| ০২ জুলাই ২০১৯ | ১০:৪৯ পূর্বাহ্ণ | পড়া হয়েছে 743 বার
জাপান সরকার বলেছে দক্ষিণ কোরিয়ায় উচ্চ প্রযুক্তির পণ্য রপ্তানিতে এটি বিধিনিষেধ কঠোর করবে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন শ্রম বিষয় নিয়ে গত বছরের শেষ থেকে দুই দেশের মধ্যেকার সম্পর্কের অবনতি ঘটে। তবে কর্মকর্তারা বলেছেন রপ্তানি বিধিনিষেধকে প্রতিশোধ হিসেবে যেন দেখা না হয়।
অর্থনীতি, বাণিজ্য এবং শিল্প মন্ত্রণালয় বলে উচ্চ প্রযুক্তির পণ্যে ব্যবহার করা তিনটি পদার্থে কঠিন নীতি প্রয়োগ করা হবে।
এর মধ্যে অর্ধ-পরিবাহীর উৎপাদনে ব্যবহৃত উচ্চ-বিশুদ্ধ হাইড্রোজেন ফ্লুরাইড এবং স্মার্টফোন তৈরিতে ব্যবহৃত পদার্থও রয়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়ায় পণ্যের প্রত্যেক জাহাজীকরণের অনুমতির জন্য চলতি মাসের চার তারিখ থেকে জাপানের রপ্তানিকারকদের আবেদন করার প্রয়োজন হবে।
এসব পণ্যের জন্য জাপানের কোম্পানিগুলোর বৃহদাকারের বাজার শেয়ার রয়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়া তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। দেশটির বাণিজ্য এবং শিল্প মন্ত্রী এই পদক্ষেপকে অন্যায্য এবং আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন একটি পদক্ষেপ উল্লেখ করে এর বিরুদ্ধে দেশটি অটলভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবে বলে উল্লেখ করেন। এটি বলে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার নিয়মের আলোকে এই ধরণের রপ্তানি বিধিনিষেধ আরোপ করা যায় না।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন জাপানি কোম্পানিগুলোতে কাজ করতে বাধ্য হওয়া শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ দিতে জাপানি কোম্পানিগুলোকে আদেশ দিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার আদালতের ধারাবাহিক রায়ের পর দু’দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক তিক্ততায় পরিণত হয়।
এই বিবাদ মিমাংসায় একটি সালিশ প্যানেল স্থাপনে রাজি হতে জাপান সরকার দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতি আহবান জানাচ্ছে। সরকার বলে এই অনুরোধে দক্ষিণ কোরিয়া সাড়া দেয়নি।
| শনি | রবি | সোম | মঙ্গল | বুধ | বৃহ | শুক্র |
|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ | ২ | ৩ | ৪ | |||
| ৫ | ৬ | ৭ | ৮ | ৯ | ১০ | ১১ |
| ১২ | ১৩ | ১৪ | ১৫ | ১৬ | ১৭ | ১৮ |
| ১৯ | ২০ | ২১ | ২২ | ২৩ | ২৪ | ২৫ |
| ২৬ | ২৭ | ২৮ | ২৯ | ৩০ | ||