| ২৯ আগস্ট ২০২০ | ৭:০২ পূর্বাহ্ণ | পড়া হয়েছে 514 বার
জাপান সরকার জানিয়েছে, আগামী বছরের প্রথমার্ধের মধ্যে দেশের সব নাগরিকের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক টিকার সরবরাহ নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হবে।
প্রধানমন্ত্রী আবে শিনযো এবং মন্ত্রীসভার সদস্যদের উপস্থিতিতে শুক্রবার সরকারের একটি টাস্কফোর্স করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলার জন্য একথোক পদক্ষেপ সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা এ ব্যাপারে একমত হন যে নিরাপদ এবং কার্যকর হিসেবে প্রমাণিত হলে সেই প্রতিষেধক টিকা, তা সে দেশেই তৈরি হোক বা বিদেশে, তার সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য সরকারের আগেভাগেই চুক্তি করতে হবে।
শীতকালে ফ্লু’র প্রাদুর্ভাবের সঙ্গে করোনাভাইরাসও ছড়িয়ে পড়তে পারে আরও, সেই আশংকা মাথায় রেখে চিকিৎসার সুষ্ঠু ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং পরীক্ষার সক্ষমতা বৃদ্ধি করে গড়ে দৈনিক প্রায় ২ লাখে উন্নীত করার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।
সংক্রমিত সব রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি হতে পরামর্শ দেওয়ার যে রীতি সংক্রামক ব্যাধি নিয়ন্ত্রণ আইন অনুসারে বর্তমানে চালু আছে, সেটি নমনীয়ভাবে পর্যালোচনা করে দেখার বিষয়েও একমত হয়েছে টাস্কফোর্সের সদস্যরা।
হাল্কা বা কোন উপসর্গ না থাকা সংক্রমিত ব্যক্তির সংখ্যা অনেক হওয়ায়, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং হাসপাতালের ওপর চাপ কমানোর জন্য সরকারি অধ্যাদেশের সংশোধন এবং অন্যান্য পরিবর্তনের বিষয়ে ভেবে দেখার প্রয়োজন হতে পারে।
কর্মী ছাঁটাই করেনি এমন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে বেতনের ওপর উচ্চহারে ভর্তুকি দেওয়ার ব্যবস্থা এ বছরের শেষ অব্দি বজায় রাখার সিদ্ধান্তও নিয়েছে টাস্কফোর্স।
এছাড়া সেপ্টেম্বর মাস থেকে বসবাসের অনুমতিপ্রাপ্ত বিদেশী নাগরিকদের প্রবেশ-নিষেধ আংশিকভাবে প্রত্যাহার করে তাদের আবার জাপানে ঢুকতে দেওয়া হবে যদি তারা পিসিআর পরীক্ষা করান।