| ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২১ | ৯:৩৪ পূর্বাহ্ণ | পড়া হয়েছে 243 বার
মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী দেশটির কার্যত নেত্রী অং সান সুচি’সহ ক্ষমতাসীন দলের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দকে গ্রেপ্তার করেছে।
তার দল ক্ষমতাসীন ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি বা এনএলডি বলছে, অং সান সুচি গৃহবন্দী অবস্থায় আছেন এবং দলের অন্যান্য নির্বাহীদের সাথে প্রেসিডেন্ট উইন মিন্তকেও আটক করা হয়েছে।
সোমবার সকালে রাষ্ট্র-পরিচালিত টেলিভিশনের মাধ্যমে সামরিক বাহিনী জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে। তাদের ভাষ্যানুযায়ী, তারা ক্ষমতা দখল করেছে।
সামরিক বাহিনী এই পদক্ষেপ নেয়ার কারণ হিসেবে তাদের দাবি অনুযায়ী গত বছরের নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ঘটা জালিয়াতি নিয়ে তদন্ত চালানোর কথা উল্লেখ করেছে।
সামরিক বাহিনী বলছে, সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইং দেশ শাসন করবেন।
তারা আরও বলেছে যে, সামরিক বাহিনীর নজরদারির মধ্যে আরেকটি সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স তাদের প্রতিবেদনে এই ঘটনাকে একটি সামরিক অভ্যুত্থান হিসেবে উল্লেখ করেছে।
ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট শার্ল মিশেল এক টুইট বার্তায় বলেন, “আমি মিয়ানমারে ঘটা অভ্যুত্থানের জোরালো নিন্দা জানাই এবং বেআইনিভাবে আটক করা সকলকে মুক্তি দেয়ার জন্য সামরিক বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানাই।”
প্রতি পাঁচ বছর পর অনুষ্ঠিত হওয়া সর্বশেষ এই সাধারণ নির্বাচনে এনএলডি প্রতিদ্বন্দ্বিতা হওয়া ৮০ শতাংশেরও বেশি আসনে জয়লাভ করে। অন্যদিকে, সাবেক সামরিক নেতৃত্বাধীন সরকারের ঘনিষ্ঠ একটি বিরোধী দল উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আসন হারায়।
সামরিক বাহিনী দাবি করছে যে, ভোটার নিবন্ধনের ক্ষেত্রে লক্ষ লক্ষ নকল নাম ছিল এবং নির্বাচনে অন্যান্য অনিয়মও ঘটেছিল। তারা এই দাবি জানিয়ে এসেছিল যে, সরকার এবং নির্বাচন কমিশন যেন এবিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়।
উল্লেখ্য, নির্বাচনের পর থেকে সোমবার প্রথমবারের মত মিয়ানমারের সংসদ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে, রবিবার রাতে দেয়া এক বিবৃতিতে সামরিক বাহিনী বলেছে যে, অবস্থা এরকম রেখে দেশের পরবর্তী ধাপে এগুনো উচিত হবে না।
| শনি | রবি | সোম | মঙ্গল | বুধ | বৃহ | শুক্র |
|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ | ২ | ৩ | ৪ | |||
| ৫ | ৬ | ৭ | ৮ | ৯ | ১০ | ১১ |
| ১২ | ১৩ | ১৪ | ১৫ | ১৬ | ১৭ | ১৮ |
| ১৯ | ২০ | ২১ | ২২ | ২৩ | ২৪ | ২৫ |
| ২৬ | ২৭ | ২৮ | ২৯ | ৩০ | ||