| ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ৯:৫৩ পূর্বাহ্ণ | পড়া হয়েছে 3 বার
জাপানের চুবু বিদ্যুৎ শক্তি কোম্পানি তাদের দুটি পারমাণবিক চুল্লি পুনরায় চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় একটি পুনর্বিবেচনার আবেদন প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তথ্য বিকৃতির কেলেঙ্কারির পর এই সিদ্ধান্ত এসেছে। প্রতিষ্ঠানটি পরমাণু নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষকে দেওয়া নিরাপত্তাসংক্রান্ত তথ্যে মিথ্যাচার করেছিল।
মধ্য জাপানের হামাওকা পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুটি পরমাণু চুল্লি পুনরায় চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় একটি ভূমিকম্প ঝুঁকি পর্যালোচনার উদ্দেশ্যে এই তথ্যগুলো সংগ্রহ করা হয়।
কোম্পানিটি সোমবার তদন্ত কমিটির তৈরি ২৫০ পৃষ্ঠার একটি প্রতিবেদন এনআরএ-এর কাছে জমা দেয়।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, নির্বাহী ও কর্মচারীদের মন্তব্য থেকে বোঝা যাচ্ছে যে তারা তাদের আচরণকে ন্যায্য বলে মনে করেছিলেন। এতে এও বলা হচ্ছে, কোম্পানিতে প্রতিবেদনে উল্লিখিত ‘অত্যন্ত অস্বাভাবিক এক চিন্তাভাবনা’ ছিল। এতে আরও বলা হচ্ছে যে এই মানসিকতা কেবল নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তির মধ্যেই নয়, বরং কোম্পানির নির্দিষ্ট কিছু গোষ্ঠীর মধ্যেও প্রচলিত ছিল। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, এই আচরণ কোম্পানিটির সাথে জড়িত অন্যান্য কেলেঙ্কারির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
কোম্পানির প্রেসিডেন্ট হাইয়াশি কিনগো এবং চেয়ারম্যান কাৎসুনো সাতোরু কেলেঙ্কারির দায়ভার নিতে পদত্যাগ করবেন বলে জানান। তারা বলেন, আগামী ৩০শে সেপ্টেম্বর তারা তাদের পদ ছেড়ে দেবেন।
হাইয়াশি বলেন, “আমরা মনে করি, একজন পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পরিচালকের পক্ষে বার বার অসদাচরণে লিপ্ত হওয়া অগ্রহণযোগ্য। আমরা এই অঞ্চলের মানুষের বিশ্বাস ভঙ্গ করেছি এবং বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পরিচালক হিসেবে আমাদের যোগ্যতা নিয়ে সন্দেহ সৃষ্টি করেছি।”
হাইয়াশি আরও বলেন যে, হুইসেলব্লোয়িংসহ বিষয়টি নিয়ে বার বার অভ্যন্তরীণভাবে অভিযোগ জানানো সত্ত্বেও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ সমস্যাটি শনাক্ত ও সমাধান করতে ব্যর্থ হয়েছে। তিনি বলেন, সুশাসন এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতিতে গুরুতর সমস্যা রয়েছে।