| ০৮ ডিসেম্বর ২০২২ | ৪:৫৬ পূর্বাহ্ণ | পড়া হয়েছে 69 বার
বৃহস্পতিবার ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ধর্মীয় সংগঠনে দান নিয়ন্ত্রণ করার খসড়া একটি বিল নিয়ে জাপানের সংসদের নিম্ন কক্ষের কমিটি সদস্যরা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন।
সাবেক ইউনিফিকেশন চার্চের কর্মকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনকে সাহায্য করা হচ্ছে বিলটির লক্ষ্য।
ধর্মীয় গোষ্ঠীর বিবেক বর্জিত উপায়ে দান চাওয়া নিষিদ্ধ করা হবে কিনা আলোচনায় সেদিকে আলোকপাত করা হচ্ছে। বিরোধী দলীয় আইন প্রণেতারা তথাকথিত চিন্তা-ভাবনা নিয়ন্ত্রণের প্রভাবের আওতায় দেয়া দান নিষিদ্ধ করার জন্য বিলটি সংশোধন করে নিতে চাইছেন।
কন্সটিটিউশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির আইন প্রণেতা ইয়ুনোকি মিচিইয়োশি বলেছেন, “সাবেক ইউনিফিকেশন চার্চ সেরকম কাজকর্ম চালায়। এটাকে পরিষ্কারভাবে নিষিদ্ধ করা হলে দলের ক্ষতিগ্রস্তরা আর্থিক সহায়তা লাভে সক্ষম হবেন।”
জাপানের প্রধানমন্ত্রী কিশিদা ফুমিও বলেছেন, “নতুন এই আইন এবং ভোক্তা চুক্তি আইন সংশোধন করে নেয়ার একটি বিলের আওতায় ক্ষতিগ্রস্তরা অনেক ক্ষেত্রেই সেই সব অনুদান প্রত্যাহার করে নিতে সক্ষম হবেন।”
জাপানের প্রধানমন্ত্রী একই সাথে মানুষ যে বিভ্রান্ত মানসিক অবস্থায় দান কিংবা প্রতিশ্রুতি প্রদান করেছেন, সেরকম কিছু ঘটনার উল্লেখ করেন। তিনি বলেছেন ধর্মীয় গোষ্ঠী ছেড়ে দেয়ার পর চাপের মুখে দান করেছেন তা প্রমাণ করতে পারলে তারা তাদের প্রত্যাহার করে নেয়ার অধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।
কিশিদা বলেন, “দানের অংশ ফেরত পাওয়া সংক্রান্ত চুক্তি কিংবা বিভ্রান্ত মানসিক অবস্থায় স্বাক্ষর করা দান ফেরত না চাওয়ার উল্লেখ থাকা দলিল অবৈধ ঘোষণা করা যেতে পারে। সেরকম দলিল শোভন গণ আচরণ ও নিয়মাবলীর পরিপন্থী বিবেচিত হতে পারে।”
| শনি | রবি | সোম | মঙ্গল | বুধ | বৃহ | শুক্র |
|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ | ২ | ৩ | ৪ | |||
| ৫ | ৬ | ৭ | ৮ | ৯ | ১০ | ১১ |
| ১২ | ১৩ | ১৪ | ১৫ | ১৬ | ১৭ | ১৮ |
| ১৯ | ২০ | ২১ | ২২ | ২৩ | ২৪ | ২৫ |
| ২৬ | ২৭ | ২৮ | ২৯ | ৩০ | ||