• শিরোনাম

    কর্মক্ষেত্রে কর্মীদের উপস্থিতি কমাতে চায় জাপান সরকার

    | ১৪ এপ্রিল ২০২০ | ২:২১ অপরাহ্ণ | পড়া হয়েছে 150 বার

    কর্মক্ষেত্রে কর্মীদের উপস্থিতি কমাতে চায় জাপান সরকার

    জরুরি অবস্থার আওতাধীন এলাকাসমূহে সামাজিক যোগাযোগ বা সংস্পর্শ যথেষ্ট পরিমাণে কমিয়ে আনতে, আরও বেশি কর্মীকে বাড়িতে থেকে কাজ করার সুযোগ দেয়ার জন্য, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোকে অনুরোধ জানানো অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা করছে জাপান সরকার।

    টোকিও এবং অন্যান্য আরও ছয়টি জেলায় ব্যক্তির সঙ্গে ব্যক্তির যোগাযোগ অন্ততপক্ষে ৭০ শতাংশ এবং সম্ভব হলে ৮০ শতাংশ হ্রাস করতে চায় সরকার। তাদের ভাষ্যানুযায়ী, এই হ্রাস যতটা সম্ভব দ্রুত ভাইরাসের বিস্তার কমাতে সহায়ক হবে।



    প্রধানমন্ত্রী আবে শিনযোর গত মঙ্গলবার দেয়া প্রায় মাসব্যাপী দীর্ঘ জরুরি অবস্থা ঘোষণার আওতায় এই সাতটি জেলা আছে।

    সরকার বলছে, প্রধান শহরগুলোতে লোকজনের চলাচল প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। লোকজনকে অনাবশ্যক বাইরে না যাওয়ার জন্য জানানো অনুরোধ এই হ্রাসের পেছনে ভূমিকা রেখেছে বলে সরকার মনে করছে।

    তবে, সরকার বলছে যে কর্মক্ষেত্রে যাতায়াতকারীদের সংখ্যা প্রত্যাশামত কমেনি। এক্ষেত্রে, টেলিওয়ার্ক বা বাড়িতে থেকে কাজ করার মত পদক্ষেপের মধ্যে দিয়ে দপ্তরের অভ্যন্তরে কাজ করা কর্মীর সংখ্যা ৭০ শতাংশ বা তার চাইতে বেশি কমানোর জন্য কোম্পানিগুলোকে অনুরোধ জানানো অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা করছে তারা।

    আবে গতকাল বলেন যে এক মাসের মধ্যে জরুরি অবস্থা তুলে নেয়ার সুযোগ করে দেয়ার জন্য সামাজিক যোগাযোগের ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ হ্রাস অবশ্যই অর্জন করতে হবে। তিনি আরও বলেন, এই লক্ষ্য অর্জনে লোকজনের অধিকতর সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    এদিকে, এই সাতটি জেলার কেন্দ্রীয় এলাকাসমূহে লোকজনের চলাচল কতদূর পর্যন্ত বৃদ্ধি বা হ্রাস পাচ্ছে, সেই উপাত্ত উন্মোচন করা শুরু করেছে সরকার।

    এক্ষেত্রে, নাগরিকরা মন্ত্রীপরিষদ সচিবালয়ের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে মুঠোফোন অবস্থানের তথ্যের মত উপাত্তের ভিত্তিতে হিসেব করা গণনা দেখতে পারবেন।

    এই সংখ্যায় ব্যক্তির সাথে ব্যাক্তির যোগাযোগ বা সংস্পর্শের হিসেব প্রদর্শিত হবে না। তবে, সরকার প্রত্যাশা করছে, এই উপাত্ত সামাজিক যোগাযোগ হ্রাসের লক্ষ্য পূরণে সহায়তা করার জন্য ব্যক্তি এবং কোম্পানিসমূহকে উৎসাহ যোগাবে।

    এদিকে, উচ্চ কার্যকরী সার্জিকাল মাস্কের সরবরাহ সংকট চলাকালীন সরকার এখন ধুলোবালি রোধী সুরক্ষামূলক মাস্ক চিকিৎসা ইন্সটিটিউটগুলোর জন্য আলাদা করে রাখতে শিল্প খাতের সাথে আয়োজন সম্পন্ন করছে। উল্লেখ্য, উভয় মাস্কই ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে অনুরূপভাবে কার্যকরী।

    Facebook Comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

    ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫
    ১৬১৭১৮১৯২০২১২২
    ২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
    ৩০৩১  
  • ফেসবুকে দশদিক