• শিরোনাম

    পুরান ঢাকাসহ সারা দেশের জলাবদ্ধতা নিরসনে খনন কর্মসূচি শুরু করা হবে: তারেক রহমান

    | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ৬:৫৪ পূর্বাহ্ণ | পড়া হয়েছে 34 বার

    পুরান ঢাকাসহ সারা দেশের জলাবদ্ধতা নিরসনে খনন কর্মসূচি শুরু করা হবে: তারেক রহমান

    বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে আগামী বর্ষা মৌসুমের আগেই পুরান ঢাকাসহ সারা দেশের জলাবদ্ধতা নিরসনে খনন কর্মসূচি শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান। একই সঙ্গে নির্বাচন নিয়ে একটি রাজনৈতিক দল নানাভাবে ষড়যন্ত্র করে চলছে। তারা বিভিন্নভাবে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। এজন্য সব মানুষকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

    সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে ঢাকা-৭ আসনের লালবাগের বালুর মাঠ বা সাবেক আজাদ মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, আজ সকাল ১১টা থেকে আমরা শুরু করেছি গত ১২ ঘণ্টা যাবত আমরা এই নির্বাচনে জনসভায় করে যাচ্ছি, নির্বাচন প্রচার করে যাচ্ছি। আগামী ১২ তারিখে নির্বাচন, এই নির্বাচন সারা বাংলাদেশের বহু প্রতীক্ষিত সেই নির্বাচন, যে নির্বাচনে বাংলাদেশের মানুষ তাদের পছন্দ মতো ভোট দেবে। গত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে আমরা কয়েকটি তামাশার নির্বাচন দেখেছি।

    কিন্তু সেই নির্বাচনে কি আপনারা ভোট দিতে পেরেছিলেন? কি ভাই ভোট দিতে পেরেছিলেন? ভোট দিতে পারেন নাই। ইনশাআল্লাহ আগামী যে নির্বাচন সেই নির্বাচনের মানুষ ভোট দেবে।

    তিনি বলেন, আমরা নির্বাচনে ভোট দিয়ে সঠিক প্রার্থীকে বের করে নিয়ে আসব। যেই প্রার্থী এলাকার মানুষ পাশে থাকবে, যেই প্রার্থী এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে তাদের পাশে থাকবে।

    যেই প্রার্থী এলাকার উন্নয়ন করবে, উন্নয়নমূলক কাজ করবে। এই মুহূর্তে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি একমাত্র রাজনৈতিক দল। যেই দলের দেশ পরিচালনা করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অতীতে। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি যে একটি দল বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। তারা বিভিন্নভাবে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।
    আমরা পত্রিকার দেখেছি তাদের নেতাকর্মীরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে ধরা পড়েছে। নির্বাচনে গোপন ব্যালটের সিল বানাতে গিয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তারা ধরা পড়েছে। আমরা দেখছি এই রাজনৈতিক দলটি দেশের বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে মা বোনদের বিভ্রান্ত করছে। তাদের কাছে গিয়ে তাদের বিকাশ নম্বর চাইছে। তাদের এনআইডি নাম্বার চাইছে। কারণ তারা তাদের বিভিন্নভাবে বিভ্রান্ত করতে চাইছে।
    তিনি বলেন, আমাদের সতর্ক হতে হবে। বহু ত্যাগ, বহু বলিদানের মাধ্যমে, বহু গুম খুনের ভেতর দিয়ে, বহু অত্যাচার নির্যাতনের ভেতর দিয়ে দেশের মানুষ তাদের এই ভোটের অধিকার ফিরে পেয়েছে। আমাদের সেজন্য সতর্ক থাকতে হবে। এই ভোটের অধিকার যাতে কেউ কেড়ে নিতে না পারে। দেশের মানুষ যাতে এই ভোটের অধিকারকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে।

