• শিরোনাম

    ছোট প্রতিপক্ষ বড় চ্যালেঞ্জ: বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান

    | ২৪ জুন ২০১৯ | ৮:৪৭ পূর্বাহ্ণ | পড়া হয়েছে 115 বার

    ছোট প্রতিপক্ষ বড় চ্যালেঞ্জ: বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান

    বিশ্বকাপে হাজার মাইল দূরের প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে লড়াই শেষ করেছে বাংলাদেশ। শুধু প্রতিবেশীদের সঙ্গে লড়াইটাই বাকি ছিল। এবার সেই তিন প্রতিবেশী ভারত, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সঙ্গে ক্রিকেট যুদ্ধে নামছে টাইগাররা।

    বাংলাদেশের প্রধান কোচ স্টিভ রোডসও বলেছেন একই কথা। তাঁর মতে, আফগানিস্তান মোটেই হেলাফেলা করার মতো প্রতিপক্ষ না। পরিসংখ্যান বলে, এ পর্যন্ত সাতটি ওডিআই ম্যাচে বাংলাদেশ আফগানিস্তান মুখোমুখি হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ জিতেছে চারটিতে আর তিনটিতে আফগানিস্তান।

    তিন জয়ের মধ্যে বাংলাদেশের মাটিতেই দুবার বাংলাদেশকে হারিয়েছিল আফগানরা (২০১৪ এশিয়া কাপ ও ২০১৬)। এরপর দুবাইতে গতবছর সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপে দুইবার মুখোমুখি হয় দুই প্রতিবেশী। প্রথমবার ১৩৬ রানে জিতেছিল আফগানরা। পরেরটিতে বাংলাদেশ জেতে মাত্র ৩ রানে। এর আগে অস্ট্রেলিয়ায় ২০১৫ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ জিতেছিল ১০৫ রানে। এছাড়া ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে মিরপুরে দুবার জয়ী হয় বাংলাদেশ।

    রেকর্ড বুক অনুযায়ী, ওডিআই ম্যাচে বাংলাদেশের চেয়ে আফগানিস্তানের সাফল্যের পাল্লাই ভারী। বাংলাদেশ এ পর্যন্ত ৩৬৭টি ওডিআই খেলেছে যার মধ্যে জয়ের সংখ্যা ১২৪। অন্যদিকে ১২০টি ওডিআই খেলে ৫৯টিতে জিতেছে আফগানরা। অর্থাত্ মোট ম্যাচের প্রায় অর্ধেকই জিতেছে তারা।

    বাংলাদেশের বিপক্ষে আফগানিস্তানের বড় শক্তি তাদের স্পিন আক্রমণ। রশিদ খান, মুজিব-উর রেহমান ও রশিদ খান এই স্পিন ত্রয়ীর বিপক্ষে তামিম, সাকিবদের ব্যাট কতখানি জ্বলে ওঠে আজ সেটাই দেখবেন দুনিয়ার আড়াইশ কোটি ক্রিকেটপ্রেমী।

    বোলাররা আফগানিস্তানের শক্তির উত্স হলেও বোলারদের নিয়ে কিছুটা বিপাকেই আছে বাংলাদেশ। বিশেষ করে ফাস্ট বোলাররা প্রতিপক্ষের রানের রাশ টেনে ধরতে পারছেন না। উইকেটও পাচ্ছেন না তেমন একটা। ইনজুরি সমস্যাও ভোগাচ্ছে দলকে যার সর্বশেষ শিকার মিরাজ। অনুশীলনের সময় মাথায় বলের আঘাত পেয়েছেন দলের অন্যতম স্পিন শক্তি। তবে আঘাত তেমন গুরুতর নয় বলেই টিম ম্যানেজমেন্ট জানিয়েছে।

    মূল শহর থেকে অনেক দূরের রোজ বোলে প্রথম ওডিআই হয়েছিল মাত্র ১৬ বছর আগে ২০০৩ সালে। এই মাঠে ইংল্যান্ডের প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি হয়েছিল ২০০৫ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। আর টেস্ট ম্যাচের বয়স আরো কম। মাত্র ২০১১ সাল থেকে এখানে টেস্ট খেলা হচ্ছে। মাঠের কিছু দুর্নামও রয়েছে। উইকেট কিছুটা শ্লথ গতির। ব্যাটসম্যানরা তেমন একটা সুবিধা পান না। এই মাঠে ২০০৪ সালের চ্যাম্পিয়ন ট্রফির একটি ম্যাচ খেলেছিল বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৫০ ওভারে করা ২৬৯ রানের জবাবে বাংলাদেশের ইনিংস গুটিয়ে গিয়েছিল ১৩১ রানে (৩৯.৩ ওভার)। এবারের বিশ্বকাপে মোট ৫টি ম্যাচের আয়োজন করা হয়েছে এই মাঠে। বাংলাদেশ আফগানিস্তান ম্যাচটি এই ভেন্যুর শেষ বিশ্বকাপ ম্যাচ। আজ সাউদাম্পটনের আকাশ মেঘলা থাকলেও বৃষ্টি হবে না বলেই জানিয়েছে স্থানীয় আবহাওয়া দপ্তর। ফলে দুই প্রতিবেশীর লড়াই দেখতে আসা দর্শকদের বৃষ্টিতে ভেজার আশঙ্কা নেই।

    মন্তব্য করুন

    মন্তব্য

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

    ২৪ জুন ২০১৯

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২
    ১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
    ২০২১২২২৩২৪২৫২৬
    ২৭২৮২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে দশদিক