| ০৬ জানুয়ারি ২০২১ | ৯:৫৮ পূর্বাহ্ণ | পড়া হয়েছে 296 বার
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সুগা ইয়োশিহিদে বলেছেন, দ্বিতীয় জরুরি অবস্থাটি গত বসন্তে নেয়া অনুরূপ একটি ব্যবস্থার তুলনায় আরও বেশি সুনির্দিষ্ট হবে। উল্লেখ্য, করোনাভাইরাসে সংক্রমণের ঘটনার অব্যাহত বৃদ্ধির কারণে টোকিও এবং এর আশেপাশের লক্ষ লক্ষ মানুষ এখন নতুন এই জরুরি অবস্থার মুখোমুখি।
সুগা সোমবার বলেন, “আমরা পরিস্থিতিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছি বিধায় আরও জোরালো বার্তা প্রেরণের প্রয়োজন আছে।”
তিনি আরও বলেন, সরকার আগামী বৃহস্পতিবার এই বিষয়ে একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিবে। তিনি আরও বলেন, এই ঘোষণা টোকিও ও এর পাশের তিনটি জেলা কানাগাওয়া, সাইতামা এবং চিবার উপর প্রযোজ্য হবে। এই পদক্ষেপ এক মাসের মত বলবৎ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
জরুরি অবস্থা অধিবাসীদের ভাইরাস বিরোধী প্রচেষ্টায় সহযোগিতা করার আহ্বান জানানোর জন্য জেলা গভর্নরদের আইনগত কর্তৃত্ব দিয়ে থাকে।
চার গভর্নর লোকজনকে রাত ৮টার পর অনাবশ্যক কোন কাজে বাড়ির বাইরে না যাওয়ার জন্য অনুরোধ জানাবেন।
এছাড়া, একই সময়ের মধ্যে বার ও রেস্তোরাঁ বন্ধ রাখার অনুরোধও তারা জানাবেন।
উল্লেখ্য, জাপানে জরুরি অবস্থা অনেক পশ্চিমা দেশের মত অত কঠোর নয়। এটি এখনও পর্যন্ত কড়া লকডাউনের বিপরীতে স্ব-প্রণোদিতভাবে বন্ধ করার উপর নির্ভর করেছে।
তবে সুগা বলছেন, এই আহ্বান মেনে না চলা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ধার্য করার অনুমোদন দেয়া একটি আইনি সংশোধনী তিনি সংসদে পেশ করবেন।
এছাড়া, উপদ্রুত এলাকা সমূহে বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজনের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ কড়াকড়ি করার পাশাপাশি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসমূহকে আরও বেশি সংখ্যক কর্মীদের বাড়িতে থেকে কাজ করার জন্য উৎসাহ যোগাতে কেন্দ্রীয় সরকার এখন স্থানীয় কর্মকর্তাদের সাথে যৌথভাবে কাজ করছে।
দেশের মোট সংক্রমণের অর্ধেক এখন ঘটছে বৃহত্তর টোকিও এলাকায়। গুরুতরভাবে অসুস্থ রোগীদের সংখ্যা ক্রমশ বেড়ে চলায়, রাজধানীর চারপাশের এলাকাগুলোর গভর্নররা এই মর্মে সতর্ক করে দিচ্ছেন যে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা যে কোন সময় ভেঙ্গে পড়তে পারে।
| শনি | রবি | সোম | মঙ্গল | বুধ | বৃহ | শুক্র |
|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ | ২ | ৩ | ৪ | |||
| ৫ | ৬ | ৭ | ৮ | ৯ | ১০ | ১১ |
| ১২ | ১৩ | ১৪ | ১৫ | ১৬ | ১৭ | ১৮ |
| ১৯ | ২০ | ২১ | ২২ | ২৩ | ২৪ | ২৫ |
| ২৬ | ২৭ | ২৮ | ২৯ | ৩০ | ||