    দেশের মানুষের সামনে বিভিন্ন পরিকল্পনা ও কর্মসূচি তুলে ধরে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, বিএনপি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেলে দেশের খেটে খাওয়া যে পরিবারগুলো আছে সেটা গ্রামেই হোক, শহরেই হোক সেই পরিবারগুলোর জন্য আমরা একটি ফ্যামিলি কার্ড দিতে চাই। যেই ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে তাদের আমরা প্রতিমাসে সরকারের পক্ষ থেকে একটি সহযোগিতা পৌঁছে দিতে চাই। আমরা বিশ্বাস করি এই সহযোগিতা যদি আমরা বেশ কয়েক বছর অব্যাহত রাখতে পারি তাহলে দেশের খেটে খাওয়া পরিবারগুলো ধীরে ধীরে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে দাঁড়াতে পারবে এবং আস্তে আস্তে যদি পরিবারগুলো স্বাবলম্বী হয় এক সময় গিয়ে সামগ্রিকভাবে সমগ্র বাংলাদেশ স্বাবলম্বী হয়ে দাঁড়াতে পারবে।

    কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড দেওয়া হবে জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, আমরা সবাই জানি দেশের প্রধান পেশা হচ্ছে কৃষি এবং এই কৃষির সঙ্গে কোটি কোটি মানুষ জড়িত। কৃষক ভাইয়েরা যদি ভালো থাকে তাহলে দেশের মানুষ ভালো থাকতে পারবে। কারণ এই ২০ কোটি মানুষের দেশে আমরা যদি কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধি করতে না পারি তাহলে আমাদের এই যে দ্রব্য মূল্যের ঊর্ধ্বগতি আরও বাড়তে থাকবে। কাজেই এ ঊর্ধ্বগতিকে নিয়ন্ত্রণ করতে হলে আমাদের কৃষির উৎপাদন বাড়াতে হবে। এই কৃষির উৎপাদন যদি আমাদের বাড়তে করতে হয় তাহলে আমাদের অবশ্যই দেশের কৃষক ভাইদের সহযোগিতা করতে হবে। এজন্য কৃষকদের একটি কৃষি কার্ড দিতে চাই। যার মাধ্যমে আমরা সরকারের বিভিন্ন সহযোগিতা কৃষক ভাইদের কাছে পৌঁছে দেব। একই সঙ্গে বিএনপি সরকার গঠনে সক্ষম হলে সমগ্র বাংলাদেশে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত যে কৃষি ঋণ আছে কৃষকদের সেই কৃষি ঋণ সুদসহ মওকুফ করার পরিকল্পনা গ্রহণ করবো।

    ক্ষমতায় গেলে প্রবাসী কার্ড চালু করবো উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের প্রায় দেড় কোটি মানুষ প্রবাসে থাকে। আমাদের এই প্রবাসী ভাইয়েরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হয়। চাকরির মেয়াদ শেষ করে তারা দেশে ফিরে আসে তখন বিভিন্ন সময় সমস্যায় পড়তে হয়। এই সমস্যায় যাতে তারা না পড়ে এজন্য প্রবাসী কার্ড দিতে চাই। যাতে করে তারা কোনো সমস্যায় পড়লে আমরা সহযোগিতা করতে পারি।

    দেশের বেকারত্ব দূর করতে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে জানিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, আমাদের দেশের বহু তরুণরা যাদের কাছে শিক্ষার আলো আছে কিন্তু তাদের কাছে হয়তো কর্মসংস্থান নেই। দেশের কোটি কোটি যুবক বেকার। এটি দেশের জন্য একটি অভিশাপ। আমি বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে কথা বলেছি। তাদের দেশে যারা ব্যবসায়ী আছে তারা যেন বাংলাদেশে এসে বিনিয়োগ করে। তারা বলেছে, বিএনপি যদি সরকার গঠন করতে সক্ষম হয় আমরা আমাদের দেশের বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে নিয়ে আসবো। তারা এখানে বিনিয়োগ করবে। শিল্প কারখানা স্থাপন করবে। এর ফলে দেশের তরুণ ও যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। দেশের বেকারত্বের অভিশাপ থেকে আমাদের দেশের তরুণরা বেরিয়ে আসতে পারবে।

