• শিরোনাম

    এ মাসে আসছে তিন শৈত্যপ্রবাহ: রাত থেকে বৃষ্টি, চলবে শনিবারও

    | ০৩ জানুয়ারি ২০২০ | ৯:২৬ পূর্বাহ্ণ | পড়া হয়েছে 919 বার

    এ মাসে আসছে তিন শৈত্যপ্রবাহ: রাত থেকে বৃষ্টি, চলবে শনিবারও

    গত সপ্তাহে টানা শৈত্য প্রবাহে মুখ লুকিয়েছিলো সূর্য। শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে ঢাকাসহ সারাদেশের জনজীবন। পরে চলতি সপ্তাহের সোমবার সূর্য মামা ছুটি শেষে ফিরলে আবার স্বাভাবিক রূপ পায় ঢাকা। এবার আরেক দফা ছুটিতে যাচ্ছে সূর্য। আজ বৃহস্পতিবার রাত থেকেই শুরু হবে বৃষ্টি। এতে রাতের তাপমাত্রা কিছুটা হ্রাস পেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।আবহাওয়া অফিস বলছে, মোটামুটি সারাদেশেই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। শুক্রবার সারাদিন আকাশ কাঁদিয়ে বৃষ্টি বিদায় নিতে পারে শনিবার বিকালে। এই সময়ে রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস হ্রাস পাবে।

    আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ১১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তেঁতুলিয়ায় এ বছর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছিলো ৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। চলতি মাসে তিনটি শৈত্যপ্রবাহের কবলে পড়তে যাচ্ছে দেশবাসী— এমনটাই পূর্বাভাস আবহাওয়া অধিদপ্তরের। গতকাল বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে অধিদপ্তরের পরিচালক সামছুদ্দিন আহমেদ জানান, ৬ জানুয়ারির পর একটি এবং মাসের শেষ সপ্তাহে আরেকটি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাবে। আর মাসের মাঝামাঝি সময়ে একটি মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।তিনি বলেন, আবহাওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে— বছরের প্রথম মাসের প্রথমার্ধেই দেশের অনেক স্থানে বৃষ্টিপাত হবে। বুধবার ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগ ছাড়া দেশের সব স্থানেই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আজ এ বৃষ্টিপাত আরো বাড়বে।



    সামছুদ্দিন আহমেদ বলেন, রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগের কিছু অংশ এবং সিলেট ও সুনামগঞ্জ অঞ্চলে শীতের তীব্রতা বেশি থাকবে। পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রামের আরেকটি অঞ্চল বাঘাইছড়ি ও এর আশপাশে শীতের তীব্রতা হবে। ঢাকা থেকে দক্ষিণাঞ্চলের দিকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ থাকতে পারে।

    শৈত্যপ্রবাহের সময় কেউ যাতে শীতে কষ্ট না করে সেজন্য সরকারের পক্ষ থেকে কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বলে জানান ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান।

    তিনি বলেন, অক্টোবরে শীতের পূর্বাভাস পাওয়ার পর প্রত্যেক জেলায় শীতবস্ত্র পাঠিয়ে দিয়েছে মন্ত্রণালয়। জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের চাহিদা অনুযায়ী শীতবস্ত্র সরবরাহ করা হয়েছে। ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে ৬৪ জেলায় ৭ লাখ ২১ হাজার ৮০০টি কম্বল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আর প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভান্ডার থেকে ৬৪ জেলার জন্য ২৪ লাখ ৬৯ হাজার ১০০টি কম্বল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন জেলায় নগদ অর্থ বরাদ্দ দেওয়ার পাশাপাশি শুকনো ও অন্যান্য খাবারের কার্টন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

    সংবাদ সম্মেলনে এ সময় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব শাহ কামাল, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মহসীন উপস্থিত ছিলেন।

    Facebook Comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০

    ০৯ এপ্রিল ২০২০

    ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
    ৩১  
  • ফেসবুকে দশদিক