| ২৯ মে ২০১৯ | ৮:৩০ অপরাহ্ণ | পড়া হয়েছে 589 বার
জাপানের একটি আদালত কয়েক দশক আগে বর্তমানে অকার্যকর সু-প্রজনন সুরক্ষা আইনের অধীনে জোরপূর্বক বন্ধ্যাকরণের জন্য দুই নারীর দায়ের করা রাষ্ট্রীয় ক্ষতিপূরণের দাবি বাতিল করে দিয়েছে। তবে এর পাশাপাশি ঐ আইন যে অসাংবিধানিক ছিল, সেই ঘোষণাও দিয়েছে আদালত।
উল্লেখ্য, মানসিক ব্যাধি, বংশগত রোগ অথবা অন্যান্য অসুস্থতায় ভোগার দোহাই দিয়ে ১৯৪৮ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত কার্যকর থাকা ঐ আইনের আওতায় প্রায় ২৫ হাজার ব্যক্তিকে জোরপূর্বক এই বন্ধ্যাকরণের ভেতর দিয়ে যেতে হয়েছিল।
বর্তমানে ৬০ এবং ৭০ বছরের কোঠায় থাকা উত্তর জাপানের মিয়াগী জেলার দুই নারীকেও তাদের কিশোরী বয়সে ঐ বন্ধ্যাকরণের মুখোমুখি হতে হয়েছিল।
মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয় উল্লেখ করে তারা দু’জনে মিলে মোট ৭ কোটি ১৫ লক্ষ ইয়েন বা প্রায় ৬ লক্ষ ৫০ হাজার ডলারের ক্ষতিপূরণ রাষ্ট্রের কাছে দাবি করেন।
সেন্দাই জেলা আদালতের সভাপতি বিচারপতি মোতোইউকি নাকাশিমা আজ ঐ নারীদের আবেদন বাতিল করে দেন।
তবে সু-প্রজনন সুরক্ষা আইনটি যে জাপানের সংবিধানকে লঙ্ঘন করেছিল, রায়ে সেদিকেও দিকনির্দেশ করেন তিনি।
উল্লেখ্য, জোরপূর্বক বন্ধ্যাকরণ নিয়ে জাপান জুড়ে দায়ের করা সাতটি মামলার মধ্যে এটিই প্রথম রায়।
| শনি | রবি | সোম | মঙ্গল | বুধ | বৃহ | শুক্র |
|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ | ২ | ৩ | ৪ | |||
| ৫ | ৬ | ৭ | ৮ | ৯ | ১০ | ১১ |
| ১২ | ১৩ | ১৪ | ১৫ | ১৬ | ১৭ | ১৮ |
| ১৯ | ২০ | ২১ | ২২ | ২৩ | ২৪ | ২৫ |
| ২৬ | ২৭ | ২৮ | ২৯ | ৩০ | ||