| ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ১২:১২ অপরাহ্ণ | পড়া হয়েছে 536 বার
করোনাভাইরাসের ডেল্টা ধরনে আক্রান্ত ব্যক্তিরা অনুমিত হিসাব অনুযায়ী অন্য ধরনের ভাইরাস বহনকারীদের চাইতে অন্ততপক্ষে চারগুণ বেশি জীবাণু ছড়ান।
জাপানের ল্যাবরেটরি পরীক্ষা পরিষেবা কোম্পানি বিএমএল এই উপাত্ত সঙ্কলন করেছে। কোম্পানিটি করোনাভাইরাসের জন্য দৈনিক ২০ হাজার পর্যন্ত পিসিআর পরীক্ষা পরিচালনা করে থাকে।
উল্লেখ্য, পিসিআর পরীক্ষায় একটি নমুনায় থাকা ভাইরাসের জিনকে বহগুণে বৃদ্ধি করা হয়। কোন নমুনায় বর্ধিতকরণের অপেক্ষাকৃত কম চক্রে ভাইরাসটিকে সনাক্ত করতে পারার অর্থ হল এতে ভাইরাসের একটি বড় পরিমাণ রয়েছে।
বিএমএল’এর ভাষ্যানুযায়ী, চলতি বছর জানুয়ারিতে চালানো পরীক্ষায় নমুনাগুলোর ২৮ শতাংশের মধ্যে ২০টিরও কম চক্রের ভেতরে ভাইরাসটিকে সনাক্ত করা গেছে।
আর এপ্রিল মাসে যখন আলফা ধরনটি ছড়িয়ে পড়ছিল, তখন এই হার ৪১.৪ শতাংশে উন্নীত হয়।
অন্যদিকে, জুলাই মাসে ডেল্টা ধরনটি যখন প্রকট হয়ে ওঠে, এই হার বেড়ে প্রায় ৬৬ শতাংশে উন্নীত হয় এবং আগস্ট মাসে তা প্রায় ৬৪ শতাংশে স্থির থাকে।
চক্রের এই সংখ্যাকে “সিটি ভেল্যু” বা সিটি মান বলে অভিহিত করা হয়। এক্ষেত্রে, ৪০ বা তার চেয়ে কম মান একটি পজিটিভ বা ইতিবাচক পরীক্ষার ফলাফলের ইঙ্গিত দেয়।
প্রতিমাসের সর্বাধিক প্রচলিত “সিটি ভ্যালু”র ভিত্তিতে বিএমএল’এর অনুমিত হিসাব অনুযায়ী, ডেল্টা ধরনের বাহক থেকে নেওয়া নমুনায় ভাইরাসের পরিমাণ আদি ধরন এবং আলফা ধরন থেকে ৪ থেকে ৬৪ গুণ বেশি।
বিএমএল’এর পরিচালনা কর্মকর্তা ইয়ামাগুচি তোশিকাজু বলছেন, কোম্পানিটি জুলাই মাস থেকে অপেক্ষাকৃত কম “সিটি ভ্যালু” এবং বেশি পরিমাণ ভাইরাস থাকা নমুনা প্রত্যক্ষ করা শুরু করে।
তিনি বলেন, ডেল্টা ধরন এবং অন্যান্য ধরনের ভাইরাস যুক্ত নমুনার মধ্যে ভাইরাসের পরিমাণের ক্ষেত্রে একটি সুনির্দিষ্ট বড় পার্থক্য রয়েছে।
| শনি | রবি | সোম | মঙ্গল | বুধ | বৃহ | শুক্র |
|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ | ২ | ৩ | ৪ | |||
| ৫ | ৬ | ৭ | ৮ | ৯ | ১০ | ১১ |
| ১২ | ১৩ | ১৪ | ১৫ | ১৬ | ১৭ | ১৮ |
| ১৯ | ২০ | ২১ | ২২ | ২৩ | ২৪ | ২৫ |
| ২৬ | ২৭ | ২৮ | ২৯ | ৩০ | ||