• শিরোনাম

    তাওবার গুরুত্ব ও ফজিলত

    মুহাম্মাদ জাবের হুসাইন | ০২ সেপ্টেম্বর ২০২০ | ৬:৫১ অপরাহ্ণ | পড়া হয়েছে 608 বার

    তাওবার গুরুত্ব ও ফজিলত

    ১. আল্লাহ রাব্বুল আলামিন পৃথিবীতে মানবজাতি সৃষ্টি করার সাথে সাথে দু’টি জিনিস ও সৃষ্টি করেছেন। একটি ‘আমলে সালিহ’ তথা : শুভ কাজ, অপরটি ‘বদ-আমল’ তথা মন্দ কাজ।
    ‘আমলে সালিহ’ বা ভালো কাজের ক্ষেত্রে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আপন বান্দাহকে তার আমলের পরিমাণের চেয়েও বেশি প্রতিদান দেন। কারণ, তিনি যে রাহিম!
    অপর দিকে ‘বদ-আমল’ বা খারাপ কাজের ক্ষেত্রে এর উল্টো। যে পরিমাণ খারাপ কাজ হয়ে গেছে কেবল সে পরিমাণই তাকে শাস্তি দেয়া হয়। কারণ, তিনি যে আহকামুল হাকিমিন!
    ২. ভালো কাজের জন্য যেরূপ পরপারে রয়েছে মহাসুখ ঠিক তেমনি মন্দ কাজের জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি ।
    আর সেই কঠিন শাস্তি থেকে বাঁচার জন্য রাব্বুল আলামিন মুমিনদের জন্য একটি পথ বাতলে দিয়েছেন; তাওবা।
    পাপ-পঙ্কিলতা যেমন মানুষের জীবনের অবিচ্ছেদ্য একটি অংশ তেমনি তাওবাও মনুষ্য জাতির জীবনের অবিচ্ছেদ্য এক অংশ।
    ৩. তাওবার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে আল্লাহ রাব্বুল আলামিনকে রাজি করিয়ে নিজের পাপ মোচন করানো ।
    কোনো মুমিনের প্রতি যদি স্বয়ং আল্লাহ্ খুশি থাকেন, তাহলে তার জীবনে আর কী চাই! তাওবা করলে আল্লাহ্ তায়ালা খুশি হন।
    আল্লাহর খুশির বর্ণনা দিতে গিয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাদিস শরিফে ইরশাদ করেন, ‘আল্লাহ তাঁর বান্দার তাওবায় খুব বেশি খুশি হন। যখন সে (বান্দা) তাওবা করে; আল্লাহ সেই ব্যক্তির চেয়েও বেশি খুশি হন যার আরোহণের বাহনটি থাকে নির্জন এক মরুভূমিতে; যে বাহনে তার যাবতীয় খাদ্য-পানীয় থাকে, অনন্তর সেই বাহনটি (কোথাও) পালিয়ে যায়। তখন সে (মরু-আরোহী) বাহনটির প্রাপ্তির ব্যাপারে নিরাশ হয়ে একটা বৃক্ষের ছায়ায় এসে শুয়ে পড়ে। এমতাবস্থায় অকস্মাৎ সে তার বাহনটিকে তার কাছে দণ্ডায়মান দেখতে পায়! আর সে বাহনটির লাগাম ধরে আনন্দের আতিশয্যে বলে উঠে, ‘হে আল্লাহ! তুমি আমার গোলাম, আমি তোমার খোদা!’ (সহিহ মুসলিম-তাওবা অধ্যায়)
    ৪. স্বভাবত একজন মুমিন কখনো এমনটি বলতে পারে না; কল্পনাও করা যায় না। স্ব-জ্ঞানে তো নয়ই, অজ্ঞাতেও এমনটি বলা বড় কঠিন। খেয়াল করে দেখুন তো, সেই আরোহী তবে কতটা খুশি হয়েছে!
    আর খুশি হবেইবা না কেন, যেখানে সে নিশ্চিত মৃত্যুর মুখে ছিল। সেই ব্যক্তির খুশির পরিমাপ করে দেখা গেলে অন্য শত মানুষের খুশির চেয়ে তার খুশির পাল্লা ভারী হবে। আল্লাহ্ রাব্বুল আলামিন তাঁর বান্দা যখন অনুতপ্ত হয়ে মহান রবের কাছে তাওবা করে তখন ওই ব্যক্তির চেয়েও বেশি খুশি হন। আল্লাহু আকবার!
    আল্লাহ আমাদের সবাইকে বেশি বেশি তাওবা করার তাওফিক দিন। আমিন।
    লেখক : গবেষক

    Facebook Comments



    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

    ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

    ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

    ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০

    ১১ সেপ্টেম্বর ২০২০

    ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

    ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

    ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

    ২৪ এপ্রিল ২০২০

    ০৩ এপ্রিল ২০১৯

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
    ৩১  
  • ফেসবুকে দশদিক