| ১৫ মার্চ ২০১৯ | ১০:১৫ অপরাহ্ণ | পড়া হয়েছে 854 বার
জাপানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক, ব্যাংক অব জাপান বা বিওজে তাদের অভিহিত “পরিমাণগত এবং গুণগত মুদ্রা সহজীকরণ” ২০১৩ সালের এপ্রিল মাসে চালু করেছিল। এই শক্তিশালী মুদ্রা সহজীকরণ নীতির প্রবর্তক ছিলেন বিওজে’র গভর্নর হারুহিকো কুরোদা। এই সহজীকরণের উদ্দেশ্য ছিল দুই বছরের মধ্যে ২% মুদ্রাস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের মাধ্যমে জাপানি অর্থনীতির মুদ্রাসংকোচন থেকে বেরিয়ে আসায় সাহায্য করা। তবে, ব্যাংকের ২% মুদ্রাস্ফীতির লক্ষ্য অর্জন এখনও দৃশ্যত অনেক দূরের পথ। নেতিবাচক প্রভাব হিসেবে কর্মীদের বেতন বেড়েছে অপর্যাপ্তভাবে যা ভোক্তা ব্যয়কে কমিয়ে রেখেছে। তাছাড়া বিষয়টি ব্যবসায়ীদের জন্য তাদের পণ্যের মূল্য বৃদ্ধিকে কঠিন করে দিয়েছে।
এছাড়াও, গত ৬ বছর ধরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুদ্রানীতি কার্যকর থাকার নেতিবাচক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। বিশেষজ্ঞরা ইঙ্গিত দিয়ে বলেন যে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সরকারি বন্ডের ব্যাপক ক্রয় সরকারকে অপরিমিতভাবে সরকারি ঋণের উপর নির্ভরশীল করে তোলে। রেকর্ড নিম্ন সুদের হারও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণ প্রদান থেকে মুনাফা অর্জন নিশ্চিত করাকেও কঠিন করে তোলে এবং বিশেষ করে আঞ্চলিক ব্যাংকগুলোর মুনাফাকে সংকুচিত করে।
এনএলআই গবেষণা প্রতিষ্ঠানের একজন পদস্থ অর্থনীতিবিদ ৎসুইয়োশি উয়েনো বলছেন, বিওজে’র মুদ্রানীতি ইয়েনের মূল্যমান বেড়ে চলা সংশোধন করা এবং ব্যবসায়িক আয়ের উন্নতিসহ অর্থনীতিকে একটা পর্যায় পর্যন্ত ধরে রেখেছে। তবে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অবাস্তব ২%’এর লক্ষ্যমাত্রার পরিণাম হিসেবে তারা তাদের ব্যাপক সহজীকরণ কর্মসূচি দীর্ঘসময় ধরে বজায় রাখতে বাধ্য হয় যা আরও সহজীকরণের পথকে দুরূহ করে তোলে। এখন বিওজে’র হাতে নেয়ার জন্য কেবল যে পদক্ষেপটি রয়েছে তা হল, সুদের হার আরও কমানো। তবে তার প্রতিকূল প্রভাব রয়েছে, যেমন ব্যাংকের মুনাফা আরও সংকুচিত হয়ে আসা। এটা বলা হয় যে, বিশ্ব অর্থনীতি যদি অচলাবস্থার মধ্যে পড়ে এবং পণ্যের মূল্যের উপর নিম্নমুখী চাপ ঘনীভূত হয়, তাহলে ভবিষ্যতে বিওজে’র হাতে নেয়ার জন্য পদক্ষেপ সীমিত হয়ে পড়বে।
| শনি | রবি | সোম | মঙ্গল | বুধ | বৃহ | শুক্র |
|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ | ২ | ৩ | ৪ | |||
| ৫ | ৬ | ৭ | ৮ | ৯ | ১০ | ১১ |
| ১২ | ১৩ | ১৪ | ১৫ | ১৬ | ১৭ | ১৮ |
| ১৯ | ২০ | ২১ | ২২ | ২৩ | ২৪ | ২৫ |
| ২৬ | ২৭ | ২৮ | ২৯ | ৩০ | ||