| ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ৯:৫৫ পূর্বাহ্ণ | পড়া হয়েছে 3 বার
জাপানের বিমান আত্মরক্ষা বাহিনী এএসডিএফ বলছে, তোত্তোরি জেলার উপকূলের সমুদ্রে ভাসমান অবস্থায় একটি চালকবিহীন গ্লোবাল হক গোয়েন্দা বিমানের ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যাওয়ার পর ধারণা করা হচ্ছে সেটা হয়তো বিধ্বস্ত হয়ে থাকবে। ধ্বংসাবশেষ হয়তো বিমানটির হতে পারে।
মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে জেলার প্রায় ৫০ কিলোমিটার উত্তরে আন্তর্জাতিক সমুদ্র সীমার ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়া বিমানটির সঙ্গে এএসডিএফ-এর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তারা জানিয়েছে, বিমানটি তখন রাডার থেকে অদৃশ্য হয়ে গিয়েছিল।
সেটা হচ্ছে আওমোরি জেলার মিসাওয়া বিমান ঘাঁটির বিমান।
বিমান আত্মরক্ষা বাহিনী জানায় যে গ্লোবাল হক বিমানটি সকাল ১০টা ২০ মিনিটের দিকে ঘাঁটি থেকে উড্ডয়ন করে। তারা আরও বলেছে যে কোনো প্রশিক্ষণ মিশনে বিমানটি ছিল না। ফ্লাইটের উদ্দেশ্য প্রকাশ করা হয়নি।
গ্লোবাল হক প্রায় ১৫ মিটার দীর্ঘ, ৫ মিটার উঁচু এবং এর ডানার বিস্তার ৪০ মিটার। এটা প্রায় ৩৬ ঘণ্টা বিরতিহীন উড়ে যেতে পারে এবং হাই-রেজোলিউশন ইনফ্রারেড ক্যামেরা ব্যবহার করে প্রায় ২০,০০০ মিটার উচ্চতা থেকে নজরদারি অভিযান চালাতে পারে।
নজরদারি সক্ষমতা জোরদার করার জন্য জাপান ২০১৫ অর্থবছরে গ্লোবাল হক বিমান সংগ্রহ শুরু করে। প্রতিটি বিমানের মূল্য প্রায় ১৭ বিলিয়ন ইয়েন বা আনুমানিক ১১০ মিলিয়ন ডলার বলে জানা যায়।
বিমান আত্মরক্ষা বাহিনীর চিফ অফ স্টাফ মোরিতা তাকেহিরো মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন যে, বিস্তারিত অনেক কিছু এখনও অজানা রয়ে গেছে এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় সম্ভাব্য সবকিছু বাহিনী করবে।