| ১৩ এপ্রিল ২০২০ | ৬:১২ পূর্বাহ্ণ | পড়া হয়েছে 383 বার
জাপানের প্রধানমন্ত্রী আবে শিনযো, রাতের বেলা পরিচালিত বার এবং রেস্তোরাঁগুলোতে না যাওয়ার জন্য সারাদেশের লোকজনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
একটি সংশোধিত আইনের উপর ভিত্তি করে গত মঙ্গলবার দেশের সাতটি জেলায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়।
করোনাভাইরাসের মোকাবিলায় আইনটির মৌলিক নির্দেশিকা অনুযায়ী সরকার, ইতোমধ্যে বিনোদন স্থাপনাগুলোতে যাওয়া পরিহার করতে সাতটি জেলার বাসিন্দাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
শনিবার প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে অনুষ্ঠিত সরকারের টাস্কফোর্সের বৈঠকে আবে, উক্ত সাতটি জেলার বিনোদন এলাকাগুলো সফরকারী বিপুল সংখ্যক লোকজনের সংক্রমণের ঘটনা জানা গেছে বলে উল্লেখ করেন।
তিনি, দেশের অন্যান্য অংশেও একই প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে বলে জানান।
আবে, লোকজনের প্রতি শুধুমাত্র বার, নাইটক্লাব, কারাওকে বার এবং লাইভ সঙ্গীতানুষ্ঠানের হলের মত বদ্ধ, জনবহুল স্থান এবং ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শ আসা জায়গাগুলোই নয় বরং সারাদেশের রেস্তোরাঁ ও বারগুলো যেখানে দোকানের কর্মীরা রাতের বেলা ক্রেতাদের ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে আসেন এমন স্থাপনাগুলোতে যাওয়া পরিহার করতে আহ্বান জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান।
তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ হ্রাস করে একমাসের মধ্যে জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার করে নিতে লোকজনের পরস্পরের মধ্যকার মিথস্ক্রিয়া অন্তত ৭০ শতাংশ বা সম্ভব হলে ৮০ শতাংশ হ্রাস করার প্রয়োজন রয়েছে এবং এই লক্ষ্যার্জনের জন্য জনগণের আরও সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ।
আবে, বাড়িতে বসে কাজ করার পদক্ষেপ গ্রহণ এবং কাজে আসতে হবে এমন লোকজনের সংখ্যা অন্তত ৭০ শতাংশ হ্রাস করে নিতে উক্ত সাতটি জেলার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আহ্বান জানাতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন।
আবে, যখন বিপুল সংখ্যক কোম্পানি একটি নিয়ম হিসেবে টেলিওয়ার্কে পরিবর্তন করে নিচ্ছে তখন কাজে আসার লোকজনের সংখ্যা হ্রাসের বিষয়টি অপর্যাপ্ত রয়েছে বলে উল্লেখ করেন।
তিনি, সরবরাহের ঘাটতি হ্রাসের জন্য সাতটি জেলার চিকিৎসা স্থাপনাগুলোতে আরও ১কোটি মাস্ক বিতরণের কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করতে তাঁর পরিকল্পনার বিষয়ও উল্লেখ করেন।
| শনি | রবি | সোম | মঙ্গল | বুধ | বৃহ | শুক্র |
|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ | ২ | ৩ | ৪ | |||
| ৫ | ৬ | ৭ | ৮ | ৯ | ১০ | ১১ |
| ১২ | ১৩ | ১৪ | ১৫ | ১৬ | ১৭ | ১৮ |
| ১৯ | ২০ | ২১ | ২২ | ২৩ | ২৪ | ২৫ |
| ২৬ | ২৭ | ২৮ | ২৯ | ৩০ | ||