    তিনি বলেন, শুধু তাই নয় আমরা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি যে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা যেমন আসবে ঠিক একইভাবে আমরা আমাদের দেশে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ সেন্টার, বিভিন্ন ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট, বিভিন্ন টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট, এগুলো আমরা দেশের সব জায়গায় প্রতিষ্ঠিত করবো। যাতে আমাদের ছেলে-মেয়েরা দক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। যাতে তারা দেশেই কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারে। তারা নিজেদের ব্যবসা-বাণিজ্য শুরু করতে পারবে অথবা কোনো না কোনো জায়গায় তারা কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারবে। একই সঙ্গে ভালো বেতন নিয়ে বিদেশেও চাকরির সংস্থান করতে পারবে। যাতে তাদের বাপ-দাদার জমি বিক্রি করতে না হয়। একই সঙ্গে বিদেশ যাওয়ার জন্য তাদের সরকার ঋণ প্রদান করব, যেই ঋণ ধীরে ধীরে তারা চাকরি করার মাধ্যমে শোধ করবে।

    চিকিৎসা সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের মানুষের একটি বড় সমস্যা হলো চিকিৎসা। এ সমস্যার সমাধান করার জন্য সারাদেশে শহরে এবং গ্রামে সব মিলিয়ে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেব। এ স্বাস্থ্যকর্মীদের কাজ হবে ঘরে ঘরে বিশেষ করে মায়েদের, বোনদের ছোট ছোট শিশুদের ঘরে বসে চিকিৎসা দেওয়া। যদি ছোটখাটো অসুখ হয় যার জন্য হাসপাতালে আসার প্রয়োজন হবে না।

    মসজিদ, মন্দিরসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে যারা ইমাম, খতিব, মুয়াজ্জিমসহ অন্যান্য ধর্মের যে সব ব্যক্তিরা রয়েছেন তাদের মাসিক বেতনের ব্যবস্থা করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করলে এসব মানুষদের জন্য আমরা সরকারের পক্ষ থেকে একটি সম্মানের ব্যবস্থা করবো। যেন তারা মানসম্মত জীবন যাপন করতে পারেন।

    পুরান ঢাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে উদ্যোগ নেওয়া হবে জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, আপনাদের এলাকার একটি বিশাল সমস্যা আছে জলাবদ্ধতা। এ সমস্যা শুধু এই এলাকার নয় ঢাকাসহ সমগ্র দেশের। সেই জন্য আমরা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি এবং আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে বিএনপি সরকার গঠন করার সঙ্গে সঙ্গে আগামী বর্ষা মৌসুম আসার আগেই আমরা সারাদেশে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করব। যেই খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শুধু ঢাকা শহরেরই জলাবদ্ধতা দূর করেননি বরং সমগ্র বাংলাদেশে খাল খননের মাধ্যমে উনি পানি সরবরাহ নিশ্চিত করেছিলেন। যার ফলে খাদ্য উৎপাদন সেই সময় দ্বিগুণ হয়েছিল। আমরা সেই খাল খনন কর্মসূচি আবারও শুরু করতে চাই।

    তিনি বলেন, আমরা দেশের মানুষের কাছে সেই সব প্রতিশ্রুতি দিতে চাই যে সব প্রতিশ্রুতি মানুষ হিসেবে আমাদের পক্ষে বাস্তবায়ন করা সম্ভব। আমরা সেই সব প্রতিশ্রুতি দিতে চাই না মানুষের কাছে যেই সব প্রতিশ্রুতি মানুষ নয় একমাত্র আল্লাহ তালার পক্ষে করা সম্ভব সেরকম কোনো প্রতিশ্রুতি আমরা দিতে চাই না। কারণ আমরা জানি যা আল্লাহর পক্ষে করা সম্ভব সেটা যদি আমরা বলি যে আমরা করব সেটায় আমাদের গুনাহ হবে। কাজেই সেই গুনাহর কাজও আমরা করতে চাই না। মিথ্যা প্রতিশ্রুতি আমরা জনগণের সামনে দিতে চাই না। আমরা মানুষ হিসেবে যা করতে পারব মানুষ হিসেবে আমাদের যা করার ক্ষমতা আল্লাহতায়ালা দিয়েছেন আমরা শুধু সেই কাজগুলো করতে চাই।

    মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই যোদ্ধাদের স্মরণ করে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে যখন যুদ্ধ হয়েছিল সেই মুক্তিযুদ্ধে কে কোন ধর্মের মানুষ কেউ কিন্তু দেখে নাই। সবাই ঝাপিয়ে পড়ে দেশকে স্বাধীন করেছিল। একইভাবে ২০২৪ সালের যে জুলাই-আগস্ট মাসের আন্দোলন সেই আন্দোলনে আমরা কিন্তু দেখি নাই কে মুসলমান কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ, কে খ্রিস্টান। আমরা দেখেছি স্বৈরাচারকে বিদায় করার জন্য জনগণ রাজপথে নেমে এসেছে সেটিই ছিল আমাদের কাছে বড়। কাজেই আমরা এমন একটি দেশ গঠন করতে চাই যে দেশে হাজার বছর ধরে আমরা সব ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাস করেছি। আমরা চাই একইভাবে আগামী দিনেও সব ধর্মের মানুষ এক সঙ্গে শান্তিতে বসবাস করতে চাই। এক সঙ্গে এ দেশকে আমরা গড়ে তুলতে চাই। এ দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে চাই।

    বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, এমন একটি দেশ গঠন করতে চাই যেখানে সব শ্রেণি পেশার মানুষ সব ধর্মের মানুষ মুসলমান হোক, হিন্দু হোক, বৌদ্ধ হোক, খ্রিস্টান হোক সব ধর্মের মানুষ আমরা শান্তিতে বসবাস করতে পারবো। আমরা এমন একটি দেশ গড়ে তুলতে চাই যেই দেশের নাগরিকরা দিনের যে কোনো সময় নিরাপদে রাস্তায় চলাচল করতে পারবে, নাগরিকরা ব্যবসা বাণিজ্য করতে পারবে, চাকরিসহ সব কাজ করতে পারবে। আমরা সেই দেশটি ধীরে ধীরে গড়ে তুলতে চাই যেই দেশটিতে প্রত্যেকটি মানুষ তার পরিবার জন্যে নিশ্চিন্তে রাতে নিদ্রায় যেতে পারবে।

    এমন দেশ গড়ে তুলতে হলে অবশ্যই জনগণের সহযোগিতা লাগবে। জনগণের সমর্থন লাগবে। জনগণের দোয়া লাগবে। ধানের শীষের পক্ষ থেকে আমি আপনাদের সামনে এসে হাজির হয়েছি। সেই দেশটি করার জন্য আপনাদের সহযোগিতা চাই। আপনাদের দোয়া চাই। আপনাদের কাছে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চাই।

    তিনি বলেন, আমি আজকে আপনাদের এই এলাকার ছেলে এই এলাকার সন্তান তার হাতে আমি আনুষ্ঠানিকভাবে ধানের শীষ তুলে দিয়ে গেলাম। আপনারা হামিদকে ইনশাআল্লাহ দেখে রাখবেন ১২ তারিখ পর্যন্ত। হামিদ নির্বাচিত হলে ধানের শীষ নির্বাচিত হলে বিএনপি সরকার গঠন করলে ১৩ তারিখ থেকে হামিদের দায়িত্ব হবে এই এলাকার মানুষের উন্নয়নের জন্য কাজ করা। এই এলাকার মানুষের বিপদে আপদে তাদের পাশে থাকা। এই এলাকার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে চলা। এ এলাকার মানুষের জন্য তার জীবনের শেষ পর্যন্ত কাজ করে যাওয়া। আজ ধানের শীষের জন্য আপনাদের কাছে রায় ও ভোট চাই।

     

    Facebook Comments Box

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    ২৫ জুলাই ২০২০

    আর্কাইভ

    শনিরবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০ 
  • ফেসবুকে দশদিক