| ১১ নভেম্বর ২০১৮ | ১০:২৭ পূর্বাহ্ণ | পড়া হয়েছে 2422 বার
বাংলাদেশর দরজায় কড়া নাড়ছে বহুল প্রতিক্ষিত একাদশ জাতীয় নির্বাচন। ক্রমশ এগিয়ে আসছে ভোটের দিন ক্ষন । ভোট নাগরিকের মৌলিক অধিকার। ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতার পরিবর্তন হয়। এ পরিবর্তন যেন দুর্নীতিকে এগিয়ে না আনতে পারে। অব্যাহত উন্নয়নের শৃঙ্খলা ধরে রাখতে হবে।
উন্নয়নের অর্থ দুর্নীতির মাধ্যমে যাতে অন্যের পকেটে ঢুকতে না পারে সে দায়িত্ব কঠিনভাবে পালন করতে হবে জনগণকে। যুগ যুগ ধরে যারা দুর্নীতির মাধ্যমে পকেট ভর্তি করেছে, আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে এ জাতীয় প্রার্থীদের বয়কট করতে হবে। তাদের সম্পর্কে সজাগ থাকতে হবে রাজনৈতিক দল এবং জনগণকে। এবারের জাতীয় নির্বাচনে যারা জয়ের মালা গলায় ধারণ করবেন, তারা যেন সৎ, যোগ্য, আদর্শবান, দেশপ্রেমিক লোক এটাই সকলের প্রত্যাশা। একটি সুষ্ঠ নির্বাচনের সঙ্গে দেশের এবং দেশের মানুষের সার্বিক উন্নয়নের সম্পর্ক জড়িত।
নির্বাচিত প্রতিনিধি ছাড়া অন্য কেউ উন্নয়ন করতে পারে না। উন্নয়ন আর নির্বাচন দুর্নীতিমুক্ত না হলে সেখানে সঠিক উন্নয়ন জনগণ দেখতে পায় না। যতই দিন যাচ্ছে ততই নির্বাচনী হাওয়া মাঠে বইতে শুরু করেছে। আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে অনেকেই শঙ্কা ও আতঙ্কের মধ্যে আছেন। নির্বাচন-পূর্ব কোনো সহিংসতা, অস্থিরতা বা রাজনৈতিক টানাপড়েন সৃষ্টি হয় কিনা? তবে এহেন কোনো অবাঞ্ছিত পরিস্থিতির উদ্ভব হলে বা কেউ সৃষ্টি করতে চাইলে তাদের পরিণাম হয়তো ভালো হবে না। জনগণই তাদের উচিত জবাব দিয়ে দিবেন। কেউ জনগণকে নিয়ে তামাশা বা টালবাহানা করতে চাইলে জনগণ তাদের অবশ্যই প্রত্যাখ্যান করবে। পরিষ্কার পানিকে ঘোলাটে করে যদি কেউ ফায়দা নেয়ার চেষ্টা করে বা নির্বাচনকে ঘোলাটে করে বা জটিল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চাইলে প্রকারান্তরে জনগণ তাদের উচিত শিক্ষা দেবে। এক্ষেত্রে জনগণ তাদের সস্তা জনপ্রিয়তায় কোনো আন্দোলন বা সরকার উৎখাতের জন্য বেপরোয়া হয়ে শৃঙ্খলা পরিপন্থী কোনো কাজে এগিয়ে আসবে না। ইতোমধ্যে অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষক আগামী নির্বাচনের বিষয়ে বিভিন্ন মতামত দিয়ে যাচ্ছেন। তাদের কেউ কেউ জোট ও ভোটের রাজনীতির কথা বলছেন, নির্বাচন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের পরিবেশ ও পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলছেন, সব আসনে জয়লাভে আকাক্সক্ষার কথা বলছেন, নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতার কথা বলছেন, কেউ কেউ জাতীয় নির্বাচন ও আন্দোলন নিয়ে কথা বলছেন এবং কেউ বা গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ইত্যাকার বিভিন্ন প্রাসঙ্গিক প্রশ্নে জনগণের উদ্দেশে বক্তব্য ও মতামত দিয়ে যাচ্ছেন। তবে একাদশ জাতীয় নির্বাচন নিয়ে অধিকাংশ জনগণ যেভাবে ভাবছেন এবং যে আকাক্সক্ষা, প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির দাবিতে সোচ্ছার তা নিম্নে তুলে ধরা হলো। জনগণ একটি সুষ্ঠু, সুন্দর, অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন চায়। যেখানে জনগণের স্বাধীন মতামত প্রতিফলিত হবে। জনগণ একটি স্বতঃস্ফূর্ত ও উৎসবমুখর পরিবেশে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আশা করে। নির্বাচন যেন প্রতারণা ও কারচুপিমুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠিত হতে পারে জনগণ বরাবরই সেটা আশা করে। একাদশ জাতীয় নির্বাচন দেশের স্বাধীনতার সার্বভৌমত্ব ও জনগণের জন্য অতীব গুরুত্বপূর্ণ একটি নির্বাচন।
অতীতের যে কোনো নির্বাচনের চেয়ে এ নির্বাচন অধিক গুরুত্ব বহন করে। তাই দেশ ও জনগণ সরকারের স্বার্থেই দুর্নীতিবাজ কালো টাকার মালিক অসৎ শ্রেণির লোক ও দলকে বয়কট করার শপথ এখন থেকেই গ্রহণ করতে হবে। তাহলেই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে। দুর্নীতির শক্তি দুর্বল হবে এবং মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারবে না। এ দায়িত্ব সম্মিলিতভাবে দেশপ্রেমিক সব শ্রেণি ও পেশার মানুষকে পালন করতে এগিয়ে আসতে হবে। তবেই নির্বাচন ও উন্নয়ন জাতির জন্য সফলতা বয়ে আনবে।
| শনি | রবি | সোম | মঙ্গল | বুধ | বৃহ | শুক্র |
|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ | ২ | ৩ | ৪ | |||
| ৫ | ৬ | ৭ | ৮ | ৯ | ১০ | ১১ |
| ১২ | ১৩ | ১৪ | ১৫ | ১৬ | ১৭ | ১৮ |
| ১৯ | ২০ | ২১ | ২২ | ২৩ | ২৪ | ২৫ |
| ২৬ | ২৭ | ২৮ | ২৯ | ৩০ | ||