| ০৪ জুন ২০২০ | ১২:৩৭ পূর্বাহ্ণ | পড়া হয়েছে 513 বার
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মঙ্গলবার পরপর আট দিন ধরে পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন কৃষ্ণাঙ্গ এক পুরুষের মৃত্যু নিয়ে প্রতিবাদ অব্যাহত রয়েছে। তবে বেশিরভাগ প্রতিবাদ ছিল শান্তিপূর্ণ। এখনো পর্যন্ত বিরাট আকারের কোন সংঘর্ষ বা লুটপাটের কথা জানা যায়নি।
মিনিয়াপোলিস অঙ্গরাজ্যে মে মাসের ২৫ তারিখ, এক শ্বেতাঙ্গ পুলিশ জর্জ ফ্লয়েড নামের ঐ কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষকে রাস্তায় ফেলে হাঁটু দিয়ে তার গলায় চেপে বসে থাকার পর তার মৃত্যু হয়।
নিউ ইয়র্ক শহরের ম্যানহাটন এলাকায় মঙ্গলবার এক হাজারের বেশি লোক সমবেত হয়েছিল। শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে বলে জর্জ ফ্লয়েডের শেষ উক্তি অংশগ্রহণকারীদের সকলে মিলে একত্রে জোর গলায় চীৎকার করে বলতে থাকেন। বৈষম্য বিহীন এক সমাজ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তারা।
পুলিশ এবং প্রতিবাদকারীদের মধ্যে প্রাণঘাতী সংঘর্ষের পর সারা দেশের বিভিন্ন শহরে কারফিউ জারী করা হয়েছে। লুটপাট চলার কারণেও এই কারফিউ জারী করা হয়।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শৃঙ্খলা বজায় রাখার এই প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছেন। মঙ্গলবার তিনি এক টুইট বার্তায় জানান গতরাতে রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে কোন গোলযোগ দেখা যায়নি। অনেককে আটক করা হয়েছে। সকলের বিরাট অবদান এর পিছনে। অভিভূতকারী প্রচেষ্টা।
এদিকে, সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন মঙ্গলবার দেয়া এক ভাষণে কঠোর ভাষায় ট্রাম্পের নিন্দা করেছেন। নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠিতব্য প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী হিসাবে ধারণা করা হচ্ছে বাইডেনকে। তিনি বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে সমস্যা নয়, সমাধানের অংশ হওয়া উচিত। তবে আজকের দিনে প্রেসিডেন্ট হলেন সমস্যার এক অংশ, যিনি ত্বরান্বিত করে তুলছেন এই সমস্যা। বাইডেন আরো বলেন যে ট্রাম্পের ধারণা দেশের মধ্যে এই বিভক্তি তাকে আসন্ন নির্বাচনে সাহায্য করবে।
| শনি | রবি | সোম | মঙ্গল | বুধ | বৃহ | শুক্র |
|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ | ২ | ৩ | ৪ | |||
| ৫ | ৬ | ৭ | ৮ | ৯ | ১০ | ১১ |
| ১২ | ১৩ | ১৪ | ১৫ | ১৬ | ১৭ | ১৮ |
| ১৯ | ২০ | ২১ | ২২ | ২৩ | ২৪ | ২৫ |
| ২৬ | ২৭ | ২৮ | ২৯ | ৩০ | ||