| ১৫ অক্টোবর ২০১৯ | ১১:২৩ পূর্বাহ্ণ | পড়া হয়েছে 549 বার
জাপানের লোকজন তাইফুন হাগিবিসে ক্ষয়-ক্ষতির পর্যালোচনা করছে। অনেক স্থানে পরিষ্কার অভিযান চলায় মৃতের সংখ্যা এখন ৫৮-তে দাঁড়িয়েছে।
নিহতরা ছাড়াও ১৪ ব্যক্তি এখনও নিখোঁজ রয়েছে। সপ্তাহান্তের ঝড়ের সময় ২শো ১০’র বেশি ব্যক্তি আহত হয়েছেন।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন অনেক স্থানে মাত্র এক অথবা দু’দিনে বার্ষিক বৃষ্টিপাতের ৪০শতাংশেরও বেশি রেকর্ড করা হয়েছে।
তাইফুনের ফলে একশোরও বেশি নদী প্লাবিত হয়েছে। কমপক্ষে ২১টি বাঁধ ভেঙ্গে রাস্তা এবং আবাসিক এলাকা প্লাবিত হয়েছে।
এর মধ্য রয়েছে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় টোকিও’র নাগানো জেলার চিকুমা নদী।
কর্দমাক্ত জলে রাস্তাগুলো সম্পূর্ণভাবে নিমজ্জিত হয়ে গেছে। এই অঞ্চলের বাড়িগুলো তিন মিটারের বেশি উচ্চতার প্লাবনে প্লাবিত হয়েছে।
একজন বাসিন্দা জানান কিভাবে এই মাটি সরানো যাবে এই সম্পর্কে তার কোন ধারণা নেই। এটি একটি বাস্তব সমস্যা।
একটি রেলসেতু ভেঙ্গে নদীতে পড়ে গেছে এবং বন্যার পানি রেলসেবাকে বিঘ্নিত করছে। হোকুরিকু লাইনের শিনকানসেন বা বুলেট ট্রেনের একটি রক্ষণাবেক্ষণ ডিপো প্লাবিত হয়েছে।
পূর্ব জাপান রেলওয়ে জানিয়েছে পানির উচ্চতা আনুমানিক চার মিটার বেড়ে যাওয়ায় মোট ১২০টি বগিসহ ১০টি ট্রেন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
টোকিও’র উত্তরে তোমিওকা শহরে ভূমিধ্বসে বেশকিছু বাড়িঘর ভেসে গেছে এবং এতে কমপক্ষে চার ব্যক্তি নিহত হয়।
| শনি | রবি | সোম | মঙ্গল | বুধ | বৃহ | শুক্র |
|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ | ২ | ৩ | ৪ | |||
| ৫ | ৬ | ৭ | ৮ | ৯ | ১০ | ১১ |
| ১২ | ১৩ | ১৪ | ১৫ | ১৬ | ১৭ | ১৮ |
| ১৯ | ২০ | ২১ | ২২ | ২৩ | ২৪ | ২৫ |
| ২৬ | ২৭ | ২৮ | ২৯ | ৩০ | ||