• শিরোনাম

    নাগাসাকিতে পোপ ফ্রান্সিসের একটি পরমাণু অস্ত্র মুক্ত বিশ্ব গড়ার আহ্বান

    | ২৫ নভেম্বর ২০১৯ | ৩:৪৯ অপরাহ্ণ | পড়া হয়েছে 70 বার

    নাগাসাকিতে পোপ ফ্রান্সিসের একটি পরমাণু অস্ত্র মুক্ত বিশ্ব গড়ার আহ্বান

    পোপ ফ্রান্সিস নাগাসাকি সফর করেছেন এবং সেখানে তিনি পরমাণু অস্ত্রকে “স্বর্গের দিকে চিৎকাররত অপমান” আখ্যায়িত করে সেগুলো বিলুপ্তির আহ্বান জানিয়েছেন।

    উল্লেখ্য, প্রায় ৪০ বছরের মধ্যে এবারই প্রথম একজন দায়িত্ব পালনরত পোপ জাপানে এসে আণবিক বোমা হামলার শিকার দুই শহর হিরোশিমা ও নাগাসাকি সফর করছেন।



    আজ সকালে পোপ ফ্রান্সিস নাগাসাকিতে এসে পৌঁছান। ৮২ বছর বয়সী পোপ পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের এক আবেগপূর্ণ সমর্থক হিসেবেও পরিচিত।

    ৭৪ বছর আগে মার্কিন বাহিনীর বোমা বর্ষণের স্থান চিহ্নিত করে রাখা একটি পার্কে তিনি যান।

    ভারী বর্ষণ সত্ত্বেও আণবিক বোমা হামলা থেকে বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের পাশাপাশি অন্যান্য আমন্ত্রিত ব্যক্তিরা তার শান্তির বাণী শোনার জন্য সেখান সমবেত হন। উল্লেখ্য, ১৯৪৫ সালের ৯ই আগস্ট নাগাসাকিতে হওয়া হামলায় ঐ বছরের শেষ নাগাদ প্রায় ৭০ হাজার ব্যক্তি নিহত হন।

    তার বক্তব্যের একটি অংশ ছিল এরকম:

    “আমরা মানবজাতি একে অপরের উপর কিরকম যন্ত্রণা এবং ভীতিকর অভিজ্ঞতা চাপিয়ে দিতে পারি, এই স্থান সেই সম্পর্কে আমাদের গভীরভাবে সচেতন করে তোলে। সম্প্রতি নাগাসাকির গির্জায় আবিষ্কৃত ধ্বংসপ্রাপ্ত ক্রুশ এবং মাদার মেরির মূর্তি আমাদের আবারও স্মরণ করিয়ে দেয় যে বোমা হামলার শিকার ব্যক্তিদের রক্তমাংসের শরীরের পাশাপাশি তাদের পরিবার সমূহ কি রকম অবর্ণনীয় ভীতিকর পরিস্থিতির শিকার হয়েছিল।

    এছাড়াও, পোপ পরমাণু নিষিদ্ধকরণের একটি চুক্তি’সহ আন্তর্জাতিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ কাঠামোর সমর্থনে নিজের প্রতিশ্রুতির কথাও উল্লেখ করেন।

    তিনি বিশ্ব নেতৃবৃন্দকে এই ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

    “পরমাণু অস্ত্র মুক্ত একটি বিশ্ব সম্ভব এবং দরকারি, এ ব্যাপারে আশ্বস্ত আমি রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের কাছে এটি বিস্মৃত না হওয়ার আহ্বান জানাই যে বর্তমান জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা হুমকি থেকে এই অস্ত্রসমূহ আমাদের সুরক্ষা দিতে পারবে না। বিশেষ করে, একটি মানবিক এবং পরিবেশগত অবস্থান থেকে সেগুলো মোতায়েনের সর্বনাশা প্রভাব নিয়ে ভাবার পাশাপাশি পরমাণু তত্ত্ব প্ররোচিত ভীতি, অবিশ্বাস এবং শত্রুতার একটি উচ্চকিত পরিবেশকে বাতিলের প্রয়োজন আমাদের রয়েছে।”

    এছাড়া নাগাসাকিতে পোপ ফ্রান্সিস জাপানের ক্যাথলিক ধর্মাবলম্বীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ১৬শ শতকে নিজেদের বিশ্বাসের জন্য ক্রুশবিদ্ধ ২৬ জন খৃষ্ট-ধর্মাবলম্বীর স্মরণে নির্মিত একটি স্মারক স্তম্ভের স্থানটিও পরিদর্শন করেন।

    ঐ স্থান সফরের পর নাগাসাকির একটি বেসবল স্টেডিয়ামে পোপ একটি গণ প্রার্থনা পরিচালনা করেন।

    মন্তব্য করুন

    মন্তব্য

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

    ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩
    ১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
    ২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
    ২৮২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে দশদিক