• শিরোনাম

    ধেয়ে আসছে তাইফুন হাইশেন, প্রস্তুতি কেমন হওয়া উচিত?

    | ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ | ৩:১১ অপরাহ্ণ | পড়া হয়েছে 220 বার

    ধেয়ে আসছে তাইফুন হাইশেন, প্রস্তুতি কেমন হওয়া উচিত?

    এবারের খবরটি বিশেষ করে জাপানে বসবাস করা বিদেশিদের জন্য অপরিহার্য।

    জাপানের আবহাওয়া এজেন্সি সতর্কতার এক অস্বাভাবিক পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে। তাদের মতে তাইফুন হাইশেন এক বিস্তৃত এলাকা জুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কারণ হতে পারে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে নিজেদের রক্ষা করার জন্য আমাদের কী ধরনের প্রস্তুতি নেয়া উচিত?



    প্রথমত, আমাদের একটি হ্যাজার্ড ম্যাপ সংগ্রহে রাখতে হবে যেখানে আমরা দেখতে পারবো, আশপাশের কোন কোন এলাকা বিপজ্জনক। তাইফুনের সময়ে প্রচণ্ড বাতাস, উত্তাল ঢেউ ও জলোচ্ছ্বাসের সাথে মুষলধারে বৃষ্টির কারণে ভূমিধ্বস, নদীর পানি উপচে পড়া এবং নগর এলাকায় বন্যা দেখা দিতে পারে।

    ভূমি মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষগুলোর প্রণীত হ্যাজার্ড ম্যাপ ব্যবহার করে আশ্রয়কেন্দ্রের অবস্থান এবং সেখানে যাওয়ার নিরাপদ একটি যাত্রাপথ আগেই আমাদের পরীক্ষা করে রাখা উচিত।

    কখন আমাদের আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যাওয়া শুরু করা উচিত?
    ঝড়ো হাওয়া এবং ভারী বর্ষণ সহ তাইফুন কাছাকাছি চলে আসার পরে আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার চেষ্টা করা বিপজ্জনক। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার আগেই আরও নিরাপদ একটি স্থানে চলে চাওয়ার পদক্ষেপ হাতে নেয়া উচিত। টেলিভিশন, রেডিও এবং ইন্টারনেট দেখার মাধ্যমে স্থানীয় কর্তৃপক্ষগুলোর সরবরাহ করা অন্যত্র সরে যাওয়া সংক্রান্ত তথ্যের ব্যাপারে আমাদের হালনাগাদ থাকা উচিত।

    তবে, ভিড়ের স্থানে অবস্থান করার কারণে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকির ব্যাপারটিও অবশ্যই আমাদের মাথায় রাখতে হবে। “বাড়িতে আশ্রয় নেয়া”র পরামর্শ দেয়া হচ্ছে যদি কেউ বহুতল ভবনের উপরের দিকের তলাতে থাকেন বা কারু বাড়ি যদি উঁচু জমিতে হয়। আত্মীয়-স্বজন বা পরিচিতদের বাড়ি বা হোটেল অথবা সরাইখানার মত গণআবাসন এলাকায় চলে যাওয়াটাও ইতিবাচক বিবেচনা।

    যখন আমরা অন্যত্র আশ্রয় নেব তখন আমাদের কী কী সাথে নেয়া উচিত?

    প্রথমে আমাদের কাছে বেশ কয়েকদিন খাওয়া যায় এমন পরিমাণ পানি এবং জরুরি পরিস্থিতির জন্য খাবার থাকার পাশাপাশি নগদ অর্থ থাকতে হবে। দৈনন্দিন ব্যবহার্য জিনিসপত্র এবং ওষুধ নেয়ার কথাও ভুললে চলবে না। প্রতিনিয়ত দুর্যোগ সংক্রান্ত তথ্য পাওয়ার জন্য আমাদের অবশ্যই একটি বহনযোগ্য রেডিও ও বিদ্যুৎ চলে গেলে স্মার্টফোন চার্জ করার চার্জারও সাথে রাখতে হবে। একটি ফ্লাশলাইটও অপরিহার্য।

    করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য আমাদের মুখের মাস্ক, জীবাণুনাশক এবং একটি তাপমান যন্ত্রও প্রস্তুত রাখা দরকার।

    আমাদের বাড়ির আশপাশের এলাকা পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা উচিত এবং এটা নিশ্চিত করা উচিত যে বিপজ্জনক হতে পারে এমন কোন জিনিস যেন সেখানে না থাকে।

    যখন নিরাপদ আশ্রয়ে যাবেন তখন একটি নিরাপদ স্থান এবং সাথে নেয়ার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ব্যক্তি ভেদে ভিন্ন ভিন্ন হবে। আপনার এলাকায় তাইফুন আঘাত হানার আগেই নিজস্ব পরিস্থিতির সাথে মানানসই জিনিসপত্রের প্রস্তুতি এখন থেকেই নিতে শুরু করে দিন।

    Facebook Comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

    ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
    ৩১  
  • ফেসবুকে দশদিক