| ০৫ ডিসেম্বর ২০২২ | ৪:১৯ পূর্বাহ্ণ | পড়া হয়েছে 85 বার
জাপানের ক্ষমতাসীন জোটের ভাষ্যানুযায়ী, সশস্ত্র হামলার লক্ষ্যবস্তু হলে দেশটির “পাল্টা হামলা”র সক্ষমতা থাকা উচিত। এই লক্ষ্যে নেয়া পদক্ষেপটি হবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর জাপানের নিরাপত্তা নীতিতে সবচেয়ে বড় পরিবর্তনগুলোর মধ্যে একটি।
গতকাল শুক্রবার, ক্ষমতাসীন জোটের প্রধান দল লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি এবং এর ছোট জোট অংশীদার কোমেই পার্টি এবিষয়ে আলোচনা করেছে। দল দুটির ভাষ্যানুযায়ী, এই অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান হুমকি মোকাবিলায় জাপানের বর্তমান ব্যবস্থা দুর্বলভাবে সজ্জিত।
এলডিপির কুমাদা হিরোমিচির ভাষ্যমতে, “সাম্প্রতিক সময়ে উত্তর কোরিয়া আরও বেশি সংখ্যক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে চলায়, এক দশক আগের তুলনায় পরিস্থিতি আরও বেশি বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। তাই আমরা এই বিষয়ে সম্মত হয়েছি যে, আত্মরক্ষার জন্য জাপানের পাল্টা হামলার সক্ষমতা থাকা উচিত।”
এছাড়া, আইনপ্রণেতারা এই বিষয়েও সম্মত হন যে জাপানের এই “পাল্টা হামলা” আত্মরক্ষার মধ্যে সীমিত থাকবে এবং কখনোই আগাম হামলা করা যাবে না। বরং, এর জন্য জাপান বা তার মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই সশস্ত্র হামলা শুরু হতে হবে। শত্রুপক্ষের হুমকিকে পরাস্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় ন্যূনতম শক্তি ব্যবহার করে এই “পাল্টা হামলা” শুধুমাত্র সামরিক লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধেই পরিচালিত করা যাবে।
সরকারের ভাষ্যানুযায়ী, তারা চলতি বছরের শেষ নাগাদ তাদের এই প্রস্তাবের রূপরেখা বিবৃত করা নথিগুলোর সংশোধন সম্পন্নের পরিকল্পনা করছে।
| শনি | রবি | সোম | মঙ্গল | বুধ | বৃহ | শুক্র |
|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ | ২ | ৩ | ৪ | |||
| ৫ | ৬ | ৭ | ৮ | ৯ | ১০ | ১১ |
| ১২ | ১৩ | ১৪ | ১৫ | ১৬ | ১৭ | ১৮ |
| ১৯ | ২০ | ২১ | ২২ | ২৩ | ২৪ | ২৫ |
| ২৬ | ২৭ | ২৮ | ২৯ | ৩০ | ||