| ০৩ অক্টোবর ২০২২ | ১০:৫৬ অপরাহ্ণ | পড়া হয়েছে 118 বার
নির্দিষ্ট কর্মীদের পুনর্দক্ষকরণ কর্মসূচির জন্য ১ লক্ষ কোটি বা প্রায় ৭শ কোটি ডলার ব্যয়ের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী কিশিদা ফুমিও।
আজ সোমবার শুরু হওয়া সংসদের একটি অনিয়মিত অধিবেশনে কিশিদা তার নীতি সংক্রান্ত বক্তব্য উপস্থাপন করেন।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী আবে শিনযোর জন্য আয়োজিত রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া ছিল একটি গুরুগম্ভীর এবং আন্তরিক অনুষ্ঠান, এমন উল্লেখ করে তিনি এও বলেন যে সরকার জনমতকে গুরুত্ব সহকারে গ্রহণ করবে এবং ভবিষ্যতে এর আলোকে পদক্ষেপ নেবে।
তিনি বলেন যে সরকার অতীতে ইউনিফিকেশন চার্চ নামে পরিচিত একটি ধর্মীয় গোষ্ঠী সম্পর্কিত বিষয়গুলির জন্য দায়বদ্ধ থাকবে এবং জনগণের আস্থা ফিরে পাওয়ার জন্য প্রচেষ্টা চালাবে।
উল্লেখ্য, কয়েকজন আইনপ্রণেতার এই গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে, যাদের বিরুদ্ধে সন্দেহজনক বিপণন কার্যক্রমের অভিযোগ উঠেছে।
কিশিদা বলেন যে “আধ্যাত্মিক বিক্রয়” নামে পরিচিত বিশেষ ধর্মীয় উপাদান বিক্রি এবং অনুদান গ্রহণ সংক্রান্ত কার্যক্রমের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা করার জন্য সরকার ভোক্তা আইন সংশোধন করার কথা বিবেচনা করবে।
এছাড়া, পর্যটকরা দুর্বল ইয়েনের সুবিধা নিচ্ছেন বলে সরকার বিদেশি পর্যটকদের বার্ষিক ব্যয়কে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার কোটি ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
কিশিদা ক্রমবর্ধমান দ্রব্যমূল্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ মজুরি বৃদ্ধি অর্জনেরও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
এছাড়া, সরকার মসৃণ শ্রম গতিশীলতা অর্জনের লক্ষ্যে আগামী জুনের মধ্যে নির্দেশিকা প্রণয়নের পরিকল্পনা করছে। তারা এরমধ্যে পুনর্দক্ষতা অর্জনকে সমর্থন করার ব্যবস্থার পাশাপাশি জ্যেষ্ঠতা-ভিত্তিক মজুরি ব্যবস্থার পর্যালোচনাও অন্তর্ভুক্ত করবে।
অন্যদিকে, কূটনৈতিক ও জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে, সরকার পাঁচ বছরের মধ্যে মৌলিকভাবে প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি করে নেয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
বাজেট প্রণয়ন প্রক্রিয়া চলাকালীন প্রতিরক্ষা সক্ষমতার চূড়ান্ত বিবরণ, বাজেটের আকার এবং কীভাবে ব্যয়ের অর্থায়ন করা হবে, তা নির্ধারণ করে নেয়ার অভিপ্রায় তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।
জাপান এবং চীনের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের ৫০তম বার্ষিকী উদযাপনের প্রেক্ষাপটে কিশিদা বলেন যে, উভয় পক্ষ গঠনমূলক এবং স্থিতিশীল সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করবে।
এছাড়া, দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে ইতিবাচক সম্পর্কে ফিরে যাওয়ার পাশাপাশি এটি আরও উন্নত করে নেয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, জাপান দক্ষিণ কোরীয় সরকারের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে যোগাযোগ করবে।