এইচ এম দুলাল | ০২ জুলাই ২০১৯ | ১১:২২ পূর্বাহ্ণ | পড়া হয়েছে 961 বার
জাপান থেকে রাহমান মনি: উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীনতম রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে তৃত্বদানকারী রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ৭০ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করেছে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর জাপান শাখা। যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি পালন উপলক্ষে জাপান আওয়ামী লীগ এক কর্মসূচি পালন করে। কর্মসূচীর অংশ হিসেবে বিকেলে ছিল আলোচনা সভা। ২৩ জুন ‘১৯ রোববার টোকিওর কিতা সিটি হিগাশি তাবাতা চিইকি সেন্টার –এ আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জাপান আওয়ামীলীগের সভাপতি সালেহ মোঃ আরিফ। আলোচনা সভাটি পরিচালনা করেন জাপান আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মাসুদুর রহমান মাসুদ। এ সময় মঞ্চে আরো উপবিষ্ট ছিলেন সিনিয়র সহসভাপতি সনত বড়ুয়া এবং সাধারন সম্পাদক খন্দকার আসলাম হিরা প্রমুখ।
দিবসটির তাৎপর্যে বক্তব্য রাখেন শেখ তারেক আরাফাত শাওন, মোল্লা আতিক, মোল্লা আলমগির, আবু সুফিয়ান জুয়েল, তপন ঘোষ, মরিতা মনি, সরদার নুরুল ইসলাম, মাসুদ পারভেজ ফিরোজ মোল্লা,চৌধুরী সাইফুর রহমান লিটন, শাম্মী আক্তার বাবলী, সাদ্দাম হোসেন, নাজমুল হোসেন রতন, আব্দুল কুদ্দুস, মাসুদ আলম মাসুদ, রায়হান কবির ভুঁইয়া, আব্দুর রাজ্জাক, জাকির হোসেন জোয়ারদার, খন্দকার আসলাম হিরা, সনত বড়ুয়া প্রমুখ ।
বক্তারা বলেন , ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন পুরনো ঢাকার ঐতিহ্যবাহী রোজ গার্ডেনে আওয়ামী মুসলিম লীগ নামে এই দলের আত্মপ্রকাশ ঘটলেও পরে তা শুধু আওয়ামী লীগ নাম নিয়ে অসাম্প্রদায়িক সংগঠন হিসেবে বিকাশ লাভ করে।
প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এ দেশে পশ্চিম পাকিস্তানি সামরিক শাসন ও শোষণের বিরুদ্ধে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে এ দলটি।
’৫২-এর ভাষা আন্দোলন, ’৫৪-এর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, আইয়ুবের সামরিক শাসন-বিরোধী আন্দোলন, ’৬৪-এর দাঙ্গার পর সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা, ’৬৬-এর ছয় দফা আন্দোলন ও ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের পথ বেয়ে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আওয়ামী লীগ।
তারা বলেন , বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এমনি একটি সংগঠিত শক্তি, যার উপর যতো আঘাত আসে ততো বেশী সংগঠিত হয়, যার প্রাণশক্তি হচ্ছে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা আমাদের প্রেরনা মাদার অফ হিউমিনিটি শেখ হাসিনা ।
সভাপতির সমাপনী বক্তব্যে সালেহ মোঃ আরিফ বলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বাঙালির জাতীয় মুক্তির সংগ্রামে নেতৃত্বদানকারী অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দল। আর অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের গড়ার কাজ প্রথম শুরু করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তার-ই সুযোগ্য কন্যা আমাদের প্রানপ্রিয় নেত্রী, দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ উন্নয়নের মহাসড়কেই ওঠেনি, পদ্মা সেতুসহ একের পর এক মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নই হচ্ছে না; দেশ অর্থনৈতিকভাবে উন্নয়নশীল দেশের তালিকাভুক্ত হয়েছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি দুনিয়ার সামনে বিস্ময়কর জায়গায় চলে গেছে। বিশ্ব আজ বাংলাদেশকে সমীহ করে। বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে গ্রহন করে।
আওয়ামীলীগ কে দেশের অন্যতম প্রাচীন সংগঠন হিসাবে আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, ভাষা, স্বাধিকার, গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা অর্জনে মহোত্তম গৌরবে অভিষিক্ত আওয়ামী লীগের সাত দশকের অভিযাত্রায় শান্তি, সমৃদ্ধি ও দিন বদলের লক্ষ্যে অবিচল বাঙালি জাতির মুক্তির দিশারী।
আলোচনা সভা শেষে কেক কেটে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়। কেক কাটার নেতৃত্ব দেন এ প্রজন্মের ছোট্টমনি সানিয়া সুফিয়ান। জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শিশুদের ভালবাসতেন যার জন্য ১৭ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনটি বাংলাদেশে জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে ) বলে দিয়ে কেক কাটানোর পর সবাইকে মিষ্টি মুখ করানো হয় ।
এবার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ( ২৩ জুন ) রোববার অর্থাৎ সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপনে নতুন মাত্রা পায় ।
| শনি | রবি | সোম | মঙ্গল | বুধ | বৃহ | শুক্র |
|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ | ২ | ৩ | ৪ | |||
| ৫ | ৬ | ৭ | ৮ | ৯ | ১০ | ১১ |
| ১২ | ১৩ | ১৪ | ১৫ | ১৬ | ১৭ | ১৮ |
| ১৯ | ২০ | ২১ | ২২ | ২৩ | ২৪ | ২৫ |
| ২৬ | ২৭ | ২৮ | ২৯ | ৩০ | ||