• শিরোনাম

    জাপানে রেইওয়া যুগে’র প্রথম জাতীয় নির্বাচন স্মরণীয় করে রাখতে চাই – আবে

    রাহমান মনি | ১০ জুলাই ২০১৯ | ৯:৩৫ পূর্বাহ্ণ | পড়া হয়েছে 90 বার

    জাপানে রেইওয়া যুগে’র প্রথম জাতীয় নির্বাচন স্মরণীয় করে রাখতে চাই – আবে

    জাপানে রেইওয়া যুগে অনুষ্ঠিতব্য প্রথম জাতীয় নির্বাচনে জয়লাভ করে স্মরণীয় করে রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধান মন্ত্রী শিনযো আবে। ২৬ জুন বুধবার নিজ কার্যালয়ে জনাকীর্ণ এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এ আশা ব্যক্ত করেন। তার আগের দিন ( ২৫ জুন ) সংসদের নিন্মকক্ষে বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাবে আবে উতরে যান। যার কারনে নিন্মকক্ষের মধ্যবর্তী নির্বাচন থেকে আবে সরে আসেন।
    জাপান ডায়েট ( পার্লামেন্ট ) এর উচ্চ কক্ষ ২৪২ আসন বিশিষ্ট হলেও ২০১৮ সালে ভোটের মুল্যের সমতা আনতে আরও ৬টি আসন বৃদ্ধি করা হয়।
    আগামী ২১ জুলাই ‘১৯ রোববার জাপানের জাতীয় সংসদের উচ্চ কক্ষের অর্ধেক আসনে অর্থাৎ ১২৪ টি আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ৭৪টি হ’লো নির্বাচনী এলাকার জন্য এবং বাকী ৫০টি আনুপাতিক হারে প্রতিনিধিত্বের।
    আগামী ২০২২ সালের নির্বাচনে বাকী ৩টি আসন যুক্ত করা হবে।
    ৬ বছর মেয়াদি উচ্চকক্ষের এই নির্বাচন প্রতি ৩ বছর পর পর অর্ধেক আসনে হয়ে থাকে। সর্বশেষ ২০১৬ সালের ১০ জুলাই ১২১টি আসনের ভোটে শিনজো আবের দল এলডিপি এককভাবে ৫৫টি এবং অন্যতম শরীকদল কোমেইতো পার্টি পেয়েছিল ১৪টি আসন। অর্থাৎ ৬৯টি আসন তাদের সংরক্ষিত রয়েছে। ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় ২১ জুলাই ২০১৩ উচ্চ কক্ষের অর্ধেক আসন অর্থাৎ ১২১টি আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সেই নির্বাচনে ক্ষমতাসীন জোট সরকার ৭৬টি আসন পেয়েছিল।
    ১০ জুলাই ২০১৬ নির্বাচনী ফলাফলের পর ২৪২টি আসনের চূড়ান্ত ফলাফল হিসেবে আবের এলডিপি ১২৫টি আসন এবং জোট সরকারের অন্যতম শরীক দল কোমেইতো ২৫টি আসন মোট ১৫০টি আসন নিয়ে চালকের ভুমিকায় অবতীর্ণ হয়। আর সম্মিলিত বিরুধী জোট ৯১টি আসন পায়। ১টি আসন শুন্য থাকে।
    সংবাদ সম্মেলনে আবে বলেন, ‘হেইসেই যুগ’ নিঃসন্দেহে জাপানের ইতিহাসে খুব ভালো একটি অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। কিন্তু বর্তমান ‘রেইওয়া যুগ’ কে আরো ভালো স্থান করে নেয়ার দায়িত্ব আমাদের-ই বহন করতে হবে। তার জন্য আমরাও প্রস্তুত। এখন, জাপানী জনগনের উপর নির্ভর করবে তারা কি আমাদের দায়িত্ব দিয়ে আরো ভালো অধ্যায়ের সূচনা করবে, নাকি হেইসেই যুগেই রয়ে যাবে।

    জাপান-ফ্রান্স যৌথ সংবাদ সম্মেলন

    একই দিন প্রধানমন্ত্রী শিনযো আবের কার্যালয়ে জাপান-ফ্রান্স এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন । একই কার্যালয়ে মাত্র দুই ঘণ্টার ব্যাবধানে জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনযো আবে এবং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রো নিজ নিজ বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন।

    ২৬ জুন ‘১৯ টোকিওতে সাংবাদিকদেরকে জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে বলেন, টোকিও ও প্যারিস এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে স্থিতিশীলতা রক্ষায় কাজ করে যেতে সম্মত হয়েছে।
    জাপান ও ফ্রান্সের মধ্যে অনেক বিষয়ে মিল রয়েছে ও আমাদের বিশেষ দায়িত্বও রয়েছে। ‘আমরা আমাদের বিশেষ সম্পর্ক আরো জোরদার করবো সফররত ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রো’র সাথে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে আবে কথাগুলো বলেন।
    আমরা যৌথভাবে সমরাস্ত্র উৎপাদন, সেগুলোর নিয়ন্ত্রন ও রপ্তানি করার বিষয়ে একমত হয়েছি’ তিনি বলেন।
    জাপান ও ফ্রান্স যৌথ ভাবে সমরাস্ত্র তৈরি করতে এক সাথে কাজ করবে। পূর্ব এশিয়াতে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে শুক্রবার দু’দেশের শীর্ষ নেতারা টোকিওতে এ বিষয়ে মতৈক্যে পৌঁছান।
    জি-২০ উপলক্ষ্যে প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রো ২৬ জুন থেকে জাপান সফর শুরু করেন। জি-২০ সামিট ওসাকা ( ২৮ এবং ২৯ জুন ) ২০১৯ এর প্রথম রাস্ট্রীয় অতিথি হিসেবে ফান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রো জাপান সফর শুরু করেন।
    এই সফরে ফান্স এবং জাপানের মধ্যে চারটি চুক্তি সম্পন্ন হয় ।
    জাপান ও ফ্রান্স যৌথ ভাবে সমরাস্ত্র তৈরি করতে এক সাথে কাজ করার ঘোষণা দেয়া হয় সংবাদ সম্মেলনে। পূর্ব এশিয়াতে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে শুক্রবার দু’দেশের শীর্ষ নেতারা টোকিওতে এ বিষয়ে মতৈক্যে পৌঁছান। স্বাভাবিক ভাবেই উত্তর কোরিয়ার বিষয়টি প্রাধান্য পায় উভয় নেতার বক্তব্যে।

    মন্তব্য করুন

    মন্তব্য

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

    ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

    ১৮ এপ্রিল ২০১৯

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩
    ১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
    ২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
    ২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে দশদিক