| ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১০:২৩ অপরাহ্ণ | পড়া হয়েছে 73 বার
জাপান সরকার, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বিদেশে নিহত ব্যক্তিদের দেহাবশেষ দেশে ফিরিয়ে আনার একটি পদ্ধতি হালনাগাদ করার পরিকল্পনা করছে। সম্ভবত হলে, দেহাবশেষগুলো দ্রুত ফিরিয়ে আনাই হচ্ছে এই পদক্ষেপের লক্ষ্য।
মঙ্গলবার একটি বিশেষজ্ঞ প্যানেলের বৈঠকে, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এই পরিবর্তনগুলো উপস্থাপন করেন। তাঁরা প্রস্তাব করেন যে, মৃতদেহটি জাপানি হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি হলে ডিএনএ বিশ্লেষণের আগেই তা জাপানে ফিরিয়ে আনা হবে।
বর্তমানে, প্রথমে পরীক্ষার জন্য একটি নমুনা জাপানে পাঠানো হয়। বাকি অংশ দাহ করা হয় এবং জাপানি হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে তা দেশে ফেরত পাঠানো হয়।
দ্রুত প্রক্রিয়াকরণের জন্য সম্ভাব্য স্থানগুলোর মধ্যে, জাপানি সৈন্যদের গণকবরের মতো জায়গা থেকে প্রাপ্ত দেহাবশেষ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
সমাধিস্থল থেকে সংগৃহীত কিছু দেহাবশেষ জাপানি নাও হতে পারে, এমন সন্দেহ নিরসনে মন্ত্রণালয় বছরের পর বছর ব্যর্থ হওয়ার পর ২০২০ সালে পদ্ধতিটি সর্বশেষ পর্যালোচনা করা হয়।
মন্ত্রণালয়ের ভাষ্যানুযায়ী, যেসব স্থানে ভুলবশত জাপানিদের দেহাবশেষ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে, সেখানে বর্তমান পদ্ধতিটি প্রযোজ্য হবে। স্থানগুলোর মধ্যে ফিলিপাইন, মিয়ানমার ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের কিছু এলাকা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের ভাষ্যমতে, বর্তমানে প্রায় ১ হাজার ৬শ জনের দেহাবশেষ বিদেশে রয়েছে এবং সেগুলোর ডিএনএ বিশ্লেষণ চলছে।
| শনি | রবি | সোম | মঙ্গল | বুধ | বৃহ | শুক্র |
|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ | ২ | ৩ | ৪ | ৫ | ৬ | |
| ৭ | ৮ | ৯ | ১০ | ১১ | ১২ | ১৩ |
| ১৪ | ১৫ | ১৬ | ১৭ | ১৮ | ১৯ | ২০ |
| ২১ | ২২ | ২৩ | ২৪ | ২৫ | ২৬ | ২৭ |
| ২৮ | ২৯ | ৩০ | ||||