• শিরোনাম

    রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় পারভেজ মোশাররফের মৃত্যুদণ্ড

    | ১৮ ডিসেম্বর ২০১৯ | ৭:৪১ পূর্বাহ্ণ | পড়া হয়েছে 149 বার

    রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় পারভেজ মোশাররফের মৃত্যুদণ্ড

    পাকিস্তানের সাবেক সামরিক শাসক জেনারেল পারভেজ মোশাররফের মৃত্যুদন্ডের আদেশ দিয়েছে পাকিস্তানের একটি বিশেষ আদালত। রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় তার বিরুদ্ধে এ রায় দেয় তিন জন বিচারকের সমন্বয়ে গঠিত আদালত। তার বিরুদ্ধে দায়ের করা এ মামলাটি ২০১৩ সাল থেকে ঝুলে ছিলো। পাকিস্তানের ইতিহাসে বেসামরিক আদালতে এই প্রথম কোনো সামরিক ব্যক্তিত্বের বিচার ও রায় প্রকাশ করা হলো। তবে মোশাররফ বলেছেন তার বক্তব্য না শুনেই রায় দিয়ে দেয়া হয়েছে।

    মামলার বিস্তারিত:২০০৭ সালের নভেম্বর মাসে মোশাররফ সংবিধান স্থগিত করে জরুরি আইন জারি করেন। এই ঘটনায় পাকিস্তানে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। ইমপিচমেন্ট এড়াতে ২০০৮ সালে পদত্যাগ করেন তিনি। তার জন্য আরো দুঃসংবাদ হয়ে আসে ২০১৩ সালের নির্বাচন। সেই নির্বাচনে জিতে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন নওয়াজ শরীফ যাকে সামরিক অভ্যুত্থানে উত্খাত করেছিলেন মোশাররফ। নওয়াজ পুনরায় ক্ষমতায় এলে ২০১৪ সালের মার্চ মাসে মোশাররফের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা দায়ের হয়। পাকিস্তানের আইন অনুযায়ী, রাষ্ট্রদ্রোহের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড।



    রিভিউ করবে পাকিস্তান: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বিশেষ সহকারী ফেরদৌস আশিক আওন বলেছেন, মোশাররফকে দেয়া বিশেষ আদালতের মৃত্যুদন্ডের আদেশটি রিভিউ করবে সরকার। প্রধানমন্ত্রী দেশে ফেরার পর আইনি বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। মঙ্গলবার রায় প্রকাশের পর তাত্ক্ষণিকভাবে ইসলামাবাদে সাংবাদিকদের এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। ইমরান খান সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে সফরে আছেন।

    মোশাররফের ক্যারিয়ার:১৯৯৮ সালে তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রধান নিযুক্ত হন। ১৯৯৯ সালের মে মাসের কারগিল যুদ্ধে সেনাবাহিনীর জড়িত থাকা নিয়ে তখনকার প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের সাথে সম্পর্কে ফাটল ধরে জেনারেল মোশাররফের। এর ধারাবাহিকতায় ওই বছরই রক্তপাতহীন এক ক্যু’র মাধ্যমে ক্ষমতায় আরোহন করেন মোশাররফ। ২০০৮ সাল পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট ছিলেন তিনি। এই সময়ের মধ্যে একাধিকবার আততায়ীর হামলা থেকে রক্ষা পেয়েছেন তিনি।

    যুক্তরাষ্ট্রের ‘সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে’ সমর্থন ও ভূমিকা পালনের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে সুপরিচিত ছিলেন জেনারেল মোশাররফ। যদিও একারণে স্বদেশে ব্যাপক বিরোধিতার শিকার হতে হয় তাকে। ২০১৩ সালের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার তিনি দেশে ফিরে আসেন। কিন্তু আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে ব্যর্থ হন। অসুস্থ থাকার মামলার শুনানিতে মাত্র দু’বার হাজিরা দিয়েছিলেন তিনি। ২০১৪ সালের এপ্রিলে তিনি করাচিতে চলে আসেন। সেখানে দুবছর থাকার পর আবার দেশত্যাগ করেন।

    Facebook Comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

    ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

    ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

    ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০
    ১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
    ১৮১৯২০২১২২২৩২৪
    ২৫২৬২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে দশদিক