• শিরোনাম

    ‘জেল হত্যা দিবস’২০১৯ পালনে জাপান আওয়ামীলীগের আলোচনা সভা

    রাহমান মনি | ২০ নভেম্বর ২০১৯ | ১১:২৪ পূর্বাহ্ণ | পড়া হয়েছে 106 বার

    ‘জেল হত্যা দিবস’২০১৯ পালনে জাপান আওয়ামীলীগের আলোচনা সভা

    জাপানে কলঙ্কময় “জেল হত্যা দিবস” যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাব গাম্ভীর্যে পালন করেছে জাপান আওয়ামীলীগ ৩ নভেম্বর, শোকাবহ জেলহত্যা দিবস। মানব সভ্যতার ইতিহাসে কলঙ্কময়, রক্তঝরা ও বেদনাবিধুর একটি দিন।
    জেল হত্যা দিবস ২০১৯ স্মরণে জাপান শাখা আওয়ামীলীগ এক দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করে। জাপান আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক মোঃ ওয়াহেদুল ইসলাম মোল্লা’র পরিচালনায় ৩ নভেম্বর ২০১৯ টোকিওর কিতা সিটি আকাবানে বিভিও হল-এ আয়োজিত জাপান আওয়ামীলীগ সভাপতি সালেহ মোঃ আরিফ এর সভাপতিত্বে আয়োজিত আলোচনা সভায় মঞ্চে আরো উপস্থিত ছিলেন সহ সভাপতি সনত বড়ুয়া, সহ সভাপতি হারুন উর রশিদ, সহ সভাপতি মোঃ জাকির হোসেন জোয়ারদার এবং সাধারন সম্পাদক খন্দকার আসলাম হিরা। সভার শুরুতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, ‘৭৫ এ তার পরিবারের নিহত সকল সদস্যবৃন্দ জাতীয় চার নেতা, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট হত্যাকাণ্ডে শিকার এবং ১৯৫২ সাল থেকে স্বাধিকার আন্দোলনে নিহত সকলের আত্মার প্রতি সন্মান জানিয়ে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

    একই দোয়া মাহফিলে জাপানে সদ্য প্রয়াত প্রবাসী মোঃ মাহবুবুর রহমান এবং জাপান আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক খন্দকার আসলাম হিরার বড় বোন এর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে দোয়া প্রার্থনা করা হয়। দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন হাজী মোহাম্মদ আকতার হোসেন।



    আলোচনায় অংশ নিয়ে দিবসটির তাৎপর্যে বক্তব্য রাখেন আব্দুল কুদ্দুস, মোঃ মাসুম হোসেন, ফয়সাল ইমতিয়াজ, যুবরাজ, ডাঃ তাজবীর আহমেদ, তপন কুমার ঘোষ, গুল মোহাম্মদ ঠাকুর, মরিতা মনি, মাসুদ আলম পারভেজ, হারুন মোল্লা, নাজমুল হোসেন রতন, কাম্রুল আহসান জুয়েল, আব্দুর রাজ্জাক, মোঃ মাসুদুর রহমান মাসুদ, জাকির হোসেন জোয়ারদার, মোঃ হারুন উর রশিদ, সনত বড়ুয়া খন্দকার আসলাম হিরা প্রমুখ ।

    ৩ নভেম্বর জাতির জীবনে এক কলঙ্কময় দিন উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর ৩ নভেম্বর মধ্যরাতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের নির্জন প্রকোষ্ঠে জাতীয় চার নেতা,বঙ্গবন্ধুর একান্ত সহচর এবং মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও পরিচালক বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, মন্ত্রিসভার সদস্য ক্যাপ্টেন এম, মনসুর আলী এবং ,এ, এই্‌ এম, কামরুজ্জামানকে নির্মম ও নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়।

    তারা বলেন , ইতিহাসের এই নিষ্ঠুর হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় শুধু বাংলাদেশের মানুষই নয়, স্তম্ভিত হয়েছিল সমগ্র বিশ্ব। বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার হত্যাকাণ্ড ছিল একই ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতা। হত্যাকারী ও তাদের দোসররা চেয়েছিল পাকিস্তান ভাঙার প্রতিশোধ নিতে, রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ ও সীমাহীন ত্যাগের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জনকারী দেশটিকে হত্যা ও ষড়যন্ত্রের আবর্তে নিক্ষেপ করতে। তাদের উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশের মধ্যে এক মিনি পাকিস্তান সৃষ্টি করা।

    তারা আরো বলেন, গোলাম আজমের জানাজায় লাখো লোক হয়। এটা বাঙ্গালী হিসেবে আমাদের জন্য লজ্জাস্কর। বাংলাদেশে পাকিস্থানের পেতাত্মা রাজাকারের বংশধররা এখনো নির্বিঘ্নে ঘুরে বেড়ায় , এদের প্রজন্ম এই জাপানেও অবস্থান করছে। সুযোগ পেলেই তারা ছোবল মারবে। এদের এখনই যদি স্তব্ধ করা না যায়, তাহলে নিজেদের অস্তিত্ব আর থাকবে না।

    সভাপতি সালেহ মোঃ আরিফ তার সমাপনী বক্তব্যে জেল ইতিহাসের কলঙ্কিত এবং বর্বরোচিত হত্যাকান্ডের উপর বিস্তারিত আলোচনা করে জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন। সভাপতি আরো বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা দুর্নীতির বিরুদ্ধে যে ক্রাশ প্রোগ্রাম হাতে নিয়েছেন জাপান আওয়ামীলীগ তার সাথে সম্পূর্ণ একমত।

    মন্তব্য করুন

    মন্তব্য

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    ০২ এপ্রিল ২০১৯

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩
    ১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
    ২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
    ২৮২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে দশদিক