| ১২ মার্চ ২০২১ | ৫:৫৯ পূর্বাহ্ণ | পড়া হয়েছে 258 বার
প্রধানত ফুকুশিমা জেলা থেকে আসা ৪১ হাজারের বেশি মানুষ উত্তর-পূর্ব জাপানে আঘাত হানা মহাভূমিকম্প ও সুনামির ১০ বছর পর এখনও নিজেদের বাড়িঘর থেকে দূরে বসবাস করছেন। এদের অধিকাংশ হচ্ছেন ফুকুশিমা দাই-ইচি পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রে দুর্ঘটনার পর সেখান থেকে সরে যাওয়া লোকজন।
বিদ্যুৎ কেন্দ্রে তিনটি মেল্টডাউন ঘটে, চেরনোবিলের পর থেকে যেটাকে বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ পরমাণু দুর্ঘটনা হিসেবে দেখা হয়। এমনকি এক দশক পরেও ফুকুশিমা জেলার কয়েকটি পৌর এলাকা প্রবেশ নিষেধ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আসছে।
জাপান সরকার এবং বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পরিচালক টোকিও বিদ্যুৎ শক্তি কোম্পানি টেপকো ধারণা করছে বিদ্যুৎ কেন্দ্র অকেজো করে দেয়ার কাজ ২০৫১ সালে শেষ হবে। চুল্লির ভেতরে, তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা যেখানে এখনও অত্যন্ত উঁচু, সেখানে থেকে যাওয়া তেজস্ক্রিয় বর্জ্য কিভাবে সরিয়ে ফেলা হবে সেটা হচ্ছে সবচেয়ে বড় একটি চ্যালেঞ্জ। টেপকো অনুমান করছে ৮৮০ টন সেরকম বর্জ্য সেখানে আছে।
কোম্পানি এবছর থেকে বর্জ্য সরিয়ে ফেলার কাজ শুরুর পরিকল্পনা করছিল, তবে করোনাভাইরাস মহামারি সেই প্রক্রিয়া কমপক্ষে এক বছর পিছিয়ে দেয়।
আরেকটি চ্যালেঞ্জ হচ্ছে দুর্যোগের পর থেকে দশ বছর ধরে বিদ্যুৎ কেন্দ্রে জমা করে রাখা ১২ লক্ষ টনের বেশি ব্যবহৃত পানি নিয়ে কি করা হবে।
গলে যাওয়া পরমাণু জ্বালানি শীতল করার কাজে ব্যবহৃত সেই পানি বিশুদ্ধ করে নেয়া হলেও এখনও এতে ট্রিটিয়াম ও অন্যান্য তেজস্ক্রিয় উপাদান রয়েছে। পানি কিভাবে ফেলে দেয়া হবে, সেই সিদ্ধান্ত সরকার এখনও নেয়নি।
টেপকো এবং সরকারকে এছাড়াও বিদ্যুৎ কেন্দ্র অকেজো করে দেয়ার কাজ চলতে থাকার সময় তৈরি হওয়া বিশাল পরিমাণ তেজস্ক্রিয় বর্জ্যও সামাল দিতে হবে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ইতোমধ্যে ৪ লক্ষ ৭০ হাজার কিউবিক মিটার সেরকম বর্জ্য তৈরি হয়েছে, কেন্দ্রের ভেতরে যেগুলো জমা রাখা আছে। অকেজো করে দেয়ার কাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত সময়ে আরও কি পরিমাণ বর্জ্য তৈরি হবে, সেই হিসাব এখনও তারা করেনি।
| শনি | রবি | সোম | মঙ্গল | বুধ | বৃহ | শুক্র |
|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ | ২ | ৩ | ৪ | |||
| ৫ | ৬ | ৭ | ৮ | ৯ | ১০ | ১১ |
| ১২ | ১৩ | ১৪ | ১৫ | ১৬ | ১৭ | ১৮ |
| ১৯ | ২০ | ২১ | ২২ | ২৩ | ২৪ | ২৫ |
| ২৬ | ২৭ | ২৮ | ২৯ | ৩০ | ||