• শিরোনাম

    জাপানের আশিকাগা শহরে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত

    এইচ এম দুলাল | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ | ৬:৪৬ পূর্বাহ্ণ | পড়া হয়েছে 1869 বার

    জাপানের আশিকাগা শহরে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত

    শীত আসে। সেই সঙ্গে হাজির হয় পিঠা উৎসব। এ সময় টাটকা চালে তৈরি করা হয় বাহারি পিঠা পুলি। পিঠার সেই মৌ মৌ গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে মূলত ঋতুর প্রথম ভাগ থেকে। আমাদের গ্রামবাংলায় একটি প্রবাদ আছে,‘পরের হাতের পিঠা, গালে লাগে মিঠা।’ এ গেল দেশ-প্রাণের কথা। প্রবাসের মা-বোন ও বধূরাও কিন্তু পিঠা তৈরিতে একটুও পিছিয়ে নেই। পিঠা কে না খেতে চায়। পিঠার নাম শুনলেই জিবে পানি এসে যায়। সে জন্য জাপানে বসবাসরত প্রবাসীদের নিয়ে আয়োজন করা হয় তৃতীয় আশিকাগা পিঠা উৎসবের। ১০ ফেব্রুয়ারি রোববার তোচিগি কেনের আশিকাগা সিটিতে বাংলাদেশ কমিউনিটি কিতা কানতোর পক্ষ থেকে ও সুইয়ামা লুবনা ও নোমান সৈয়দের উদ্যোগে এ পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।

    প্রবাসীদের পিঠা খাওয়ার অতৃপ্তি কিছুটা দূর করার পাশাপাশি আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে বাঙালির সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তুলে ধরাও ছিল এই আয়োজনের উদ্দেশ্য। জাপানের বিভিন্ন শহরের ৭০টি পরিবারের ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ২৬০ জন এই পিঠা উৎসবে অংশগ্রহণ করেন। পিঠা উৎসবটি জাপানের কানতো অঞ্চলের বাঙালির এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। নারীদের সবার পরনে ছিল একই রং ও ডিজাইনের বসন্তের শাড়ি। আর পুরুষদের পরনে ছিল বাঙালির প্রিয় পোশাক পাজামা-পাঞ্জাবি।
    মধ্যাহ্নভোজনে ছিল মা-বোন ও বধূদের হাতে তৈরি মজাদার ভর্তার সমাহার। উল্লেখযোগ্য ভর্তার মধ্যে ছিল বেগুন ভর্তা, বরবটি ভর্তা, আলু ভর্তা, ডাল ভর্তা, চিংড়ি ভর্তা, ধনে পাতার ভর্তা, লইট্টা শুঁটকির ভর্তা, টমেটোর চাটনি, আচারি বেগুন, চাপা শুঁটকির ভর্তা, আলু শুঁটকির ভর্তা, মাছ ভর্তা, ব্রকলি ভর্তা, মিষ্টিকুমড়া ভর্তা, খুরি ভর্তা, চিকেন ভর্তা, শুঁটকি ভুনা ও গরুর মাংসের ভুনা। বাচ্চাদের জন্য ছিল চিকেন ফ্রাই ও টুনা মাছের চপ।  ( সূত্র: নিহন বাংলা)



    Facebook Comments Box

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    ০২ এপ্রিল ২০১৯

  • ফেসবুকে দশদিক