| ১৫ জুলাই ২০২০ | ৮:০২ অপরাহ্ণ | পড়া হয়েছে 414 বার
জাপানের আবহাওয়া কর্মকর্তারা বলছেন যে ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে বিধ্বস্ত এলাকাগুলোর জন্য সবচেয়ে কঠিন সময় সম্ভবত উত্তীর্ণ হয়ে গেছে। তবে বৃষ্টি দক্ষিণের দিকে সরে যাওয়ায় ভূমিধ্বসের বিষয়ে লোকজনের উচিত এখনো সতর্ক থাকা বলে কর্তৃপক্ষ জানায়।
শিমানে জেলায় জল সরতে শুরু করে দিয়েছে। নদী ফুলে ফেঁপে সেই অঞ্চলে লোকজনের বাড়ি ভাসিয়ে দিয়েছিল। কয়েকটি এলাকায় জল বাড়ির ছাদ পর্যন্ত পৌঁছেছিল।
গোতসু শহরে ৬ হাজারের বেশি লোকজনের জন্য নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ বহাল রয়েছে।
দক্ষিণ-পশ্চিম এলাকায় উদ্ধার কর্মকাণ্ড অব্যাহত রয়েছে। ১০ ব্যক্তি এখনো নিখোঁজ এবং অন্যান্য ৭৭ জন মারা গেছেন।
সরকার বলছে দেশের সবকটি জেলার অর্ধেকগুলোতে ১৫ হাজারের বেশি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোকে করোনাভাইরাসের কারণে দেখা দেয়া নতুন ধরনের উদ্বেগের সাথেও মোকাবেলা করতে হচ্ছে।
উদ্ধার প্রচেষ্টায় সাহায্য করতে সারা দেশ থেকে কয়েকশো লোক সেখানে গিয়ে পৌঁছান। এদের মধ্যে রয়েছেন একজন নার্স, ভাইরাস পরীক্ষায় যার ফল ইতিবাচক এসেছে।
প্রায় ৪০০ লোকজনকে কর্তৃপক্ষ এখন পরীক্ষা করে দেখছে, যারা ঐ নার্সের সংস্পর্শে এসে থাকতে পারেন।
কুমা গ্রামের মেয়র মাৎসুতানি কোউইচি বলছেন পুণর্গঠন প্রচেষ্টা এগিয়ে নিতে কুমামোতা জেলার বাইরে থেকে লোকজনকে নিয়োগ করা অপরিহার্য। বাইরে থেকে আসা লোকজনের সবাই ভাইরাস মুক্ত কিনা তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পদক্ষেপ নিতে হবে বলে তিনি আরো উল্লেখ করেন।
| শনি | রবি | সোম | মঙ্গল | বুধ | বৃহ | শুক্র |
|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ | ২ | ৩ | ৪ | |||
| ৫ | ৬ | ৭ | ৮ | ৯ | ১০ | ১১ |
| ১২ | ১৩ | ১৪ | ১৫ | ১৬ | ১৭ | ১৮ |
| ১৯ | ২০ | ২১ | ২২ | ২৩ | ২৪ | ২৫ |
| ২৬ | ২৭ | ২৮ | ২৯ | ৩০ | ||