| ০৪ জুলাই ২০২১ | ৯:০৭ পূর্বাহ্ণ | পড়া হয়েছে 137 বার
মধ্য জাপানের শিযুওকা জেলার কর্মকর্তারা বলছেন, ধারাবাহিক কয়েকটি কাদাধ্বসে বেশ কয়েকটি বাড়ি ভেসে যাওয়ার পরে দু’ব্যক্তিকে প্রাণের গুরুতর লক্ষণ ছাড়া পাওয়া গেছে এবং প্রায় ২০ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
আজ শনিবার ভোর থেকে জাপানের প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূল বরাবর এলাকাগুলোতে মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে।
আতামি শহরে, আত্মরক্ষা বাহিনীর প্রায় ৩০ জন সদস্য অনুসন্ধান এবং উদ্ধার অভিযানে যোগ দিয়েছেন।
এই কাদাধ্বসের পর নগর কর্মকর্তারা, প্রায় ২০ হাজার পরিবারকে অবিলম্বে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেন। লোকজনকে নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। কর্মকর্তারা, প্রায় ৮০ জন আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে সরে গেছেন বলে জানান।
একজন বাসিন্দা এনএইচকে’কে বলেন, কাছাকাছি স্থানে কাদাধ্বসের পর তিনি অপেক্ষাকৃত উঁচু স্থানের দিকে ছুটে যান। আরেকজন বলেন, তিনি চোখে দেখার আগে কাদাধ্বসের শব্দ শুনতে পেয়েছিলেন, যখন সেগুলো বাড়িঘর এবং নানা পরিষেবার খুঁটিগুলো ভাসিয়ে নিচ্ছিল।
আবহাওয়া কর্মকর্তারা বলছেন, একটি দীর্ঘস্থায়ী মৌসুমী বৃষ্টি বলয়ের কারণে এই বৃষ্টিপাত হচ্ছে। শিযুওকা ও কানাগাওয়া জেলায় সর্বোচ্চ ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে।
কর্মকর্তারা বলছেন, আতামি শহর ইতিমধ্যে পুরো জুলাই মাসের গড় বৃষ্টিপাতের চাইতে বেশি বৃষ্টি প্রত্যক্ষ করেছে। কর্তৃপক্ষ, শিযুওকা, কানাগাওয়া এবং চিবা জেলার কিছু অংশের জন্য ভূমিধ্বস সতর্কতা জারি করেছে। কিছু নদী ইতিমধ্যেই বন্যা জনিত বিপদসীমার উপরে প্রবাহিত হচ্ছে।
কতৃপক্ষগুলো এই বলে সতর্ক করছে যে, আরও ভূমিধ্বস, নদীর পানি ফুলে ওঠা এবং নিম্নাঞ্চলে বন্যার সম্ভাবনা রয়েছে। তারা, লোকজনকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আদেশ সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য জানার আহ্বান জানাচ্ছেন।
| শনি | রবি | সোম | মঙ্গল | বুধ | বৃহ | শুক্র |
|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ | ২ | ৩ | ৪ | |||
| ৫ | ৬ | ৭ | ৮ | ৯ | ১০ | ১১ |
| ১২ | ১৩ | ১৪ | ১৫ | ১৬ | ১৭ | ১৮ |
| ১৯ | ২০ | ২১ | ২২ | ২৩ | ২৪ | ২৫ |
| ২৬ | ২৭ | ২৮ | ২৯ | ৩০ | ||