অনেক কষ্ট হবে। একটু
পরেই টিভিতে বলবে কত টাকা লুট হয়েছিলো। আমরা তখনই জেনে যাব।”
শিক্ষণীয়: অনেক ক্ষেত্রেই কাগুজে ডিগ্রির চেয়ে অভিজ্ঞতার মূল্য বেশি।
তিন: ঘটনা শুনে মন্ত্রী মহোদয় ব্যাংক পরিদর্শনে গেলেন। তিনি বললেন, ডাকাতেরা শুধু কয়েক বস্তা টাকাই তো নিয়েছে। বেশির ভাগ টাকাই তো রয়েই গেছে, আর সেফ ডিপোজিট বক্সগুলো তো আছেই। আসুন ভাইসব আমারা ওগুলো নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেই। কেউ বুঝতেও পারবেনা।
শিক্ষণীয়: যে যতো ওপরে, তার চুরি ততোবড় এবং তা ধরা ছোঁয়ার বাইরে।
চার: রাতে টিভিতে সংবাদ এলো, ব্যাংক থেকে ২০ কোটি টাকাসহ হাজার ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট। ডাকাতরা হাজার বার গুনেও তাদের বস্তায় ১কোটি টাকার উপর পেলনা। আর স্বর্ণালঙ্কার তো তারা নিতেই পারেনি। অবশেষে ডাকাত দল ধরা পড়লো। রিমান্ডে গিয়ে স্বীকারও করতে হলো যে তারাই সব টাকা লুট করেছে। এরপর সবার যাবজ্জীবন কারাদন্ড হয়ে গেলো।
শিক্ষণীয়: চুরি-ডাকাতি করার ইচ্ছা থাকলে ভোটে দাঁড়িয়ে ক্ষমতায় যেয়ে করাটাই বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত নির্ভুল পদ্ধতি।


পাতাটি ৪৪২০ বার প্রদর্শিত হয়েছে।