• শিরোনাম

    টোকিও অলিম্পিক ২০২০- এর পদক উন্মোচন

    | ২৯ জুলাই ২০১৯ | ১২:০৪ পূর্বাহ্ণ | পড়া হয়েছে 103 বার

    টোকিও অলিম্পিক ২০২০- এর পদক উন্মোচন
    জাপান থেকে রাহমান মনি:

    আসন্ন টোকিও অলিম্পিক ২০২০- এর পদক আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করা হয়েছে। ২৪ জুলাই বুধবার বিপুল সংখ্যক সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে জনসম্মুখে ৩টি ( স্বর্ণ ,রৌপ্য এবং ব্রোঞ্জ ) পদক  উন্মোচন করা হয়। একই সাথে শুরু হয়ে যায় ৩৬৫ দিনের সময় গণনা ( কাউন্ট ডাউন )।

    আসন্ন টোকিও অলিম্পিকে বিভিন্ন বিভাগে বিজয়ীদের মধ্যে এ পদক দেয়া হবে।
    পদক উন্মোচন পরবর্তী জাপান ফরেন প্রেস সেন্টার কর্তৃক আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান বক্তা হিসেবে আমন্ত্রিত হয়ে টোকিওর গভর্নর ইয়ুরিকো কোইকে আসন্ন  গ্রীষ্মকালীন টোকিও অলিম্পিক ও প্যারা অলিম্পিক ২০২০ সার্বিক অগ্রগতি তুলে ধরেন। সংবাদ সম্মেলনে  কোইকে নিজেই ইংরেজী এবং জাপানী দুই ভাষাতেই বক্তব্য রাখেন।

    টোকিও অলিম্পিক শুরু হওয়ার ঠিক এক বছর পূর্বে ২৪ জুলাই ‘১৯ বুধবার জাপানের রাজধানী টোকিওতে জমকালো এক অনুষ্ঠানে পদক উন্মোচন করা হয়। পদকের নকশা করেছেন জুনইচি কাওয়ানিশি।
    অলিম্পিকের পদক তৈরি করার জন্য জাপান এক প্রতিযোগীতার আয়োজন করেছিল। সারাবিশ্ব থেকে পেশাদার প্রায় ৪০০ ডিজাইনার প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণ করে।  তাদের মধ্যে সেরা নির্বাচিত হন জুনইচি কাওয়ানিশি।

    অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ছাড়াও আরো  উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির সভাপতি টমাস বাখ ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে।

    পদকগুলো বানানো হয়েছে আগে ব্যবহার করা পণ্যের ধাতু দিয়ে। পুরো জাপানে ৬২ লাখ ১০ হাজার (  ৬.২১ মিলিয়ন ) ব্যবহৃত মোবাইল এর ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস থেকে এই ধাতু সংগ্রহ করা হয়েছে। পদকগুলির ব্যাস ৮৫ মিলিমিটার।  এতে গ্রীক জয়ের দেবী নাইকির পাশাপাশি অলিম্পিকের প্রতীক রয়েছে।  মোট ৫০০০ সোনা, রৌপ্য ও ব্রোঞ্জ পদক তৈরি করা হয়েছে টোকিও অলিম্পিকের জন্য।
    এই পদকগুলির ওজন ৪৫০ গ্রাম থেকে ৫৫৬ গ্রাম। মোবাইল বর্জ্য দিয়ে এসব পদক তৈরি করায় পরিবেশের ভারসাম্য যেমন রক্ষা হয়েছে, তেমনই আইটি বর্জ্যের হাত থেকে রেহাই পেয়েছে পৃথিবী।
    মোবাইল ফোনের সার্কিটে সোনা-রুপোর মতো ধাতু ব্যবহার করা হয়। সেই ধাতব সার্কিট থেকে সোনা,রুপো ও ব্রোঞ্জ আলাদা করে পদক তৈরির কাজে লাগানো হয়েছে। প্রায় ২ বছর ধরে ফোন থেকে প্রায় ৮০ হাজার মেট্রিক টন বর্জ্য থেকে মেটাল বের করা হয় এবং পদকগুলি তৈরি করা হয়। মোট ১৩০০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ২১০০ ইলেকট্রনিক্সের দোকান থেকে এই পুরনো মোবাইলগুলি একত্রিত করে মোট ৩০.৩ কেজি সোনা, ৪১০০ কেজি রুপো, ২৭০০ কেজি ব্রোঞ্জ সংগ্রহ করা হয়। এবছর মার্চ এর মধ্যে ধাতু সংগ্রহের কাজ শেষ হয় এবং তারপর শুরু হয় মেডেল তৈরির কাজ।

    জাপান জাতীয় সম্প্রচার সংস্থা ( এন,এইচ,কে ) তথ্য মোতাবেক , আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি কর্তৃক বেধে দেয়া শর্ত মোতাবেক সম্মুখভাগে গ্রীক পুরাণে বিজয়ের দেবী ‘নাইকি’ এর মুখ এবং মুখের উপরের অংশে অলিম্পিক লোগো ও ক্রীড়ার আনুষ্ঠানিক নাম এবং উল্টো দিকে টোকিও অলিম্পিক এর প্রতীক ব্যবহার করা হয়েছে।
    প্রতিটি স্বর্ণ পদকে ৬ গ্রাম স্বর্ণ ব্যাবহার করা হয়েছে।
    ২০২০ সালের ২৪ জুলাই পর্দা উঠবে জাপান অলিম্পিকের এবং যবনিকাপাত ঘটবে ৯ আগস্ট ২০২০ এ ।

    সুত্র – সরজমিন এবং জাপান মিডিয়া

    সৌজন্যে : সাপ্তাহিক

    মন্তব্য করুন

    মন্তব্য

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    ০২ এপ্রিল ২০১৯

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
    ৩১  
  • ফেসবুকে দশদিক