| ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ | ১২:৩৮ অপরাহ্ণ | পড়া হয়েছে 607 বার
রোনাভাইরাসের প্রার্দুভাব শুরু হওয়ার আগে অর্থাৎ মার্চের প্রথম সপ্তাহে যারা টার্কিশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটে ছুটিতে দেশে এসেছিলেন, তুরস্ক-গ্রিস ‘লড়াইয়ের’ কারণে সবাই এখন আটকে আছেন।
বিশ্বে যখন সব দেশের উড়োজাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে, ঠিক তার বিপরীত মেরুতে তুরস্ক-গ্রিসের বর্তমান অবস্থান।
টার্কিশ এয়ারলাইনসকে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর (বুধবার) মধ্যরাত পর্যন্ত ফ্লাইট পরিচালনা না করতে সিভিল অ্যাভিয়েশনকে নির্দেশ দিয়েছে দেশটির সরকার।
এতে টার্কিশ এয়ারের ফ্লাইটে গত বছরের নভেম্বর-ডিসেম্বর ও চলতি বছরের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে দেশে ছুটিতে আসা গ্রিস প্রবাসীরা আটকে পড়েছেন।
এদিকে আটকে পড়া অনেকের রেসিডেন্ট পারমিটের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় প্রতিনিয়ত তাদের সংকট বাড়ছে। অনেকে আবার এরইমধ্যে চাকরি হারিয়েছেন।
সরকারের কাছে তাদের দাবি, তারা বাংলাদেশ বিমানের চার্টার্ড ফ্লাইটে করে গ্রিসে ফিরতে চান। বিষয়টি যতো দেরি হবে সরকার ততো রেমিট্যান্স হারাবে। সে সঙ্গে বাড়বে দেশে বেকারের সংখ্যা।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার সুজন বণিক ২০১৯ সালের ১৮ নভেম্বর ছুটিতে দেশে এসে আটকে পড়েছেন। সময়মতো যেতে না পারায় তিনি চাকরি হারিয়েছেন। একইসঙ্গে চরম অর্থনৈতিক সংকটে জীবন-যাপন করছেন। তিনি বলেন, আমরা দেশের অভিশাপ নই, উজ্জ্বল নক্ষত্র। সরকারের উচিত আমাদের যেকোনো উপায়ে কর্মস্থলে পৌঁছে দেওয়া।
| শনি | রবি | সোম | মঙ্গল | বুধ | বৃহ | শুক্র |
|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ | ২ | ৩ | ৪ | |||
| ৫ | ৬ | ৭ | ৮ | ৯ | ১০ | ১১ |
| ১২ | ১৩ | ১৪ | ১৫ | ১৬ | ১৭ | ১৮ |
| ১৯ | ২০ | ২১ | ২২ | ২৩ | ২৪ | ২৫ |
| ২৬ | ২৭ | ২৮ | ২৯ | ৩০ | ||