| ১৩ অক্টোবর ২০২১ | ২:২৫ অপরাহ্ণ | পড়া হয়েছে 840 বার
সম্প্রতি ই-কমার্সের নামে হাজারো মানুষকে প্রতারিত করার খবর প্রকাশ হচ্ছে। অনলাইন প্লাটফর্ম ব্যবহার করে কিছু লোক স্রেফ জালিয়াতির মাধ্যমে কিভাবে সরলমনা দুর্বল বিবেচনাবোধের মানুষের পকেট থেকে কয়েক হাজার কোটি টাকা মেরে দিলো সেটি প্রকাশ পেয়েছে। এগুলো সিন্ডিকেটেড অপরাধ। এসব প্রতারককে বিচ্ছিন্নভাবে দোষী সাব্যস্ত করে সরকার এ থেকে দায়মুক্ত হয়ে হাত গুটিয়ে থাকতে পারবে না। শুধু অনলাইনে নয়, এ ধরনের প্রতারণা ছেয়ে গেছে সব জায়গায়, সব খাতে। গত ৭ অক্টোবর এ ধরনের আরেকজন প্রতারককে কয়েক সহযোগীসহ গ্রেফতার করা হয়েছে রাজাধানী থেকে। তার প্রতারণার যে বিস্তৃত জালের খবর মিডিয়ায় প্রকাশ পেয়েছে তাতে বোঝা যায়, বর্তমানে প্রতারণার শিকড় রাষ্ট্র ও প্রশাসনের খুব গভীরে গেড়েছে।
আবদুুল কাদের চৌধুরী নামে এক প্রতারকের কার্যক্রম থেকে স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে, প্রকাশ্যে কিভাবে দেশে প্রতারণা করা যাচ্ছে। বছরের পর বছর মানুষকে নানাভাবে প্রতারিত করা হলেও তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেই। ভুক্তভোগীরা বড় অঙ্কের অর্থ হারানোর পর বুঝতে পারেন তারা প্রতারকের পাল্লায় পড়েছেন। নানা তদবির, প্রচেষ্টা করে তারা যখন জানতে পারেন প্রতারকের হাত এতটা লম্বা যে, হারানো অর্থ ফেরত পাওয়া যাবে না, তখন নীরব হয়ে যান। অন্য দিকে মদদ পাচ্ছে জালিয়াত চক্র। তাদের হচ্ছে বাড়বাড়ন্ত। পরিণতিতে চার দিকে এখন অজস্র্র প্রতারক। সর্বশেষ প্রতারক একজন অতিরিক্ত সচিবের পরিচয় ব্যবহার করতেন। আবদুল কাদের চৌধুরী নামটি ওই অতিরিক্ত সচিবের। তার গাড়িতে মন্ত্রণালয়ের স্টিকার ও ফ্লাগস্ট্যান্ড লাগানো থাকত। সচিবালয়ে যখন তখন গাড়ি হাঁকিয়ে ঢুকতেন।
| শনি | রবি | সোম | মঙ্গল | বুধ | বৃহ | শুক্র |
|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ | ২ | ৩ | ৪ | |||
| ৫ | ৬ | ৭ | ৮ | ৯ | ১০ | ১১ |
| ১২ | ১৩ | ১৪ | ১৫ | ১৬ | ১৭ | ১৮ |
| ১৯ | ২০ | ২১ | ২২ | ২৩ | ২৪ | ২৫ |
| ২৬ | ২৭ | ২৮ | ২৯ | ৩০ | ||