| ২১ নভেম্বর ২০২২ | ৫:০৬ পূর্বাহ্ণ | পড়া হয়েছে 50 বার
জাপানের প্রধানমন্ত্রী কিশিদা ফুমিও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় তার আট দিনের সফরকে জাপানের সুরক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেছেন।
একাধিক আন্তর্জাতিক বৈঠকে অংশ নেয়ার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও দক্ষিণ কোরিয়া’সহ অন্যান্য কয়েকটি দেশের নেতাদের সাথে শীর্ষ বৈঠকের পর গতকাল শনিবার থাইল্যান্ডে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন কিশিদা।
কিশিদার ভাষ্যানুযায়ী, ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনের পাশাপাশি পূর্ব এশিয়ায় একটি অনিশ্চিত নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মাঝে, বিশ্বের শান্তি ও শৃঙ্খলা একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকটময় পরিস্থিতির সম্মুখীন হওয়ায়, জাপানের জনগণের অস্বস্তি আরও বেড়ে চলেছে।
পুরো সপ্তাহের দিকে ফিরে তাকিয়ে, তিনি এটিকে রাজনীতি, জাপানের সুরক্ষা এবং দেশের জনগণের মাঝে নিরাপত্তার বোধ জাগ্রত করার সবচেয়ে গুরুতর লক্ষ্যটি অর্জনের জন্য গৃহীত একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সাথে একটি বৈঠকের কথা উল্লেখ করে কিশিদা বলেন, এটি ছিল একটি শক্তিশালী জাপান-মার্কিন জোটের পাশাপাশি প্রতিরোধ ও প্রতিক্রিয়া প্রদর্শনের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে তাদের প্রতিশ্রুতি পুনঃনিশ্চিত করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং’এর সাথে তার বৈঠকের প্রসঙ্গে, কিশিদা বলেন, অমীমাংসিত কিছু দ্বিপাক্ষিক বিষয় নিয়ে তারা দু’জন গভীরভাবে আলোচনা করার পাশাপাশি সম্পর্ক আরও উন্নত করার লক্ষ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ অব্যাহত রাখতে সম্মত হয়েছেন।
কিশিদা আরও বলেন, দুই নেতা এই বিষয়েও একমত হয়েছেন যে ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনের ক্ষেত্রে পরমাণু অস্ত্রের ব্যবহার কখনোই সহ্য করা উচিত হবে না।
অন্যদিকে, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সং-নিয়োলের সাথে তার বৈঠকের প্রসঙ্গে কিশিদা বলেন, দুই দেশের মধ্যে অমীমাংসিত সমস্যাগুলোর দ্রুত সমাধানের ব্যাপারে তিনি ও ইউন একমত হয়েছেন।
কিশিদার ভাষ্যমতে, শুক্রবার উত্তর কোরিয়া একটি আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করার পর জাপান, যুক্তরাষ্ট্র এবং দক্ষিণ কোরিয়ার নেতাদের সাথে অস্ট্রেলিয়া, কানাডা এবং নিউজিল্যান্ডের নেতারা দ্রুত বৈঠকে মিলিত হন। তিনি বলেন, উত্তর কোরিয়ার উস্কানির বিরুদ্ধে একযোগে প্রতিক্রিয়া দেখানোর জন্য তারা তাদের প্রতিশ্রুতি নিশ্চিত করেন।
এছাড়া, আগামী বছর সাতটি শিল্পোন্নত দেশের জোট জি-৭’এর বৈঠকে জাপানের সভাপতিত্বের কথাও উল্লেখ করেন কিশিদা। তার ভাষ্যানুযায়ী, তিনি একটি মুক্ত ও অবাধ ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের প্রসারে নেতৃত্বের ভূমিকা গ্রহণের পাশাপাশি অর্থনৈতিক এবং অন্যান্য বৈশ্বিক সমস্যাগুলো মোকাবিলায়ও কাজ করবেন, যা তার দেশের নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি অর্জনের ক্ষেত্রে সহায়ক হবে।
| শনি | রবি | সোম | মঙ্গল | বুধ | বৃহ | শুক্র |
|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ | ২ | ৩ | ৪ | |||
| ৫ | ৬ | ৭ | ৮ | ৯ | ১০ | ১১ |
| ১২ | ১৩ | ১৪ | ১৫ | ১৬ | ১৭ | ১৮ |
| ১৯ | ২০ | ২১ | ২২ | ২৩ | ২৪ | ২৫ |
| ২৬ | ২৭ | ২৮ | ২৯ | ৩০ | ||