• শিরোনাম

    করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ ও জরুরি অবস্থায় করণীয়

    | ০৮ জানুয়ারি ২০২১ | ১২:০৪ অপরাহ্ণ | পড়া হয়েছে 125 বার

    করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ ও জরুরি অবস্থায় করণীয়

    জাপানের প্রধানমন্ত্রী সুগা ইয়োশিহিদে বৃহস্পতিবার টোকিও অঞ্চলের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিতীয় দফার জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। টোকিও, কানাগাওয়া, সাইতামা ও চিবা জেলা ঘোষণার আওতায় পড়বে। শুক্রবার থেকে জরুরি অবস্থা কার্যকর হবে এবং ফেব্রুয়ারি মাসের ৭ তারিখ পর্যন্ত বহাল থাকবে।

    জরুরি অবস্থা রোগ প্রতিরোধ প্রচেষ্টায় সহযোগিতা করার জন্য এলাকাবাসীদের প্রতি আহ্বান জানানোর আইনগত কর্তৃত্ব জেলা গভর্নরদের দেবে। জাপানের রাজধানীতে নতুন করোনাভাইরাস সংক্রমণের সংখ্যা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে চলার মুখে এই ঘোষণা আসে। বৃহস্পতিবার সংক্রমণ ২,৪০০ ছাড়িয়ে দৈনিক হিসাবে নতুন রেকর্ড স্থাপিত হয়।



    জাপান সরকারের করোনাভাইরাস বিশেষজ্ঞদের একটি প্যানেল সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে জরুরি অবস্থা নিয়ে প্রস্তাব প্রণয়ন করেছে।

    ভাইরাস যে বড় শহরগুলো ছাড়াও মফস্বল এলাকাতেও ছড়িয়ে পড়তে পারে, সেদিকে আলোকপাত করে উপদেষ্টা প্যানেল বলছে, সংক্রমণ এরকম আকার নিচ্ছে যা এর আগে কখনও দেখা যায়নি। প্যানেল আরও বলছে ক্লাস্টার বা গুচ্ছ সংক্রমণ বহুমুখী হয়ে উঠেছে।

    প্যানেল সতর্ক করে দিয়েছে যে মেট্রোপলিটন এলাকাগুলোতে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনা না গেলে ভাইরাস সারা দেশ জুড়ে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

    প্যানেল বলছে মেট্রোপলিটন এলাকায় সংক্রমণের সংখ্যা দ্রুত নিচের দিকে নামিয়ে আনতে এবং হাসপাতাল ও জনস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উপর চাপ কমিয়ে আনার জন্য এখনই হচ্ছে জরুরি অবস্থা ঘোষণার সময়। প্যানেল আরও বলছে সংক্রমণ বন্ধ করতে এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক কার্যক্রমকে যত দ্রুত সম্ভব পুনরুদ্ধার লাভে সাহায্য করতে পদক্ষেপ নেয়া দরকার।

    এলাকার জনগণের প্রতি বিনা কাজে বাইরে যাওয়া থেকে বিরত থাকা এবং দূরে থাকা অবস্থায় কাজ করা উৎসাহিত করার মধ্যে দিয়ে কাজের জায়গায় যাতায়াত ৭০ শতাংশ হ্রাসের আহ্বানও প্যানেল জানায়।

    ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে সাহায্য করা এবং জরিমানার ব্যবস্থা প্রবর্তনের মধ্যে দিয়ে সংক্রমণ প্রতিরোধ পদক্ষেপ আরও বেশি কার্যকর করে নেয়ার জন্য বিশেষ একটি আইন সংশোধন করার অনুরোধ প্যানেল সরকারকে করেছে।

    প্যানেল আরও বলছে সাধারণ লোকজন যেখানে সহজে সংক্রমণ প্রতিরোধ পদক্ষেপের চর্চা করা অব্যাহত রাখতে পারবেন, সেজন্য পরিবেশের উন্নতি করে নেওয়া দরকার। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুনভাবে করোনা সংক্রমণের গতি আরো এক সপ্তাহ ধরে বাড়তে থাকলে করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে হলে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিকল্প নেই। তাই করোনা সংক্রমণ কমাতে জনগণের বৃহত্তর কল্যাণে সরকারের উচিত, কঠোরতা অবলম্বন করা। বাইরে বের হলেই মাস্ক পরতে বাধ্য করা। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলাফেরা করতে বাধ্য করা জরুরি।

    বাস্তবতা হলো, এখনো বহু রোগী ভাইরাসটি নিয়ে ঘোরাফেরা করছেন। তারা রোগ ছড়াচ্ছেন। শুরু থেকেই শনাক্ত রোগীর সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের আমরা খুঁজে বের করতে পারিনি। করোনা মোকাবেলায় দেশে স্বাস্থ্যবিধি মানার বিকল্প না থাকায় সরকারের পাশাপাশি সামাজিক সংগঠনগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে। জনগণকে সচেতন করে তুলতে হবে। প্রয়োজনে জনসাধারণের মধ্যে বিনামূল্যে মাস্ক সরবরাহ করা যেতে পারে। কারণ মাস্ক পরলে অনেকটাই নিরাপদ থাকা যায়। তবেই সম্ভব হতে পারে ভাইরাসটি নিয়ন্ত্রণে আনা।

    Facebook Comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

    ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

    ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

    ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

    ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

    ১১ সেপ্টেম্বর ২০২০

    ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫
    ১৬১৭১৮১৯২০২১২২
    ২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
    ৩০৩১  
  • ফেসবুকে দশদিক