| ০৭ নভেম্বর ২০২২ | ৭:৪৩ পূর্বাহ্ণ | পড়া হয়েছে 48 বার
জাপানের ঐতিহ্যগত অন্যতম প্রধান খাদ্য মাছের বিক্রিতে পতন অব্যাহত থাকার ফলে, জাপানিদের মধ্যে মাছ খাওয়ার অভ্যেসও ক্রমশ কমে আসছে। এই প্রবণতা রোধ করার জন্য হাত মিলিয়ে চেষ্টা চালাতে এগিয়ে এসেছে সরকার ও ব্যবসা খাত। প্রত্যেক মাসের তৃতীয় থেকে সপ্তম দিন পর্যন্ত এই ক’দিনকে “মৎস্য দিবস” হিসেবে চিহ্নিত করেছে মৎস্য এজেন্সি।
এখন পর্যন্ত ৬শো’র বেশি কোম্পানি ও গ্রুপ এই অভিযানে সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছে।
একটি নামকরা কনভিনিয়েন্স স্টোর চেইন ফ্যামিলিমার্ট তাদের দোকানে এ মাসের শেষ দিক থেকে, মাইক্রোওয়েভে গরম করে নেওয়া যায়, মাছের এমন পদ’সহ সি-ফুড দিয়ে তৈরি নানারকম খাবারের সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে।
মাছ এবং শামুক-গুগলি’র মত শেল-ফিশ খাওয়ার পরিমাণ জাপানে সর্বোচ্চে পৌঁছেছিল ২০০১ অর্থ বছরে। তারপর থেকে এগুলো খাওয়ার বার্ষিক পরিমাণ শতকরা ৪০ ভাগের ওপর কমে গিয়ে জনপ্রতি ২৩ কিলোগ্রামে দাঁড়ায়।
২০১৯ সালে পরিচালিত এক সমীক্ষায় বহু লোক মাংস খাওয়ার দিকে ঝোঁকার কথা জানিয়েছিলেন। তারা তাদের এই পছন্দের পেছনে কারণ হিসেবে সি-ফুডের উচ্চ মূল্য এবং রান্না করার অসুবিধার কথা উল্লেখ করেন।
মৎস্য এজেন্সি, সি-ফুড খাওয়া বাড়ানোর পাশাপাশি, টেকসই সামুদ্রিক সম্পদের নিশ্চয়তা বিধান এবং জাপানের মৎস্য শিল্পকে সাহায্য সমর্থন দেওয়ার লক্ষ্য স্থির করেছে।
| শনি | রবি | সোম | মঙ্গল | বুধ | বৃহ | শুক্র |
|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ | ২ | ৩ | ৪ | |||
| ৫ | ৬ | ৭ | ৮ | ৯ | ১০ | ১১ |
| ১২ | ১৩ | ১৪ | ১৫ | ১৬ | ১৭ | ১৮ |
| ১৯ | ২০ | ২১ | ২২ | ২৩ | ২৪ | ২৫ |
| ২৬ | ২৭ | ২৮ | ২৯ | ৩০ | ||